প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রস্রাব করতে অস্বস্তি অনেকেরই হতে পারে। তবে আপনি যদি প্রস্রাব করার সময় ব্যথা অনুভব করেন, তবে আপনার হয়তো ডিসইউরিয়ার সমস্যা হয়েছে। এই সমস্যায় প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তি হয়। এটি কোনো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই খুব প্রচলিত সমস্যা। তবে পুরুষের তুলনায় নারীদের সমস্যাটি বেশি হয়।

প্রস্রাবে ব্যথা বা জ্বালাপোড়া হওয়ার একটি কারণ হতে পারে ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন বা ইউটিআই। আর পুরুষের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্রন্থির বিভিন্ন সমস্যার জন্য এটি হতে পারে। এ ছাড়া কিডনিতে পাথর হওয়া, কিডনিতে সংক্রমণ হওয়া, যৌনবাহিত রোগ, ভ্যাজাইনাল ইনফেকশন, পানিশূন্যতা— এগুলোর কারণেও কিন্তু প্রস্রাবে ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা হতে পারে।

সমস্যাটি খুব বেশি হলে অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তবে এর আগে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো মেনে চললে সমস্যাটি কমাতে সাহায্য করবে। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমিডি জানিয়েছে এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলোর কথা।

পানি পানের পরিমাণ বাড়ান

পানি পানের পরিমাণ বাড়ালে প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়ার সমস্যা কম হবে। পানি শরীর থেকে দূষিত ব্যাকটেরিয়াগুলো বের করে দেবে। এটি প্রস্রাব ঠিকঠাক মতো হতে সাহায্য করবে। এ ছাড়া প্রস্রাবে জ্বালাপোড়ার সমস্যা হলে তরল খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। যেমন ধরুন স্যুপ, জুস; পাশাপাশি পানিজাতীয় ফল ও সবজি খেতে হবে।

গরম চাপ

গরম চাপও দিতে পারেন। এতে ব্লাডারের চাপ কমবে এবং ব্যথা কমবে। এ জন্য আপনি হিটিং প্যাড ব্যবহার করতে পারেন অথবা কোনো কাপড় তাপে গরম করে পেটে ব্যবহার করতে পারেন। একে তলপেটে পাঁচ মিনিট রাখুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আবার দিন। এভাবে কয়েকবার করুন।

দই

দইয়ে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া। এটি শরীরের পিএইচের ভারসাম্য রক্ষা করে। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কমাতে প্রতিদিন দুই থেকে তিন কাপ দই খান।

আপনার সম্পর্কিত কিছু তথ্য আমাদের কে জানাবেন । আপনি কি ছেলে নাকি মেয়ে ? বয়স কত ? কোন শারীরিক সমস্যা হচ্ছে কিনা যেমন ধাতু যাওয়া , premature ejaculation( অকাল বীর্যপাত )  ও অন্য কোন উপসর্গ আছে কিনা ?

বয়স অনুসারে বিশেষ করে অনেক ক্ষেত্রেই কিশোর বয়সের শুরুর কিছু পর হতে ধাতুর সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে হয়ে থাকে কোন কারণে শারীরিক ও মানসিক উত্তেজনা বিরাজ করলে , এটি স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া , এটি কোন রোগ নয় , তবে এর জন্য নিজেকে অন্য কাজে ব্যস্ত করে নিলে ধীরে ধীরে এটি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব । তবে এটি তখনি সমস্যা যদি অতিরিক্ত হয় এবং তা স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় কোন বিঘ্ন করে।

অনৈচ্ছিক বীর্যপাতের নামই হলো ধাতু দুর্বলতা । এ ধরনের সমস্যায় স্বপ্নদোষ বা কম উদ্দীপনা ছাড়াই বারবার বীর্যস্থলন হয়। সাধারণভাবে বলতে গেলে ইহা নিজে কোন রোগ নয় বরং অন্যান্য রোগের উপসর্গে আবার অনেক সময় সিফিলিস, গনোরিয়া, ধ্বজভঙ্গ রোগের লক্ষণ স্বরূপ এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গ্রাহক যদি আপনি  বা নিকটস্থ কেউ এই সমস্যায় ভুগেন সেক্ষেত্রে এর থেকে পরিত্রাণের জন্য lifestyle পরিবর্তন করে উপকৃত হতে পারেন এবং অস্বাভাবিক মনে হলে একজন urologist এর শরণাপন্ন হবেন ।lifestyle পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে -

*হস্তমৈথুন কমিয়ে  ফেলা বা বন্ধ করা         

 *ব্যায়াম করা                                                  

* পর্নগ্রাফী এড়িয়ে চলা                                   

*নতুন কোন শখের দিকে আগ্রহী হওয়া        

* বন্ধুত্ব পূর্ণ সুস্থ সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টি করা

* বিছানায় যাওয়ার আগে উষ্ণ পানি দিয়ে গোসল করবেন,

*কোন পর্নগ্রাফী দেখবেন না শোয়ার আগে,

*ঢিলাঢালা রাতের  পোশাক পরবেন

*দুঃশ্চিন্তা কমাবেন এবং মেডিটেড করবেন

*পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম ও বিশ্রাম নেয়া

*নিয়মিত পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়া

*আপনার smoking বা alcohol এর অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করুন

*আপনি relaxation technique চেষ্টা করে দেখতে পারেন



প্রশ্ন করুন আপনিও