“... মায়ার মতো সেবা অন্ধকারে আলোর নিশান!”

   - শেরিল স্যান্ডবার্গ, সিওও ফেইসবুক

আমাদের সম্পর্কে




মায়া একটি বাংলাদেশী টেকনোলজি কোম্পানি। মায়ার ট্রেডিং নাম মায়ালোজি লিমিটেড। মায়ার সেবাটি বাংলাদেশী জনগণের কাছে পৌঁছানোর জন্য মায়া ২০১৪ সালে বিশ্বখ্যাত এনজিও ব্র্যাক এর জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের সাথে অংশীদারিত্ব করে। তখন থেকে মায়া ৯,০০,০০০ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছে এবং ২০১৫ সালের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করে। ব্র্যাক এবং মায়া একটি পার্টনারশিপ স্বাক্ষর করে। ব্র্যাক মায়ার অংশীদারদের মধ্যে অন্যতম।

আমাদের লক্ষ্য স্বাস্থ্য, মনো-সামাজিক ও আইনি বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক বাধা দূর করা। "মায়া" সবার সুস্থতার ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহযোগী হিসেবে কাজ করে ।

উন্নয়নশীল দেশে মানুষ যেভাবে দক্ষ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পায় "মায়া" সেই প্রক্রিয়াটি নতুনভাবে উদ্ভাবন করছে। মায়া একটি মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম যা অ্যান্ড্রয়েড, ওয়েব, এবং এর মাধ্যমে পাওয়া যায়।

আমরা এখন দৈনিক তিন হাজারের বেশি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে আমাদের গ্রাহকদের সেবা প্রদান করি। ভিন্ন ভিন্ন বিষয় এর প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে গর্ভাবস্থা, স্বাস্থ্য, গ্যাস্ট্রিক, সম্পর্ক, ডিপ্রেশন, টেনশন, উদ্বেগ, মনো-সামাজিক, আইনি বিষয়।
বাংলাদেশে যেখানে নির্ভরযোগ্য পরামর্শ পাওয়ায় (বিশেষ করে নারীদের জন্য) অনেক বাধা রয়েছে, সেখানে আমাদের সেবাটি ব্যবহারকারীদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহজ। এখানে নারী-পুরুষ উভয়েই বাংলা, ইংরেজি বা বাংলিশে এবং ভয়েস রেকর্ডের মাধ্যমে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এরপর প্রশ্নগুলো সাথে সাথেই একটি দক্ষ বিশেষজ্ঞের (ডাক্তার, থেরাপিস্ট ইত্যাদি) নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয় যারা তাদের পরামর্শ দিয়ে গ্রাহকদের সাহায্য করেন।



পটভূমি




বর্তমান প্ল্যাটফর্মটি (অ্যান্ড্রয়েড, ওয়েব ও ওয়াপ এ পাওয়া যায়) শুরু করার পূর্বে, ২০০৯ সালে আইভি হক রাসেল একটি ব্লগ হিসেবে মায়া শুরু করেন।



আইভীর ভাষায়, “আমার প্রথম সন্তান জন্মের সময়কার অভিজ্ঞতা থেকে বাংলাদেশে এধরণের তথ্যের অভাব দেখতে পাই। এর পরপরই ২০০৯ সালে বাংলাদেশের নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সমৃদ্ধ কনটেন্ট তৈরি করতে এবং শেয়ার করতে আমি ব্লগ হিসেবে মায়া শুরু করি। আমি লক্ষ্য করলাম যে, বাংলাদেশের মতো দেশে নারীদের যে তথ্য প্রয়োজন এবং যেভাবে তারা তথ্য পায় এর মাঝে অনেক বড় ব্যবধান।তখন মায়ার লক্ষ্য ছিলো শুধুমাত্র নারীদের জন্য, বিশেষ করে মায়েদের জন্য উচ্চ মানের এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট প্রস্তুত করা। আমাদের ওয়েবসাইট তখন সাধারণ একটি ওয়েবসাইট ছিলো। পরে আমাদের ওয়েবসাইটের হোম পেইজে আমরা খুবই ছোট একটি মন্তব্য বক্স বসাই। এর মাধ্যমে আমরা প্রতিদিন কয়েকটি করে প্রশ্ন পেতে থাকি এবং এক পর্যায়ে এর মাধ্যমে আমরা দিনে ১৫-৩০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে শুরু করি। আমি তখন প্রশ্নগুলো আমার বন্ধু, যাদের এই বিষয়ে দক্ষতা ছিল তাদের সাহায্যে উত্তর করতাম। প্রশ্নের সংখ্যা যেভাবে বাড়তে থাকে, আমরা দ্রুত বুঝতে পারি এটি একটি অসামান্য ফিচার" এবং ২০১৪ সাল থেকে মায়ার মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে মায়ার প্রশ্নোত্তর সেবা।

আমাদের পার্টনার


















শারীরিক মানসিক সমস্যার সমাধান সহ আরও আকর্ষণীয় ফিচার মায়া অ্যাপে - On Google Play