Maya Apa

Open in the Maya Apa app

“... মায়া আপার মতো সেবা অন্ধকারে আলোর নিশান!”

   - শেরিল স্যান্ডবার্গ, সিওও ফেইসবুক

আমাদের সম্পর্কে




মায়া আপা বাংলাদেশী একটি টেকনোলজি কোম্পানি। এর ট্রেডিং নাম মায়ালোজি লিমিটেড। মায়া আপা প্লাটফর্মটি আরও উন্নত করা এবং সেবাটি প্রয়োজন এমন আরও অনেকের কাছে পৌঁছানোর জন্য মায়া আপা ২০১৪ সালে বিশ্ব খ্যাত এনজিও ব্র্যাক এর জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের সাথে পার্টনারশিপ করে। তখন থেকে মায়া আপা ৪,৫০,০০০ প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছে এবং ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারীতে অ্যান্ডরয়েড মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করে। ব্র্যাক এবং মায়া আপা সম্প্রতি একটি পার্টনারশিপ স্বাক্ষর করে। ব্র্যাক এখন মায়া আপার মুখ্য পার্টনার এবং সমর্থক।

উন্নয়নশীল দেশে মানুষ যেভাবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পায় এবং জ্ঞান শেয়ার করে আমরা সেই প্রক্রিয়াটি নতুনভাবে উদ্ভাবন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য স্বাস্থ্য, মনো-সামাজিক ও আইনি বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পেতে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক বাধা দূর করে "মায়া আপা" সবার সুস্থতার ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহযোগী হিসেবে কাজ করবে।

উন্নয়নশীল দেশে মানুষ যেভাবে দক্ষ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ পায় "মায়া আপা" সেই প্রক্রিয়াটি নতুনভাবে উদ্ভাবন করছে। মায়া আপা একটি জ্ঞান শেয়ারিং/মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম যা অ্যান্ড্রয়েড, ওয়েব, এবং ফ্রি বাসিকস এর মাধ্যমে পাওয়া যায়।

আমরা এখন দৈনিক দুই হাজার প্রশ্নের উত্তর প্রদান করে আমাদের গ্রাহকেদের সেবা প্রদান করি। ভিন্ন ভিন্ন বিষয় এর প্রশ্নগুলোর মধ্যে রয়েছে জনস্বাস্থ্য, মনো-সামাজিক, আইনি বিষয়। প্রতি মাসে ১০% হারে বৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিনিয়তই আমরা বিশৃঙ্খলার প্রান্তে অবস্থান করছি এবং ক্রমাগত আরও বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।
বাংলাদেশে যেখানে নির্ভরযোগ্য পরামর্শ পাওয়ায় (বিশেষ করে নারীদের জন্য) আজও অনেক বাধা রয়েছে, সেখানে আমাদের সেবাটি ব্যবহারকারী জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ এবং এর ব্যবহার অনেক সহজ। এখানে নারী-পুরুষ উভয়েই বাংলা, ইংরেজি বা বাংলিশে এবং ভয়েস রেকর্ডের মাধ্যমে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন। এরপর প্রশ্নগুলো রিয়েল টাইমে একটি দক্ষ বিশেষজ্ঞের (ডাক্তার, থেরাপিস্ট ইত্যাদি) নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়।



পটভূমি




বর্তমানে যে বুদ্ধিমান প্ল্যাটফর্ম (অ্যান্ড্রয়েড, ওয়েব ও ওয়াপ এ পাওয়া যায়) তা শুরু করার পূর্বে, ২০০৯ সালে আইভি হক রাসেল একটি ব্লগ "মায়া" নামে মায়া আপা শুরু করেন।



“আমার প্রথম সন্তান জন্মের পরপরই ২০০৯ সালে বাংলাদেশের নারীদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সমৃদ্ধ কনটেন্ট তৈরি করতে এবং শেয়ার করতে আমি ব্লগ হিসেবে মায়া শুরু করি। আমি বাংলাদেশের মতো দেশে নারীদের যে তথ্য প্রয়োজন এবং যেভাবে তারা তথ্য পায় এর মাঝে বিস্তর বাবধান লক্ষ্য করি। তখন লক্ষ্য ছিলো শুধুমাত্র নারীদের জন্য, বিশেষ করে মায়েদের জন্য উচ্চ মানের এবং বাংলাদেশের মানুষের জন্য প্রাসঙ্গিক কনটেন্ট প্রস্তুত করা। আমাদের ওয়েবসাইট তখন সাধারণ একটি ওয়েবসাইট ছিলো। পরে আমাদের ওয়েবসাইটের হোম পেইজে আমরা খুবই সাধারণ একটি মন্তব্য বক্সের যোগ করি। এর মাধ্যমে আমরা প্রতিদিন কয়েকটি করে প্রশ্ন পেতে থাকি এবং এক পর্যায়ে এর মাধ্যমে আমরা দিনে ১৫-৩০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে শুরু করি। আমি তখন প্রশ্নগুলো আমার বন্ধু, যাদের প্রাসঙ্গিক দক্ষতা ছিল তাদের কাছে পাঠিয়ে দিলে তারা ঐসব প্রশ্নের উত্তর প্রদান করতো। প্রশ্নের সংখ্যা যেভাবে বাড়তে থাকে, আমরা দ্রুত বুঝতে পারি এটি একটি "অনবদ্য ফিচার" এবং ২০১৪ মায়ার মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে "মায়া আপা" সেবা”

- আইভি হক রাসেল, সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা



আমাদের পার্টনার