সাধারণ জিজ্ঞাসা

মায়া কি?

মায়া বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল প্ল্যাটফর্ম এবং নারী ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে কাজ করে এমন একটি ব্র্যান্ড। মায়ার এপ এবং ওয়েব প্ল্যাটফর্ম দিয়ে মায়া অনলাইন এবং অফলাইন মাধ্যমগুলোতে নারীদের কাছাকাছি পৌঁছাতে কাজ করছে।

 

মায়ার প্রতিষ্ঠাতা কে?

মায়ার প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন আইভী হক রাসেল

আইভি হক রাসেল হচ্ছেন মায়ার প্রতিষ্ঠাতা। ২০১১ সালে প্রথমবার মা হওয়ার পরে আইভি মায়া প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের নারীরা তথ্য এবং পরামর্শ পেতে যে বাধাগুলোর সম্মুখীন হন সেটা আইভি তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই দেখতে পেয়েছেন। এই বাধাগুলো ভৌগোলিক থেকে অর্থনৈতিক, এমনকি সামাজিক, সাংস্কৃতিকও হতে পারে। বাংলাদেশের অগ্রগণ্য এনজিও ব্র্যাকের সাথে অংশীদারিত্বের পর, নারীরা যেন যখন দরকার, যেখান থেকে দরকার, তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, সেই লক্ষ্যে ২০১৫ সালে মায়া আপা সেবা চালু করা হয়। মায়া আপা এমন একটি সেবা যা গোপনীয়তা রক্ষা করে গ্রাহকদের সাথে বিশেষজ্ঞদের সংযোগ ঘটায়। এই সেবা মোবাইল এপ এবং ওয়েবে সহজলভ্য। এটি শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং দ্রুতই অন্যান্য দেশগুলোতে এই সেবা সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আইভি হক রাসেল হচ্ছেন মায়ার প্রতিষ্ঠাতা। প্রথমবার মা হওয়ার সময়কার অভিজ্ঞতা থেকে ২০১১ সালে একটি ব্লগ হিসেবে মায়ার যাত্রা শুরু হয়। তিনি সরাসরি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই দেখেছেন যে বাংলাদেশের নারীদের তথ্য এবং পরামর্শ পাওয়ার ক্ষেত্রে নানান ধরণের বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এই বাধাগুলো ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক থেকে শুরু করে সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক হতে পারে। নারীদের যে কোন সময়, যে কোন জায়গায় তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের অগ্রগণ্য এনজিও ব্র্যাকের সাথে অংশীদারিত্বে ফেব্রুয়ারী ২০১৫ তে নিয়ে আসে মায়া আপা এপ। মায়া আপা এপ একটি অনুভূতিসম্পন্ন এবং গোপনীয়তা বজায় রাখে এমন একটি ম্যাসেজিং সার্ভিস যা এর ব্যবহারকারীদেরকে বিশেষজ্ঞের সাথে সংযুক্ত করে। মায়ার এই সেবা একটি মোবাইল এপ এবং ওয়েবসাইটে সহজলভ্য। একেবারে শুরু থেকেই মায়া আপা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মায়ার সামনের পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশের পাশাপাশি অন্যান্য দেশে মায়ার সেবা নিয়ে আসা।

ইংল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা নিতে যাওয়ার আগে আইভি বাংলাদেশেই বড় হয়েছেন। তিনি ফিন্যান্স এবং ইকোনমিকসে মাস্টার্স করেছেন ওয়ারউইক বিজনেস স্কুল থেকে। এরপর তিনি ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রফেশনাল হিসেবে বেশ কয়েক বছর এইচএসবিসি, জিএএম এবং বার্ক্লেইস এর মত প্রসিদ্ধ ফার্মে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ এবং সানফ্রান্সিস্কোতে তার সময় কাটান। সানফ্রাসিস্কোতে তিনি তার স্বামী, বিকি এবং ২ সন্তান, আমিনা এবং এমিরকে নিয়ে বসবাস করেন।

 

বাংলাদেশে এই সেবা শুরু করার পেছনের অনুপ্রেরণা কি? কেন এই সেবা দেয়ার জন্য বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছেন?

বাংলাদেশের মত দেশে পরামর্শ নিতে যাওয়ার ক্ষেত্রেই অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হয়। এই বাধাগুলো সামাজিক, অর্থনৈতিক থেকে শুরু করে ভৈগোলিক হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে কয়েক মাইল হেটে হাসপাতালে গেলেন। কিন্তু পরামর্শ নিতে তাকে প্রতিবার ১৬০ টাকার মত খরচ করতে হবে যেখানে তার মাসিক আয়ই ১১০০ টাকার মত।

মানসিক অসুস্থতার মতন ব্যাপারগুলো অতিক্রম করা আরো কঠিন। বাংলাদেশে প্রতি ১০লাখ পূর্নবয়স্ক মানুষের জন্য ১ জন সাইকিয়াট্রিস্ট আছেন, যা মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারকে আরো কঠিন করে তুলেছে। আর এই প্রসঙ্গ নিয়ে আলাপ করাটা তো আমাদের সমাজে প্রায় নিষিদ্ধই।

ধাপসমূহ/ গল্প

ঢাকায় প্রেগন্যান্সির সময়ে পরিবার, বন্ধু এবং অন্যান্য জায়গা থেকে কোন নির্ভরযোগ্য, স্থানীয় তথ্য না পাওয়া, এবং ক্রমবর্ধমানভাবে ওয়েবনির্ভর হয়ে পড়া

তার মা ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় আমিনার জন্মের পর প্রচুর সময় তাকে ঢাকায় কাটাতে হয়।নারীরা যাতে তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারেন তাই ব্লগ হিসেবে মায়া শুরু করেন

বন্ধুরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। স্থানীয়ভাবে যে বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ হয় না, যেমন, মাসিক, স্তন্যদান, বিষন্নতা ইত্যাদির মত বিষয় নিয়ে বন্ধুরা আর্টিকেল লিখেন

২০১৪ সালের শুরুতে মায়া আপার ধারণার জন্ম। মায়ার ওয়েবসাইটে ” মায়া আপাকে জিজ্ঞেস করুন” নামক একটি বক্স বসানো হয় যেখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়া হতো। এই ধারণা থেকেই বোঝা যায় যে সাধারণ মানুষের একটি নিরপেক্ষ, কালিমামুক্ত এবং সুগম একটি স্থান দরকার যেখানে তারা নিজেদের প্রয়োজনীয় প্রশ্নগুলো করতে পারবে।

পরিচয় গোপন রেখে মোবাইলে ব্যবহার করা সম্ভব এমন একটি সার্ভিসের কথা ভাবেন- অনেক জায়গায় প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর ২০১৪ সাল থেকে বাংলাদেশের অগ্রগণ্য এনজিও ব্র্যাক এই চিন্তাকে সমর্থন করে আসছে।

 

এর নামকরণ কেন মায়া করা হয়েছে?

আইভীর মায়ের ব্রেস্ট ক্যান্সারের সাথে লড়াই এবং তার নিজের প্রেগনেন্সির অভিজ্ঞতা তাকে মায়া শুরু করার অনুপ্রেরণা দেয়। আর তাই মায়ের নামেই তিনি তার প্রতিষ্ঠানের নাম রাখেন মায়া।

 

মায়ার গ্রাহকরা কারা?

মায়া মূলধারায় যুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে সবার জন্য সহজপ্রাপ্য একটি সেবা

আমাদের লক্ষ্য বর্তমানে বাংলাদেশে আমাদের সেবা বিস্তার করা

আমাদের সেবার বেশিরভাগই নারীকেন্দ্রিক, বিশেষ করে কমবয়সী নারী। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখি যে নারীরাই তথ্য থেকে বেশি বঞ্চিত হন।

 

মায়ার অংশীদার কারা ?

ব্র্যাক

মায়া ব্র্যাক এর জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি বিভাগের সাথে 2014 মাঝামাঝি থেকে অংশীদারীত্বে যোগ দিয়েছে। মায়ার সেবাকে উন্নত করে গড়ে তুলতে আর্থিক সহায়তা দিয়ে ব্র্যাক মায়ার জন্য আদর্শ অংশীদার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। তাছাড়া, উন্নয়ন খাতে ব্র্যাকের দক্ষতার কোন প্রতিদ্বন্দ্বী নেই।

মায়ার সেবা “মায়া আপা কি বলে,” দ্রুত উভয় ঢাকা ও ঢাকার বাইরে বিস্তৃত ব্যবহারকারীদের মধ্যে আস্থা অর্জন করেছে। মায়া টিম বাংলাদেশে অনলাইনের তথ্য বঞ্চিত সম্প্রদায়ের ব্যাপারে অবহিত। এই অফলাইন সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছাতে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ, উদ্বেগ, এবং বিষয় নিয়ে আলাপ করতে এবং সমাজে এড়িয়ে যাওয়া বিষয়গুলো নিয়ে নিরপেক্ষভাবে আলাপ করতে এবং বাংলাদেশের নারীরা সেবা করার জন্য ব্র্যাকের জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি দলের সঙ্গে মায়া অংশীদারিত্বে যায়।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন, গ্রামীণ ও নগর উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, এবং উন্নয়ন ক্ষেত্রে ব্র্যাকের ব্যাপক প্রসার। সঙ্গে সঙ্গে মায়া এই অনন্য অংশীদারিত্ব থেকে ব্র্যাক কর্মীদের থেকে এইসব ক্ষেত্রের তথ্য পেতে, লিঙ্গ বৈষম্যর মত দূরত্ব দূর করার করার লক্ষ্যে কাজ করে। ব্র্যাকের সহায়তায় মায়া সাইট বাংলাদেশের মহিলাদের জন্য নির্ভর করার মত একটিই অনলাইন স্থান হয়ে যাবে। গর্ভাবস্থা থেকে লিঙ্গ-ভিত্তিক সহিংসতা, সন্তানের দেখাশোনা, ক্যারিয়ার, সুস্থতা, নারী অধিকার এর মত বিষয় নিয়ে ব্র্যাক-মায়া সাইট আলোচনা করে।

আরো, ব্র্যাকের সহায়তায় মায়া তার সবচেয়ে বড় শক্তি- নিরপেক্ষ দৃষ্টিভিঙির মাধ্যমে শেখা- বাড়াতে কাজ করবে। সহিংসতা ও নির্যাতন বিষয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগ করা থেকে নারী ও তরুণ মেয়েশিশুদের জন্য প্রধান বাধা হল সামাজিক কলঙ্ক। নামহীন এবং গোপনীয়তা বজায় রাখে এমন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নারীরা খুব সহজেই তাদের বিষয়গুলো উদ্বেগহীনভাবে প্রকাশ করছে বলে দেখা যায়। ব্র্যাকের ই-লার্নিং সেন্টার, তার বিশাল কমিউনিটি কর্মী সম্প্রদায় এবং মায়ার ওয়েবসাইট ও এর প্রযুক্তির মিলিত চেষ্টা একটি সত্যিকারের ডিজিটাল সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। ব্র্যাক-মায়া অংশীদারিত্ব পরিকল্পনার সাথেই বাস্তবতা বিচার করে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এবং সাশ্রয়ী প্রযুক্তির সুযোগ এনে বাংলাদেশে নারীদের জন্য সমতা আনার লক্ষ্যে কাজ করে।

ডেইলি স্টার কভারেজ পড়ুন এখানে 

ফেসবুক এর ফ্রি উদ্যোগ – Internet.org

 

ফ্রি বেসিকস কি? এটার কাজ কি?

ফেইসবুক যেসব স্থানে ইন্টারনেট সহজলভয় নয় সেসব স্থানে তাদের মোবাইল ফোনের দরকারী পরিষেবাগুলি ফ্রিতে ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে। সংবাদ, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্থানীয় তথ্য ভালো ভালো তথ্য অন্তর্ভুক্ত ওয়েবসাইটগুলো এই ফ্রি বেসিকস উদ্যোগের মাধ্যমে কোন ডাটা ছাড়াই ব্যবহারযোগ্য।

 

কেন আপনি ফ্রি বেসিকস এর সাথে অংশীদারিত্বে যোগদান করতে চেয়েছিলেন?

আমরা দেখেছি আমাদের স্মার্টফোনের এবং ডেস্কটপ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বাইরেও একটি বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে আমরা পৌঁছে যেতে পারি। এই বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর মধ্যে আমাদের গ্রাহক গড়ে তুলতে সাহায্য করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমে হিসেবে কাজ করে ফেইসবুকের ফ্রি বেসিকস।

 

ফ্রি বেসিকস এর মাধ্যমে কিভাবে আপনি মায়ার বৃদ্ধি এবং মায়ার পরিবর্তন ব্যবহারের দেখছেন?

ফ্রিবেসিকস এর জন্য মায়া একটি খুব সহজ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এই অভিজ্ঞতার কেন্দ্রে আছে মায়া আপা সেবা এবং কিছু দৈনিক প্রাসঙ্গিক কন্টেন্ট।

আমাদের সেবার প্রায় ৫০% ব্যবহার হয় ফ্রিবেসিকস এর মাধ্যমে। তাই এটি আমাদের জন্য একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল। আমাদের ব্যবহারকারীদের সাথে আরো সংযোগ বাড়াতে এবং এই ক্ষেত্রে আমাদের ভিত্তি আরো প্রসার করতে আমরা এই প্ল্যাটফর্মে আরও বিনিয়োগ করতে ইচ্ছুক।

যখন এটা বাংলাদেশে (গ্রীষ্ম 2015) চালু হয়, এটা সত্যিই মায়া আপা সেবাকে অনেক এগিয়ে নিয়ে যায়। কয়েক মাসের মধ্যে মায়া আপা ব্যবহার ১৮ গুণ বেড়ে যায়।

এখন, আমাদের মোট ইউজার বেস এর প্রায় ৫০% ফ্রি বেসিকস এর। আবার, মায়া আপা সেবার ৩৫% ই ফ্রি বেসিকস থেকে আসে।

কেন ফ্রি বেসিকস গুরুত্বপূর্ণ? কেন এটা বাংলাদেশী সমাজের জন্য ভাল? কেন এটা আপনার ব্যবহারকারীদের জন্য ভাল?

বাংলাদেশে ডাটা খরচ এখনও অনেক বেশি। ডাটা ব্যবহারে গিগাবাইট প্রতি ২৫০ টাকার মত খরচ পড়ে। তাই ফ্রিতে সহায়ক বিষয়বস্তুর সঙ্গে ওয়েব ব্যবহারের সুযোগ একটি প্রশংসনীয় ব্যাপার বলে আমরা মনে করি।

এটি আমাদের মত সেবাকে প্রসারিত ও উন্নত করার সুযোগ দিয়েছে। ফলে এর নিজস্ব উপায়ে এটি সমাজকে উপকৃত করে।

 

কিভাবে ফ্রি বেসিকস আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে আপনার প্রতিষ্ঠানকে সাহায্য করে?

আমাদের ব্যবহারকারী বাড়ানো, ফিচার ফোন ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানো এবং তথ্য পরিকল্পনার মত বাধা অতিক্রম করার মাধ্যমে।

আমাদের সেবা নিখুঁত করার সরঞ্জামসমূহ

মায়া যখন ছিলোনা তখন কিভাবে একজন তরুণ কিংবা তরুণী তাদের প্রশ্নের উত্তর পেতে পারতো ?

এখন উদাহরণস্বরূপ, যখন একজন কমবয়সী মা বুকের দুধ খাওয়ানো মত একটি বিষয়ে পরামর্শ খুজেঁন (আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে – প্রায়ই অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং প্রক্রিয়া ), তারা গুগল (এবং Babycentre এর মত সাইট), সামাজিক মিডিয়াতে খুঁজতে পারেন, তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু কিংবা পরিবার বা একজন বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে পারেন।

গুগুল / ওয়েবসাইট / ব্লগ চমৎকার ব্যবহারযোগ্য তথ্য প্রদান করে, কিন্তু এই তথ্য ব্যক্তিভেদে ব্যবহারযোগ্য হয় না।

সোশ্যাল মিডিয়াতে গোপনীয়তা রক্ষা হয় না এবং ব্যক্তিভেদে ভিন্ন মতাবলী প্রাধান্য পায় না

এবং একইভাবে, বন্ধু এবং পরিবারের ক্ষেত্রে এই ব্যাপারগুলো আলাপযোগ্য নাও হতে পারে (উদাঃ সবাই তাদের পরিবারের সঙ্গে তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার নিয়ে আলাপ করতে স্বস্তিবোধ করেন না) এবং এসব ক্ষেত্রে প্রায়ই খারাপ পরামর্শ দিতে পারেনা, যা বাংলাদেশে খুবই স্বাভাবিক।

একজন ব্যবহারকারী মায়াতে কি করতে পারেন যা তারা অন্যত্র করতে সক্ষম নাও হতে পারেন?

বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশে সবসময় সাহায্য ও পরামর্শ চাওয়া সহজ নয়

তাছাড়া, যখন সাহায্য প্রস্তুত থাকে, সেখানেও অনেক বাধা থাকে। আমি এই অঞ্চলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অধীনে সহজ মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন এর মাধ্যেম এই বাধা অতিক্রম করার সুযোগ দেখেছি।

একটি একমুখী কথোপকথন না হয়ে এটি একটি আলাপ হওয়া প্রয়োজন

কেবলমাত্র SMS পাঠানো এই সমস্যার সমাধান নয়।এমনকি গুগল তথ্যের একটি বিশাল উৎসও ব্যক্তিভেদে ভিন্ন তথ্য প্রদান করতে সমর্থ হয় না। মায়া ব্যবহারকারীগণ থেকে আমরা এটা বুঝতে পারি যে গ্রাহকরা চান তাদের নিজস্ব প্রশ্নগুলো আমরা ব্যক্তিভেদে পৃথক এবং নিজস্ব, স্থানীয় তথ্য দেই।

কেন মায়া এত ভাল কাজ করে – কারণ মায়া বিশ্বাস করে ফলপ্রসুতা ধারণক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ

গ্রাহকদের চাহিদা পূরণের সাথে সাথে দক্ষতা বজায় রাখতে, চাকরিতে নিয়োগের প্রচলিত মডেল (উদাঃ ক্লিনিকগুলোতে মত, কল সেন্টার) কাজ করবে না। চাহিদা ও সরবরাহের মডেল, পণ্য মত, দক্ষতার সঙ্গে এই সেবা বৃদ্ধি করার উপায় কি হতে পারে মায়াতে আমরা সেই বিষয়ের এ উপর মনোযোগ দেই। রেটিং সিস্টেম ও গ্রাহকদের থেকে ফিডব্যাক পাওয়ার ব্যবস্থা এই সেবাকে আরো উন্নত করে তুলতে পারে।

মায়ার নলেজ পার্টনার যারা

মায়া স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে নলেজ পার্টনারশিপ রয়েছে। মায়ার নলেজ পার্টনারদের যারা:

আইসিটি ডিভিশন

সাজিদা ফাউন্ডেশন

জেপিজি স্কুল অফ পাবলিক হেল্থ, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি

ইউনিভার্সিটি অফ আমস্টার্ডাম

 

মায়ার অন্তরালে কারা আছেন?

মায়ার অন্তরালে আছেন নিবেদিতপ্রাণ একদল মানুষ যারা আপনার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। মায়ার চিকিৎসকেরা গাইনোকোলোজি, মেডিসিন, পেডিয়াট্রিক্স এবং অন্যান্য বিষয়ে পারদর্শী। মায়ার আইনজীবীরা নারী অধিকার, পারিবারিক নির্যাতন, শিশু অধিকার, সাইবার ক্রাইম, এবং পারিবারিক আইনে পারদর্শী। মায়ার কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্টরা বিভিন্ন সাইকো সোশ্যাল বিষয় যেমন নিজস্ব ভাবমূর্তি, সম্পর্ক, বিষন্নতা, আত্মহত্যার প্রবণতা এবং আসক্তির মোট বিষয় নিয়ে কাউন্সেলিং দিয়ে থাকেন।

 

আমি মায়াতে কিভাবে আবেদন করতে পারি?

মায়াতে আবেদন করতে আপনি নিজের সিভি ও কভার লেটারসহ ইমেইলে বিষয় লিখে জবস@মায়া ডট কম ডট বিডি তে আবেদন করুন

আপনি একজন ডাক্তার, উকিল বা কাউন্সেলর হন, এবং আপনি মায়া যোগ দিতে চান, তাহলে এই ফর্ম পূরণ করে জমা দিতে ক্লিক করুন। আমরা খুব শীঘ্রই আপনাকে জানাবো।

আমাদের কাজ সম্পর্কে আরো জানতে আমাদের ওয়েবসাইট এর ক্যারিয়ার বিভাগে যান।

 

মায়ার সাথে আমরা কিভাবে পার্টনারশিপ করতে পারি?

মায়া সবসময়ই বিভিন্ন ধরণের প্রতিষ্ঠানের সাথে সঠিক বোঝাপড়ার এবং সক্রিয় পার্টনারশিপে যেতে আগ্রহী, মায়ার সাথে পার্টনারশিপে যেতে ইমেইল করুন, ইনফো@মায়া ডট কম ডট বিডি

আমি কি মায়াতে ফোনে যোগাযোগ করতে পারবো?

মায়া ফোনে কোন সেবা দিয়ে থাকে না. কিন্তু আমাদের সাথে এই ইমেইল এড্রেসে info@maya.com.bd ইমেইল করে এবং ফেইসবুকের মাধ্যমে যোগাযোগ করা সম্ভব.