প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


পাইলসের লক্ষণঃ
পাইলসকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় হেমরোয়েডস বলা হয়। মলদ্বারের নিচের অংশে এক ধরনের রক্তের গুচ্ছ- যেটা আঙ্গুরের মতো ফুলে যায়, ফলে মল ত্যাগ করার সময় প্রেশার পরলে বা মল ত্যাগ না করলেও সেখান থেকে প্রায়ই রক্তপাত হয়। এটিই হচ্ছে পাইলস। তবে মলদ্বার দিয়ে রক্ত অনেক কারণে যেতে পারে। কিন্তু মলদ্বার দিয়ে রক্ত এলেই রোগী যেন মনে না করেন যে তার পাইলস হয়েছে। একজন কোলোরেক্টাল সার্জন দিয়ে পরীক্ষা করেই তার নিশ্চিত হওয়া উচিত বিপদ থেকে বাঁচার জন্য। আমরা পাইলসকে চারটি ভাগে ভাগ করি। পর্যায়-এক, দুই, তিন থেকে পর্যায়-চার পর্যন্ত লক্ষণের ভিত্তিতে ভাগ করে থাকি। পর্যায়-এক পাইলসে শুধু পায়খানার পরপর টাটকা রক্ত যায় । এখানে সাধারণত ব্যথা হয় না। । পর্যায়- দুই পাইলসে টাটকা রক্ত যাবে এবং পাইলসটা গোটার মতো বের হয়ে আসবে। মলত্যাগের পর এটা চলে যাবে। পর্যায়-তিন এ রক্তগুচ্ছ বাইরে বের হবে এবং হাত দিয়ে সেটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে হবে। পর্যায়-চার এ বাইরে একটি টিউমার বা মাংস পিণ্ড জাতীয় জিনিস সবসময় বের হয়ে থাকবে। ব্যথা হবে, এমনকি গ্যাংগ্রিন বা অন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে।
পাইলসের চিকিৎসাঃ
পাইলসের চিকিৎসা এর পর্যায় নির্ধারণ করে তারপর করা হয় । পাইলসের বেশিরভাগ, ৮০ থেকে ৯০ ভাগ চিকিৎসা এখন অস্ত্রোপচার লাগে না। বিভিন্ন ধরনের প্রক্রিয়া যেমন লেসার থেরাপি ও অন্যান্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রক্তগুচ্ছটিকে নষ্ট করে দেয়া হয় । তাই ভয় না পেয়ে সমস্যা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত একজন কোলোরেক্টাল সার্জনের সাথে যোগাযোগ করা উচিত।
পাইলস হলে যা যা খাবেনঃ
সাধারণত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের এটি বেশি দেখা যায়। এ ছাড়া সাধারণ কারণও হতে পারে। বাচ্চাদের অনেক সময় হয়, গর্ভাবস্থায় এটা বেশি হয়। আবার অনেকে যথাসময়ে মল ত্যাগ করেন না, আটকে রাখেন- এসব কারণেও হয়। যাদের স্বাভাবিক মলত্যাগ হয়, তাদের ক্ষেত্রে এটি হওয়ার আশঙ্কা কম।আমাদের সবুজ শাকসবজি বেশি করে খাওয়া উচিত। আঁশজাতীয় খাবার বেশি খাওয়া উচিত। বেশি বেশি পানি খেতে হবে। মলত্যাগের অভ্যাস যেন প্রতিদিন থাকে। কোনো ধরনের অনিয়ম দেখা দিলে/ মলের সাথে রক্ত দেখা যায় বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে সাথে সাথে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। তাহলে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগটিকে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।



প্রশ্ন করুন আপনিও