প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া ফার্মেসী



প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। 

গ্রাহক, আপনাকে শুভেচ্ছা , আপনার  এবং হবু সন্তানের সুন্দর স্বাস্থ্য কামনা করছি। গ্রাহক, এই সময়ে মায়ের অনেক পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে আবার কিছু খাবার এড়িয়ে যেতে হবে তার অনাগত সন্তানের সুসাস্হ্যের কথা চিন্তা করে। আর এমনই কিছু খাবারে তালিকা দেওয়া হল যা গর্ভবতী মহিলাদের এড়িযে যেতে হবে সতর্কতার সাথে।

 

  # কাঁচা ডিম : ডিম প্রোটিনের প্রধান উৎস। গর্ভবতী মহিলাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় একটি ডিম রাখা বাধ্যতামূলক। কিন্তু কাঁচা ডিম খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কাঁচা ডিমে আছে সালমোনেলা নামক একটি ব্যাকটেরিয়ার যা জ্বর,বমি বমি ভাব,ডায়রিয়া্র মত রোগের কারণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় ডিম অবশ্যই ভেজে, সম্পূর্ণ সিদ্ধ বা রান্না করে খাবেন।  যাতে ব্যাকটেরিয়ার ধবংস হয়ে যায়।

 

 # পনির : নরম পনির, যা অপ্রাস্তুরিত দুধ দিয়ে তৈরি তা খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। অপ্রাস্তুরিত দুধে লিসটারিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার, যা মা এবং শিশু এর স্বাস্থ্য এর জন্য ক্ষতিকারক। 

 

# কাঁচা বা আধা সিদ্ধ মাংস: কাঁচা বা আধা সিদ্ধ মাংস খাওয়া যাবে না।কাঁচা মাংসের মধ্যে থাকে স্যালমোনেলা, কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়া এবং টক্সোপ্লাজমোসিস যা গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। গর্ভাবস্থায় খাবার নির্বাচনে টাটকা রান্না করা মাংসকে প্রাধান্য দিন। মাংস পুনরায় গরম করলে তাতে লিস্টেরিয়া সংক্রমিত হতে পারে যা গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।

 

এমন কি প্যাকট জাত মাংসের খাবার যেমন সসেজ,সালামি,পেপারনি ইত্যাদি খাওয়ে থেকে বিরত থাকত হবে। ১৪৫ ডিগ্রী তাপমাত্রায় মাছ, মাংস রান্না করতে হবে। 

 

 # অপ্রাস্তুরিত ফলের রস :- ফ্রেস জুস বা অপ্রাস্তুরিত ফলের রসে ই কোলাই, সালমোনেলা নামক কিছু ব্যাকটেরিয়ার থাকে যা গর্ভবতী নারীদের স্বাস্থ্য এর জন্য ক্ষতিকারক ।

 

 # কফি : কফি ক্লান্তি দূর করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর। এই কফি খাওয়া কমিয়ে দিতে হবে গর্ভকালীন সময়ে। কফিতে থাকে ক্যাফিন নামক উপাদান থাকে,যা অতিরিক্ত পান করার ফলে মিসক্যারেজের মত ঘটানা ও ঘটতে পারে। প্রতিদিন ২০০ মিঃগ্রা এর চেয়ে কম ক্যাফিন খাও্য়া যেতে পারে। এক কাপ কফিতে থাকে ৯৫ মিঃগ্রা ক্যাফিন আর এক কাপ চায়ে থাকে ৪৭ মিঃগ্রা ক্যাফিন.

 

 # এলকোহল সমৃদ্ধ খাবার : এটি আপনার আনাগত সন্তানের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন ব্রেইন,নার্ভ ইত্যাদি তৈরিতে বাধাঁ সৃষ্টি করে। শুধু এলকোহল নয় যে সকল খাবারে এলকোহল থাকে তা খাওয়া থেকে ও বিরত থাকতে হবে।

 

# অপ্রাস্তুরিত বা কাঁচা দুধ : অপ্রাস্তুরিত বা কাঁচা দুধ অথবা কাঁচা দুধের তৈরি খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। দুধ ভালভাবে ফুঁটিয়ে তারপর তা পান করতে হবে। 

 

# কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে : পেঁপে পেঁপে পাকা হলে কোন সমস্যা নেই তবে কাঁচা বা আধা-পাকা পেঁপের মধ্যে    ল্যাকট্রিক্স নামক একটি উপাদান আছে ইউটেরিন কন্ট্র্যাকশন ঘটায়,যার কারনে গর্ভপাতের মত ঘটনা ঘটাতে পারে।সেজন্যই গর্ভাবস্থায় খাবার নির্ধারণে কাঁচা বা আধা পাকা পেঁপে এড়িয়ে চলুন।  

 

# আঙ্গুর : আঙ্গুর যাদের প্রিয় তাদের জন্য বলছি গর্ভকালীন অবস্থায় আঙ্গুর খাওয়া থেকে দূরে থাকুন। আঙ্গুর আপনার স্টোমাককে গরম করে ডারিয়ার মত রোগ হতে পারে। তাই প্রিয় ফলকে ৯ মাসের জন্য দূরে রাখুন।

 

# আনারস : আনারসে রয়েছে উচ্চমানের ব্রোমেলিন,যা জরায়ুকে নমনীয় করে ফলে যথাসময়ের আগেই প্রসবযন্ত্রনা দেখা দিতে পারে ।বিশেষত এই সমস্যা এড়াতে  গর্ভধারনের প্রথম তিনমাস আনারস খাওয়া যাবেনা ।

 

আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

 

 

 



সমস্যা নিয়ে বসে থাকবেন না !

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রি বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেতে

প্রশ্ন করুন এখনই


প্রশ্ন করুন আপনিও