প্রিয় গ্রাহক আপনাকে প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকা কি?শারীরিক দুর্বলতার কিছু কারন থাকে যেমন- শরীরে প্রয়োজনিয় পুষ্টির পরিমান কমে গেলে। চিন্তা বা ভয় থেকে শারিরিক দুর্বলতা হয়, সঠিক খাদ্য গ্রহন না করলেও শারীরিক দুর্বলতা হতে পারে। প্রসাব ,পায়খানা চেপে রাখলেও হতে পারে। এটা দূর করার উপায়গুল- টমেটোর স্যুপ পান করা। এতে ক্ষুধা বেড়ে যায়। খাদ্য গ্রহণের ইচ্ছা জাগে। তাছাড়াও টমেটোর স্যুপ পান করলে শরীরে রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। এভাবে দুর্বলতা কেটে যায়।কফি পান করলে মানসিক চিন্তা দূর হয় এবং শরীরের সতেজতা চলে আসে। খাবার গ্রহণের পর কফি পান করলে পেট হালকা অনুভূত হয়। এটি পানে পেটের ছোট-খাটো সমস্যা থাকলে তা দূর হয়। গাভী অথবা ছাগলের দুধ পান করলে শরীরে শক্তি হয়। মাংসপেশীর দুর্বলতা কাটাতে সামান্য লবণে ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে শরীরে মালিশ করুন। পেশী দুর্বলতা নিমিষেই শেষ হবে।খেজুর শক্তিবর্ধক। খেজুরের সাথে মাখন মিশিয়ে খেলে প্রচুর শক্তি পাবেন।  নতুন রক্তকোষ তৈরির জন্য প্রত্যহ খেজুর খাবেন। ভাল মানের খাবার খেলে শক্তি বাড়ে। শরীরে ভিটামিন ও মিনারেল বা খনিজের ঘাটতি রোধকল্পে বাঙ্গীর সালাত খান। গাজরের হালুয়া শক্তিবর্ধক। দুর্বলও অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতিদিন গাজর খাওয়া উচিৎ। দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখতে গাজরের উপকারীতা সবারই জানা আছে। প্রতিদিন সবুজ মেথী সেবন করলে দুর্বলতা দূর হয়। স্ত্রীলোকের গর্ভপাত, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। এ সময় মেথী সেবন করলে দুর্বলতা দূর হয়। প্রত্যহ সকালে দুধের সাথে একটি কলা খেলে শক্তি বাড়ে। আনার রক্ত পরিষ্কারক করে। নারিকেল খেলে শরীর মোটা হয়। এটি শক্তিবর্ধকও। চুল ঘন ও মজবুত করতে নারিকেল খাবেন। দিনে কমপক্ষে ৩০-৫০ গ্রাম নারিকেল খাওয়া উচিত। প্রতিদিন ঘি খেলে ওজন বাড়ে। ওজন বাড়াতে ঘি ও চিনি একসাথে মিশিয়ে খাবেন। আখ খেলে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। পেটের তাপ দূর হয়। শরীরে শক্তি আসে।জয়ফল ও জয়ত্রী ১০ গ্রাম করে একত্রে নিয়ে তাতে ৫০ গ্রাম অশ্বগন্ধা মিশিয়ে প্রতিদিন দুইবার এক চামচ দুধের সাথে মিশিয়ে সেবন করলে রক্ত বৃদ্ধি পায়। কাজু বাদাম ও দুধের লেপ পায়ের দুর্বলতা কাটিয়ে তোলে। এই লেপ দিনে ২-৩ বার লাগাতে হয়। কিশমিশ শক্তিবর্ধক। দিনে দুইবার কিশমিশ খাবেন। ভিটামিনে পরিপূর্ণ পুদিনা পাতা শরীর সুস্থ ও সবল রাখে। দুধ, চিনি এবং লজ্জ্বাবতী এই তিনটি একত্রে গরম করে কিছুটা ঠাণ্ডা করে পান করলে দুর্বলতা কেটে যায়। রাতে নিদৃস্ট সময় ৬-৭ ঘন্টা ঘুমান। সকালে কিছুটা ব্যায়াম করুন প্রতিদিন।ক্যালসিয়াম জাতীয় ওষধ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত। স্বল্পমূল্যে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন পেতে মায়া অ্যাপ থেকে প্রেসক্রিপশন প্যাকেজ নিন বিশেষ ছাড়ে code doc6  অ্যাপ্লাই করে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি৷। রয়েছে পাশে সবসময় মায়া                  

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও