প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, আপনাকে শুভেচ্ছা আপনি মা হতে চলেছেন, আপনার এবং আপনার হবু সন্তানের সুন্দর স্বাস্থ্য কামনা করছি। গ্রাহক, আপনার বয়স কত? আপনার যোনিতে ও নাভিতে কিছু উঠেছে? কোন গোটা বা র‍্যাশ? আপনার কি সাদাস্রাব যায় ? আপনার কি এলার্জির সমস্যা আছে ? আমাদের জানান। গ্রাহক, শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় একজন মায়ের ও শিশুর শরীর স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। একজন গর্ভবতী যদি গর্ভবতী যদি ভালোভাবে ঘুমোতে না পারেন তবে এটি তাঁর ভবিষ্যৎ মাতৃত্বের জন্য নিজেকে তৈরীর ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাঁড়াবে। তাই, গর্ভাবস্থায় মায়ের ভাল ঘুমানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ (১) ব্যয়াম করন প্রতিদিনঃ বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, প্রতিদিন ৩০ মিনিট হালকা সাধারন ব্যায়াম সঠিক সময়ে ঘুমাতে সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখা উচিৎ, গর্ভবতী মায়েরা যাতে কোন ধরনের ভারী ব্যায়াম না করেন। (২) রাতের রুটিনঃ রাতের খাবার শেষ করার পর কিছু কাজের জন্য আলাদাভাবে রুটিন তৈরী করুন। নিজেকে আনন্দিত ও ব্যস্ত রাখতে পছন্দ অনু্যায়ী লেখালেখি, গান কিংবা সৃজনশীল কাজে সময় দিন। এটি আপনার ঘুম আনতে অবশ্যই সহায়তা করবে। (৩) টিভি/ কম্পিউটার থেকে বিরতিঃ ঘুমাতে যাবার অন্তত এক ঘন্টা আগে আপনার টিভি, কম্পিউটার সুইচ অফ করুন। এসব ডিভাইস থেকে একটুখানি বিরতির পর ঘুমোতে যান। (৪) বালিশের ব্যবহারঃ ঘুমানোর ক্ষেত্রে মায়ের আরাম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন! তাই, আপনার যত খুশি বালিশ ব্যবহার করুন। পায়ের নিচে, পিঠে বালিশ আপনার গর্ভকালীন ব্যথা থেকে দিতে পারে কিছুটা স্বস্তি ও আরামের ঘুম। (৫) পাশ ফিরে শোয়াঃ বাম দিকে কাত হয়ে শোয়া মা এবং শিশু দুজনের জন্যই অত্যন্ত সহায়ক। তবে সারা রাত একপাশ হয়ে থাকাটাও উচিৎ নয়। তাই মায়ের স্বাচ্ছন্দ্য ও শিশুর অবস্থান ঠিক রেখে সাবধানে শোয়াই বাঞ্ছনীয়। (৬) ঠান্ডা পরিবেশঃ ঘুমোনোর সময় আপনার শোবার ঘর ঠান্ডা রাখতে চেষ্টা করুন। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা যায় যে, শোবার ঘরের তাপমাত্রা ১৬ থেকে ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস হলে তা ভালো ঘুমের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। (৭) ঘুমের আগে হালকা খাবারঃ ঘুমোতে যাবার আগে স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর হালকা কিছু নাস্তা খাবার চেষ্টা করুন। (৮) সন্ধ্যা ৭ টার পর আর তরল খাবার নয়ঃ সারাদিন প্রচুর পরিমানে পানি ও তরল খাবার গর্ভবতী মায়েদের শরীর ঠিক রাখতে সহায়তা করে। তবে সন্ধ্যা সাতটার পর এর মাত্রা কমিয়ে দেওয়াই বাঞ্ছনীয়। এতে মায়ের রাতের বেলা বাথরুমে যাবার প্রয়োজন কম হবে আর তাকে নির্বিঘ্ন ঘুমে সহায়তা করবে। (৯) সঠিক সময়ে সঠিক খাবারঃ পুরো গর্ভাবস্থা চলাকালীন মায়ের খাবারে দিকে খেয়াল রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সারাদিনে অল্প অল্প করে স্বাস্থ্যকর খাবার মা’কে রাতে গ্যাস্ট্রিকজনিত ব্যথায় রাত জাগা থেকে মুক্তি দেবে। (১০) কথা বলুনঃ গর্ভাবস্থায় অনেক কিছুই একজন মায়ের মনে আসতে পারে। এ নিয়ে দুশ্চিন্তা তাঁর রাতের ঘুম নষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ। তাই নিজের ভাবনা-চিন্তা সব আপনার সঙ্গী কিংবা মা-বাবা কিংবা বন্ধুর সাথে শেয়ার করুন। এতে আপনার দুশ্চিন্তা কমবে, ঘুমও ভালো হবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও