প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া শপ

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চোখের জন্য কিছু উপকারী খাবারঃ গাজর: গাজর চোখের জ্যোতি বাড়ায় এবং ছানি পড়া থেকে রক্ষা করে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের গাজর খাওয়ার অভ্যাস করা প্রয়োজন। শাক-সবজি: নিজেকে সবুজ বা তরুণ রাখার মূলমন্ত্র হলো সবুজ শাক-সবজি খাওয়া। কারণ শাকে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আর লুটিন। যা কোনো নীল আলো বা লাইটকে চোখের রেটিনার ওপর প্রভাব ফেলা থেকে বিরত রাখে। টমেটো: রসালো টমেটোতে রয়েছে লাইকোপিনা; যা অতিরিক্ত আলোতে কাজ করার সময় আপনার চোখকে সুরক্ষা দেবে। এছাড়া এতে রয়েছে আঁশ, খনিজ ও ক্যারোটিন। মুরগির মাংস: মুরগির মাংসে রয়েছে প্রচুর জিঙ্ক এবং ভিটামিন ‘বি’; যা চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। মুরগির মাংস নানাভাবে খাওয়া যেতে পারে। এমন কি ছোটরাও  এই মাংস খেতে পারে ফ্রাই করে। কমলালেবু: কমলালেবুতে থাকা রাসায়নিক লুটিন এবং ভিটামিন ‘সি’, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। ভিটামিন ‘সি’ চোখের দৃষ্টি স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। যা দামেও সস্তা। ডিমের কুসুম: ডিমের কুসুমের গুণের কথা কম-বেশি সকলেই আমরা জানি৷ এতে রয়েছে লুটিন এবং যথেষ্ট পরিমাণে জিংক, যা চোখকে ‘মাসকুলার ডিজেনারেশন’ সমস্যা থেকে বাঁচায়৷ এ সমস্যা সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে দেখা দেয়৷ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: মাছে রয়েছে প্রচুর ওমেগা৩ এবং ফ্যাটি অ্যাসিড। তাই দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে খেতে পারেন স্যামন, সার্ডিন, ম্যাকরেল, কড ও টুনা মাছ। তাই মাছ, মাংস, দুধ ইত্যাদি খাওয়া শিখতে হবে একেবারে ছোটবেলা থেকেই৷ ফল ও সবজি: হলুদ, সবুজ, কমলা রঙের, অর্থাৎ গাজর, কমলা, পেঁপে, ক্যাপসিকাম, ভুট্টা ইত্যাদি বিভিন্ন রঙের ফলমূল ও শাক-সবজি, যেগুলোয় ভিটামিন ‘এ’ আছে, এমন খাবার প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় থাকা উচিত৷ নিয়মিত এই কাজটি করলে চোখের স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া হবে। বাঁধাকপি: বাঁধাকপিতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ যা চোখের জন্য ভালো। বাঁধাকপি দামে সস্তা এবং সব জায়গায় পাওয়া যায় তাছাড়া সহজে নষ্ট হয় না। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।


প্রশ্ন করুন আপনিও