আমি পুরুষ, বয়স 23 বছর। কম্পিউটার সায়েন্স এ বি এস সি করতাছি, সপ্তাহে ২ দিন ক্লাস। বাকি দিন বাসায় বসে থাকি। কোনো কিছুই ভালো লাগে না। সারাক্ষন মন খারাপ থাকে। চাকরি করতে মন চায়, কিন্তু চাকরি নেবার পর মনে হয় এই চাকরি আমার জন্য না, নিজেকে ব্যার্থ মনে হয় যার কারণে চাকরি ছেড়ে দেই। এভাবে কয়েকটি চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। রুমে বসে থেকেও ভালো লাগে না। আশেপাশে কোনো বন্ধুবান্ধব নেই যার সাথে কথা বলব। সবাই জব করে। মাথার ক্যারিয়ার নিয়ে টেনশন আমাকে গ্রাস করে ফেলছে। মাঝে মাঝে মনে হয় কোথাও থেকে একটি পিস্তল সংগ্রহ নিজের মাথায় গুলি করে দেই। আমি সবসময় হাসিখুশী  থাকতে চাই, কিন্তু আমার সবসময় মন খারাপ থাকে। আমি কি করতে পারি?

প্রিয় গ্রাহক, আপনার ব্যক্তিগত বিষয়টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি বলেছেন যে, আপনার বয়স 23 বছর। কম্পিউটার সায়েন্স এ বি এস সি করছেন। সপ্তাহে ২ দিন আপনার ক্লাস থাকে। বাকি দিন বাসায় থাকেন। আপনার কোনো কিছুই ভালো লাগে না। সারাক্ষণ মন খারাপ থাকে। চাকরি করতে ইচ্ছা হয় আপনার, কিন্তু চাকরি নেবার পর মনে হয় যে এই চাকরি আপনার জন্য না, নিজেকে আপনার ব্যর্থ মনে হয় যার কারণে চাকরি ছেড়ে দেন। এভাবে কয়েকটি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন। রুমে বসে থেকেও ভালো লাগে না। আশেপাশে কোনো বন্ধুবান্ধব নেই যার সাথে কথা বলবেন। সবাই জব করে। ক্যারিয়ার নিয়ে আপনার বেশ টেনশন হয়। মাঝে মাঝে আপনার মনে হয় কোথাও থেকে একটি পিস্তল সংগ্রহ নিজের মাথায় গুলি করে দিতে। আপনি সবসময় হাসিখুশী  থাকতে চাব, কিন্তু আপনার সবসময় মন খারাপ থাকে। গ্রাহক, আপনার বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করছি। আপমাকে কি কয়পকটি প্রশ্ন জিঙ্গেস করতে পারি? নিজেকে আপনার ব্যর্থ মনে করার কারণ কি? কোন কিছু ভালো না থাকা, সারাক্ষণ মন খারাপ থাকার পেছনে বিশেষ কোন কারণ রয়েছে কি? আগেও কি এমন হত?আপনি এখনো পড়াশোনা করছেন এবং কম্পিউটার সায়েন্স বিষয়ক প্রচুর চাকরী বা কাজের সুযোগ রয়েছে বর্তমানে। বাসায় বসে প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন আউটসোর্সিং করার সুযোগও রয়েছে যা আপনার পড়াশোনার সাথে রিলেটেড, তাই না? এক্ষেত্রে ক্যারিয়ার নিয়ে আপনার টেনশন করার বিশেষ কোন কারণ রয়েছে কি?গ্রাহক, আপনি ভেবে দেখতে পারেন যে, আমাদের নেতিবাচক চিন্তাগুলি কিন্তু আমাদেরকে আরও পেছনে ধরে রাখ, নেতিবাচক চিন্তাগুলি থেকে অধিকাংশ সময় আমাদের কোন লাভ হয় কি?আপনি আপনার নেতিবাচক চিন্তাগুলিকে পাল্টা প্রশ্ন করতে পারেন। যেসকল ইতিবাচক কাজ করতে আপনার ভালো লাগে যেমন গান শোনা, বই পড়া, মুভি দেখা, কোথাও ঘুরতে যাওয়া এইসব কাজের মধ্যে আপনার পছন্দের কাজগুলি আপনার দৈনন্দিন কাজের রুটিনের পাশাপাশি করতে পারেন।একাকিত্ব কাটাতে আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন সংগঠন, সহপাঠী বা বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়া, খেলাধূলা করতে পারেন। সম্ভব হলে সামাজিক ইতিবাচক কাজ করে এমন সংগঠনের সাথেও নিজেকে এটাচড রাখতে পারেন। কিংবা নতুন কোন কিছু শেখা শুরু করতে পারেন। এতে নতুন মানুষ জনের সাথে আপনার পরিচয় যেমন হবে তেমনি আপনি নতুন কোন কাজের মাধ্যমে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারবেন যা আপনার একাকিত্ব, মন খারাপ দূর করার পেছনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, তাই না? এছাড়া সমাজ সেবামূলক কাজে জড়িত থাকলে, মানুষকে সাহায্য করার সুযোগ পেলে আমরা নিজেরা যেমন হ্যাপি ফিল করি তেমনি মানুষ জনেরও উপকার হয়, তাই না?বন্ধুবান্ধব বা কাছের মানুষজনদের সাথে মনের কথাগুলো শেয়ার করলেও আমাদের মন খারাপ থাকাটা অনেক কমে, তাই নয় কি? তাদের সাথে নিয়মিত দেখা না জলেও ফোনে কিংবা সোশ্যাল মিডিয়াহর মাধ্যমে নিয়মিত যোগাযোগ করা সম্ভব, তাই না?গ্রাহক, আপনি নিজের সৃজনশীলতা এবং কর্মদক্ষতার উপর আস্থা রাখুন। নিজের যত্ন নিন।  নিচের linkটি আপনার সহায়ক হবে বলে মনে করছিhttps://www.google.com/amp/s/m.wikihow.com/Be-Positive%3famp=1আশা করছি এই পরিস্থিতি আপনি ইতিবাচক ভাবেই ওভারকাম করতে পারবেন। মায়া আপা আপনার পাশে রয়েছে সবসময়।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও