গ্রাহক, মিষ্টি খাবার আমাদের শরীরের ভিতর অ্যাসিড ক্ষরণের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। ফলে, হজম ভাল হয়। মিষ্টি খেলে শরীরে সেরিটোনিন নামের হরমোনের ক্ষরণ হয়। সেরাটোনিন হরমোন নিউরোট্রান্সমিটার হিসেবে কাজ করে। সেরাটনিন সুখ এবং আনন্দের অনুভূতি তৈরি করে। ফলে, মিষ্টি খাওয়ার ফলে আমাদের সুখ ও আনন্দের অনুভূতি তৈরি হয়। মিষ্টি খেলে শরীরে রক্তচাপের ভারসাম্য তৈরি হয়। ফলে, কোনও অসুস্থতা বা অস্বস্তির সম্ভাবনা থাকে না। ডার্ক চকোলেটের মতো বেশ কিছু ডেজার্টে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং কোকো। যা স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমায়। ওজন থাকে নিয়ন্ত্রণে। শরীরে শক্তির যোগান দেয় মিষ্টি। মিষ্টির ভিতরে থাকা চিনি সেই শক্তির জোগান দেবে। তবে উচ্চ মাত্রার ফ্রুকটোজ সমৃদ্ধ কর্ন সিরাপ বা বাড়তি চিনিওয়ালা পানীয়, জুস ড্রিংক, মধূ, বা সাদা চিনি এগেুলো হৃদযন্ত্রের সমস্যা তৈরি করতে পারে, কারণ তা ধমনীর ভেতর ট্রাইগ্লিসারাইড জাতীয় চর্বি জমাতে ভুমিকা রাখে। চিনিসমৃদ্ধ খাবার বা পানীয়ের সাথে হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার সম্পর্ক দেখা গেছে। অতিরিক্ত ক্যালরিই ডায়াবেটিস স্থূলতা এবং উচ্চ রক্তচাপের কারণ এবং সুগার সেই উচ্চ ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবারের একটা অংশ মাত্র। আপনি যদি প্রতিদিন মিষ্টি খেয়ে সঠিক নিয়ম মেনে পরিশ্রম করেন তাহলে ওই  মিষ্টি আপনার কোনও ক্ষতি করবে না। কায়িক পরিশ্রম হওয়ার ফলে শরীরের বিপাক ক্রিয়ার হার কম থাকে। তাই মিষ্টি খেলে তা মেদ হিসাবে জমা হয় না। তবে আপনি অলস হলে মিষ্টি কম খাওয়া কিংবা না খাওয়াই ভালো। মিষ্টি খেলেই যে ডায়াবেটিস হবে, এমন নয়। তবে যারা খুব বেশি পরিমাণে মিষ্টি খায় এবং কোনও ধরনের পরিশ্রম করে না তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াতে করতে পারেন। ধন্যবাদ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও