প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্বামী যদি বেশি রাগী হয় তাহলে কি করা উচিত সে ব্যাপারে আপনি জানতে চেয়েছেন।গ্রাহক, আপনার বিষয়টি বুঝতে চেষ্টা করছি। আপনাকে কি কয়েকটি প্রশ্ন জিঙ্গেস করতে পারি? আপনি এটি কেন জিঙ্গেস করছেন? আপনি কি নিজের সম্পর্কে এমনটা জানতে চাইছেন?বেশি রাগ সে সাধারণত কি করেন? উনি কি ঝগড়া করেন? আপনি কি তার রাগ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে সে ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন নাকি তার সাথে কিভাবে আচরণ সে সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন? আশা করি জানাবেন।রাগ আমাদের স্বাভাবিক একটি আবেগ হলেও রাগকে পজিটিভ ভাবে প্রকাশ করা সবার জন্য ই ভালো। পজিটিভ ভাবে বলতে বুঝায় অন্যের কোনো ক্ষতি না করে বা নিজের কোনো ক্ষতি না করে রাগ কে প্রকাশ করা।গ্রাহক, রাগ প্রকাশ করার জন্য সর্বপ্রথম কোন কোন ক্ষেত্রে আপনার রাগ হয় সেটা চিহ্নিত করার চেষ্টা করতে পারেন।রাগের ফলে কি অনুভূতি হচ্ছে সেটা বুঝার চেষ্টা করতে পারেন। রাগ হলে কিছু সময় নিন সেই স্থান টা থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন এ সময়ে ১-১০ পর্যন্ত গুনতে পারেন।এরপর আপনার যা বলার তা প্রকাশ করতে পারেন। যেমন- এভাবে বলতে পারেন আমি রাগ অনুভব করছি যেহেতু তুমি খাওয়ার পর প্লেট টা না গুছিয়ে ই চলে গেছো।এছাড়া ও রাগের সময় কিছু শারীরিক ব্যায়াম বা মেডিটেশন করা যেতে পারে। রাগ কমানোর জন্য রাগের কারন টা ডায়েরি তে লিখা যেতে পারে।এছাড়া যখন রাগ হবে তখন গান করা বা নাচা ইত্যাদি করলে রাগ কিছু টা কমে। এছাড়া ও জীবনে কিছু কিছু শব্দের ব্যবহার রাগের কারন হয়ে দাঁড়ায় যেমন-Always,must,should ইত্যাদি এ শব্দ গুলো এড়িয়ে চললে রাগের পরিমান কিছুটা কমে।এছাড়া আপনি breathing relaxationও প্র্যাকটিস করতে পারেন। এটি করতে মুখ হালকা খোলা রেখে চার পাঁচ সেকেন্ড ধীরে ধীরে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিয়ে সেটি কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে তারপর আবার ধীরে ধীরে প্রশ্বাস ছেড়ে দিতে পারেন।এতে তাৎক্ষনিকভাবে আপনার মন কিছুটা প্রশমিত হবে। এরপর আপনি শান্ত হয়ে লজিক্যালি ভেবে চিন্তা করে আপনার রেসপন্স দিতে পারেন।প্রিয় গ্রাহক, যে কোন রিলেশনেই নিজেদের মধ্যে পজেটিভ ইমোশনাল এটাচমেন্ট এবং বন্ধুত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এতে একে অপরকে ভাল ভাবে বুঝতে এবং অপর জনের ইচ্ছা বা আকাঙ্খার সাথে নিজের চাওয়া পাওয়াকে মিলিয়ে চলতে সুবিধা হয়।এর জন্য নিজেদের বিষয়, যার যার মত নিয়ে এক জন আরেকজনের সাথে ইতিবাচক ভাষায় বিস্তারিত কথা বলা, যার যার প্রয়োজনীয়তা ও চাহিদা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করা, কেন একজন কোন বিষয়টি একভাবে চাচ্ছে যা হয়ত আপনার মতের সাথে যাচ্ছে না তা বুঝতে চেষ্টা করা, মতের মিল না হলেও ইতিবাচক ভাষা বা উপায়ে তা প্রকাশ করা, অপরজনের কোন কাজে বা কথায় আঘাত পেলে নিজের ফিলিংস শেয়ার করা এবং অপরজনের সেই আচরণের কারণ বুঝতে চেষ্টা করা এই বিষয়গুলি সম্পর্ককে ইতিবাচক রাখতে সহায়তা করে।উনি রেগে যেতে পারে সেরকম কাজ করার আগে ভেবে চিন্তে করা, রেগে গেলে তার সামনে থেকে সরে যাওয়া এই কাজগুলো করা যেতে পারে। গ্রাহক, উনার কথা শুনে তারপর আপনিও প্রতিক্রিয়া স্বরুপ রাগারাগি না করে সুন্দর ইতিবাচক ভাষায় উনার আপত্তি বা অভিযোগ কিংবা যেসব বিষয় নিয়ে উনি সমস্যা ফিল করেন তা নিয়ে কথা বলে দেখতে পারেন। আপনি যে উনাকে, উনার কথাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এটি তাকে ইতিবাচক উপায়ো বোঝাতে পারেন। মনোযোগ দিয়ে উনার কথা শুনে, উনার এমন আচরণের পেছনে কোন বিষয়গুলো রয়েছে তা বুঝতে চেষ্টা করতে পারেন। এবং এতে  আপনার যে অনুভূতি হচ্ছে তা তার সাথে শেয়ার করতে পারেন।উনাকে রাগিয়ে দিতে পারে এমন কথা বলা থেকে বিরত থাকতে পারেন।এই link টি আপনার সহায়ক হবে বলে মনে করছিhttps://www.webmd.com/sex-relationships/features/how-to-stop-fighting-tips-for-married-couplesএরপর নিজেরা আলোচনা করে হয়ত একটি সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে।- মায়া

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও