আমার বয়স ২২,,,,আমি একজন স্টুডেন্ট,,,, একটি সম্পর্কে ছিলাম ১.৫ বছর এর মত,,,,খুব কষ্ট পেয়েছি তার কাছ থেকে,,,,বর্তমানে কোন সম্পর্ক নাই তার সাথে,,,,কিন্ত সমস্যা হলো এই ৪ মাস যাবত আমি বিভিন্ন মানাসিক যন্ত্রণায় ভুগছি,,,কাজে কর্মে সব সময় তার কথা মনে পড়ে,,,চেষ্টা করি ভুলতে কিন্তু পারি না,,সমস্যা গুলো এমন যে পুরানো কিছু বিষয় নিয়ে প্রচুর অপরাধী মনে হয়,,,মনে হয় আমার দোষ,,,,এক একটি ঘটনা মনে পড়ে আর এমন হয়,,,,নিজের সাথে নিজে কথা বলি,,নিজেকে সলিউশন দেই,, কিন্তু আবার যা তাই,,,আমি জানি না আদোতে আমার কোন দোষ কিনা,,,কিন্তু সেই মেয়ের বিষয় গুলো তে নিজেকেই নিজে নেগেটিভ করে তুলছি নিজের কাছে,,,এটা কমছে না এটা কি কোন মানষিক রোগ? আর সলিউশন কি এর

প্রিয় গ্রাহক, আপনার ব্যক্তিগত বিষয়টি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি বলেছেন যে, আপনার একটি রিলেশন ছিল কিন্তু তার কাছ থেকে অনেক কষ্ট পেয়েছেন।  ৪ মাস যাবৎ আপনি বিভিন্ন মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন। কাজ কর্ম, সব সময় তার কথা মনে পড়ে আপনার। তাকে ভোলার চেষ্টা করেন কিন্তু ভুলতে পারেন না।পুরানো কিছু বিষয় নিয়ে নিজেকে আপনার প্রচুর অপরাধী মনে হয়। এক একটি ঘটনা মনে পড়ে আর এমন হয়। নিজের সাথে নিজে কথা বলেন। নিজেকে সলিউশন দেন কিন্ত আবার আমার মন খারাপ হয়ে যায়।  গ্রাহক,আপনার বিষয়টি অনুভব করতে পারছি। ভালোবাসা আমাদের ইতিবাচক এবং স্বাভাবিক একটি আবেগ। প্রিয় এবং কাছের মানুষের সাথে আমরা আমাদের ভালো লাগা, খারাপ লাগা এবং আবেগগুলো শেয়ার করি। তার সাথে আপনারও এমন একটি বণ্ডিং ছিল বলে মনে করছি।গ্রাহক, আপনাকে কি কয়েকটি প্রশ্ন করতে পারি? তার সাথে কি আপনার যোগাযোগ রয়েছে? আপনাদের ব্রেকাপ হওয়ার কারণ কি আমাদের বলা যায়? আশা করি জানাবেন। গ্রাহক,আমাদের লাইফে প্রেম হওয়াটা যেমন খুব সুন্দর একটি অনুভূতির ঘটনা তেমনি ব্রেকআপ হলে বা নেতিবাচক কোন অভিঙ্গতা হলে আমাদের খুব কষ্ট হয়। কিন্তু একটা সময় পর কিন্তু আমরা সেই অনেক মন খারাপ হওয়া কষ্টের পরিস্থিতিগুলো ইতিবাচক ভাবে পার করতে পারি। আমাদের সবার মধ্যেই কম বেশি সেই সক্ষমতা রয়েছে। আপনার মধ্যেও রয়েছে। তবে এরজন্য নিজেকে কিছুটা সময় দিতে হয়। সাধারণত  অনেক মন খারাপ বা কষ্ট পেলে কিংবা হতাশ বোধ করলে আমরা সব ধরনের কাজের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলি এবং নিজেকে আশেপাশের মানুষ এবং কাজ থেকে গুটিয়ে নেই। নিজেকে সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে রাখলে তা হয়ত সমস্যার স্থায়িত্ব বাড়ানোর পক্ষেই কাজ করে। সেক্ষেত্রে নিজের ফেলে রাখা কাজগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে অল্প অল্প করে করতে পারেন।আপনি আপনার পছন্দের কাজ অর্থাৎ যে কাজগুলো আমাদেরকে আনন্দ দেয় তার একটা তালিকা তৈরি করা এবং দৈনন্দিন জীবনে পছন্দের কাজ গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। এই কাজগুলো যেহেতু পছন্দের সুতরাং তা মন ভাল রাখতে কার্যকর হতে পারে। পছন্দের কাজের মধ্যে যে কোন কিছুই থাকতে পারে যেমনঃ বই পড়া, গান শোনা, কোথাও ঘুরতে বের হওয়া, কাছের মানুষদের সাথে আড্ডা দেয়া ইত্যাদি। পছন্দের জায়গায় ঘুরতে যেতে পারেন বন্ধুদের সাথে। মন খারাপ বা কিছুই ভালো লাগছে না এরকম হলে কাজ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি আমাদের অভ্যন্তরীন কিছু নেতিবাচক চিন্তাও কাজ করে। সাধারনত যখন আমাদের মন খারাপ তখন আমাদের মাথায় অনেক নেতিবাচক চিন্তা আসে যেমনঃ আমার কেও নাই, আমাকে কেও পছন্দ করে না, আমাকে কেও ভালবাসে না, আমি জীবনে কিছু করতে পারি নি ইত্যাদি।মাথায় আসা এমন নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে শনাক্ত করা। শনাক্ত করার পদ্ধতি হিসেবে ডায়েরীতে লিখে রাখা। পরবর্তীতে এই চিন্তাগুলো কতটুকু যৌক্তিক ভেবে দেখা। গ্রাহক, আপনি নতুন কোন কিছু শিখতে শুরু করতে পারেন অথবা ইতিবাচক কাজে সময় দিতে পারেন। এতে আপনি নতুন একটি বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন, অনেক মানুষের সাথে পরিচয় হবে এবং তার কথা কম মনে হবে। একা একা বেশি সময় না কাটিয়ে কাছের মানুষজন, পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে পারেন।linkটি দেখতে পারেনhttps://www.wikihow.com/Get-Over-a-Break-Upনিজের উপর আস্থা রাখুন। আপনার কর্মদক্ষতা এবং সৃজনশীলতার উপর আস্থা রাখুন।গ্রাহক, আমরা অনেক সময়ই অনেক কাজ ইমোশোনালি বা উত্তেজিত অবস্থায় করে ফেলি পরে নিজের কাজ বা আচরণের জন্য খারাপ ফিল করি। এটি কিন্তু স্বাভাবিক। সম্পর্কের ক্ষেত্রে যে কোন বিষয়েই ভুল বোঝাবুঝি হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে দুজনেরই হয়ত ভূমিকা থাকতে পারে। আপনি যে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবছেন, চিন্তা করছেন এতে কি বিষয়গুলো সমাধান হয়ে যাবে? আপনিই শুধু কষ্ট পাচ্ছেন, তাই না?গ্রাহক, আপনার নেতিবাচক চিন্তাগুলিকে পাল্টা প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার চিন্তা প্রক্রিয়াকে ইতিবাচক করতে এই link টি সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছিhttps://nickwignall.com/cognitive-restructuring/আপনার কর্মদক্ষতা এবং সৃজনশীলতার উপর আস্থা রাখুন। প্রয়োজনে কাছের বন্ধু বিশ্বস্ত কারো সাথে নিজের বিষয়গুলি শেয়ার করতে পারেন। এতে কিছুটা হলেও ভাল feel করবেন। এছাড়া আপনি নেতিবাচক অবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে meditationও practice করতে পারেন।meditation সম্পর্কে জানতে এই linkটি দেখতে পারেনhttps://www.verywellmind.com/practice-basic-meditation-for-stress-management-3144789আশা করি আপনার দৈনন্দিন জীবনে আমাদের টিপসগুলি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং সফলতার সাথে আপনি আপনার বর্তমান situationকে overcome করতে পারবেন। আপনার আরও কোন প্রশ্ন থাকলে সেটিও আমাদের কাছে করতে পারেন। মায়া আপা আপনার পাশে সবসময় আছে। 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও