গ্রাহক, আমরা  কি জানতে পারি আপনার বয়স কত? কত দিন ধরে হচ্ছে?  কোন আঘাত পেয়েছেন কিনা? সিঁড়ি দিয়ে উঠানামা কিনবা নিচ থেকে উঠে দাঁড়াতে পারেন?  নাকি ব্যাথা হয়?      অনেক কারণেই হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে। ওজন বৃদ্ধির সঙ্গে সুগঠিত পেশি না হওয়ার কারণে হাঁটুব্যথা অতি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। অস্বাস্থ্যকর খাবার এবং জীবনযাপনের কারণেও এ সমস্যা বেড়েছে। এ ধরনের ব্যথা থেকে মুক্তি কিছু পরামর্শ মেনে চললে বেশ আরাম মিলবে। জীবনটা আরেকটু সহজ হয়ে আসবে। ১. সঠিক খাবার খান যার প্রভাব সরাসরি দেহে ফেলে। পুষ্টিকর খাবার শক্তিশালী হাঁটু তৈরি করে। তাই পুষ্টিকর খাবার খান। ২. যেকোনো বয়সে ক্যালসিয়ামের সঙ্গে ভিটামিন ডি দারুণ শক্তিশালী হাড় গঠন করে। ভিটামিন ডি এর অভাবের সঙ্গে অস্টেয়োপরোসিসের সম্পর্ক রয়েছে। সূর্যের আলোতে ভিটামিন মেলে। তবে প্রয়োজনে পাশাপামি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে পারেন।৩.প্রতিদিনের কাজে আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করা জরুরি। হাই হিল জুতা দেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। দীর্ঘ সময় এটি পরে থাকলে হাঁটুসহ দেহের বিভিন্ন অংশে ব্যথার সৃষ্টি হয়। ৪. বয়সের সাথে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। তাই ওপরের অংশের ওজন যদি বেড়ে যায় তবে হাঁটুতে ব্যথা হতেই পারে। নিয়তিম ব্যায়াম এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ওজন কমানো সম্ভব। ৫. সঠিক পদ্ধতিতে ব্যায়াম এবং বিশ্রাম অতি জরুরি বিষয়। নয়তো হাঁটুসহ নানা স্থানে ব্যথা হতে পারে। ৬. অনেক সময় অস্টেয়োপরোসিস হয়ে যায়। কিন্তু সচেতনতার অভাবে তা আড়ালেই থেকে যায়। তাই একজন বিশেষজ্ঞের অধীনে পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত। এখন আপাতত গরম সেঁক দিতে পারেন।  ক্লোফেনাক জেল লাগাতে পারেন৷  কোন মালিশ করবেন না৷  ধন্যবাদ। মায়া      

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও