গ্রাহক, এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এইডস হয়। এইডস-এর প্রতিষেধক আজ পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যৌনমিলনের মাধ্যমে এইডস ছড়ায়। তবে এইচআইভি বিভিন্নভাবে একজনের শরীর থেকে আরেক জনের শরীরে ছড়াতে পারে। যেমন:1. যার শরীরে এই ভাইরাস রয়েছে তার সাথে যেকোনো ধরনের যৌনমিলন করলে2. যার শরীরে এইচআইভি রয়েছে তার রক্ত বা যেকোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্য কারো শরীরে দেয়া হলে3.এই ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহার করা সুচ, সিরিঞ্জ জীবাণুমুক্ত না করে অন্য কারো শরীরে ইনজেকশন দেয়া হলে4.যে সব গর্ভবতী মায়ের শরীরে এইচআইভি রয়েছে, সেই মায়ের কাছ থেকে ক) গর্ভাবস্থায় খ) প্রসবের সময় বা গ) বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শিশুর মধ্যে এ রোগ ছড়িয়ে পড়তে পারে। কারো শরীরে এইচআইভি আছে কিনা, তা বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না। প্রাথমিকভাবে বাইরে থেকে তাকে দেখতে যেকোনো সুস্থ এবং স্বাভাবিক মানুষের মতো লাগে। শুধু রক্ত পরীক্ষা করে শরীরে এই ভাইরাস আছে কিনা জানা যায়। তাই দেখতে সুস্থ, স্বাস্থ্যবান মানুষ মনে হলেও তার মধ্যে এইচআইভি থাকতে পারে। তার সাথে কনডম ছাড়া যৌনমিলন করলে এই ভাইরাস যৌনসঙ্গীর শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।এই জীবাণুতে আক্রান্ত হওয়ার পরও একজন ব্যক্তির শরীরে দীর্ঘ দিন কোন রকমের লক্ষণ দেখা নাও দিতে পারে।এভাবে একজন আক্রান্ত ব্যক্তি দশ থেকে পনেরো বছরও বেঁচে থাকতে পারেন।এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করার পর শুরুর কয়েকটি সপ্তাহের মধ্যে ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাব দেখা দিতে পারে, হালকা জ্বর, মাথাব্যথা, গলাব্যথা ও শরীরে র‍্যাশ দেখা দিতে পারে।অন্যান্য লক্ষণগুলো দেখা দেবে যখন ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করাই এইচআইভির মুল বিপদ।প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকলে কাশি, ডাইরিয়া, লিম্ফ নোড বা চামড়ার নিচে ফুলে যাওয়া গোটার মতো দেখা দেবে, ওজন কমে যাবে।চিকিৎসার অভাবে আরও ভয়াবহ অসুখও হতে পারে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সামান্য অসুখেও মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি হয় যদি তার চিকিৎসা না নেয়া হয় কারণ শরীর তার স্বাভাবিক অবস্থা নিয়ে আর অসুখের সাথে লড়াই করতে পারে না।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও