প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সহবাসের মানসিক এবং শারীরিক উভয় দিকই আছে। এর শারীরিক দিক হচ্ছে যখন একজন পুরুষ তার উত্থিত লিংগ স্ত্রীর যোনির অভ্যন্তরে প্রবেশ করে তা হচ্ছে সহবাস। এর জন্য উভয়কেই শারীরিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী সহবাস-সম্মতির বয়স ১৬ বছর কেননা এই বয়সের আগে একজন ছেলে ও  মেয়ের শরীর সহবাসের ধকল নিতে পারেনা। যদি দুজনের কারও বয়স এর চেয়ে কম হয় তবে এটিকে ধর্ষন বলে গন্য করা হয় এবং এতে করে দুজনকেই জেলে যেতে হতে পারে।শারীরিকভাবে প্রস্তুত হবার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সহবাসের মানসিক প্রস্তুতি। এটি একটি অনেক বড় পদক্ষেপ। এই অভিজ্ঞতা যে কারও সাথে করা যায়না, কেননা এর মাধ্যমে দুটি মানুষের আত্মিক একটি যোগ ঘটে। তাই বলা হয়এমন একজন মানুষের সঙ্গে এটি করতে যাকে আপনি শ্রদ্ধা করেন, আস্থা রাখেন এবং তিনিও আপনার প্রতি সেরকম শ্রদ্ধা এবং আস্থা রাখেন।  সহবাস যে দুটি মানুষের মধ্যে হচ্ছে তাদের উভয়কেই একে অপরের সঙ্গে মিলিত হবার ইচ্ছা এবং সম্মতি থাকতে হবে। এটি কারও উপর চাপিয়ে দেয়া যাবেনা। যদি আপনি আপনার সঙ্গীর ওপর অথবা সে আপনার ওপর মানসিক বা শারীরিক চাপ প্রয়োগ করে তবে সেখান থেকে আপনার দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে। বিবাহ বন্ধনের ভেতরে হলেও একে ম্যারিটাল রেপ (বিবাহ-ধর্ষন) বলা হয়। দুজনের সমান সম্মতি সহবাস করার আগে সবচেয়ে প্রধান বিষয়।আপনারা দুজনেই পরস্পরকে শ্রদ্ধা করে, আস্থা রাখেন, দুজনের সমান ঐচ্ছিক সম্মতি আছে, এখন আপনারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সহবাস করার। কিন্তু এরপরও আপনাদের সাবধান হতে হবে। যদি দুজনের কারও আগে এক বা একাধিক সঙ্গী থেকে থাকে তবে অবশ্যই যৌন সংক্রমনের (STD) জন্য পরীক্ষা করা জরুরী। যৌন সংক্রমন থেকে মুক্ত থাকার একটি ভাল উপায় কন্ডম ব্যবহার করা। কন্ডম গর্ভধারনের ঝুকি থেকেও সুরক্ষা দেয়। এটি গর্ভনিরোধক পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে সহজ কেননা শুধুমাত্র সহবাসের সময় এটি পরিধান করলেই হয়।আর আপনি কন্ডম ব্যবহার করলে আপনার সঙ্গীর ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই।সহবাসের ফলে সবচেয়ে বড় যে ঝুকি সেটি হচ্ছে গর্ভধারনের ঝুকি। একটি কিশোরি বা যুবতী মেয়ে গর্ভবতী হলে তার শারীরিক ও মানসিক অনেক সমস্যার মধ্যে থাকে। মাতৃত্ব একটি কঠিন পরিশ্রমের বিষয় এবং অল্প বয়সে মা হয়ে অনেক মেয়ে গর্ভধারন ও প্রসব্জনিত জটিলতার কারনে প্রতি বছর মৃত্যুবরন করে। অবিবাহিত মেয়ে গর্ভবতী হলে এতে করে সামাজিকভাবে সে অনেক সমস্যার সম্মুখিন হতে পারে। পরিবার এবং সমাজ থেকে তাকে বিচ্যুত করা হতে পারে। ঘরছাড়া আর সমাজ ছাড়া হয়ে দারিদ্র্যের কষাঘাতে মেয়েটি আরও মারাত্মক পরিনতির দিকে চলে যেতে পারে। এদেশে এটিই রুঢ় বাস্তবতা। আশা করি উপরের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ে সহবাস সম্পর্কে আরও ভালভাবে বুঝতে পারছেন।সাধারণত মাসিকের এর সময় সহবাস করলে শারীরিক কোন সমস্যা হয় না । তবে, এই সময় bleeding হওয়ার কারনে, সহবাস করলে infection এর সম্ভাবনা বেড়ে যায় । এছাড়া, মেয়েদের যেহেতু এই সময়ে যোনি ব্যাথা করে, সহবাস করলে ব্যাথা পাওয়ার সম্ভাবনা বেরে যায় । তাই একজন মেয়ে কখনও না চেয়ে থাকলে, মাসিকের সময়ে সহবাস করতে জোর করা উচিত না । মাসিকের সময়ে pregnancy এর সম্ভাবনা সাধারণত কম । কিন্তু সম্ভাবনা আছে, এই কারনে কনডম ব্যাবহার করা উচিত।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও