গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।  করোনাভাইরাস এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস - যা এর আগে কখনো মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি।ভাইরাসটির আরেক নাম ২০১৯-এনসিওভি। করোনাভাইরাসের অনেক রকম প্রজাতি আছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র ছয়টি মানুষের দেহে সংক্রমিত হতে পারে। ভাইরাসটি নতুন হওয়াতে এখনই এর কোনও টিকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কার হয়নি।তবে এই ভাইরাস এর বিরুদ্ধে ভ্যাক্সিন বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।    ভাইরাসজনিত অসুখ হওয়ার কারনে এটার কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। লক্ষন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে শুধুমাত্র একটু সচেতনতাই পারে করোনা প্রতিরোধ করতে। কিছু সাধারন হাইজিন মেনে চললে এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। এই নিয়মগুলো আপনি নিজে , আপনার পরিবারের সবাইকে , আশে পাশের সবাই কে মেনে চলার জন্য অনুরোধ করুন ।     যেমনঃ     ১। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনসমাগম পরিহার করা, বাহিরে বের হলে গনপরিবহন ব্যাবহার এড়িয়ে চলা ২। বাহিরে বের হলে মাস্ক পরিধান করা ,মানুষের সাথে করমর্দন ,আলিঙ্গন , চুম্বন বন্ধ রাখুন ৩। বারবার হাত মুখ ধৌত করা সাবান বা স্যানিটাইজার ব্যাবহার করে। কমপক্ষে ২০ সেকেণ্ড হাত ধুবেন। ৪।হাত না ধুয়ে চোখ , মুখ , নাক স্পর্শ না করা ৫। অসুস্থ পশুপাখির সংস্পর্শে না আসা৬। প্রচুর পানি পান করা এবং ভিটামিন সি যুক্ত ফলমূল , শাকসবজি , বেশি খাওয়া।  ৭।মাছ , মাংস , ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ করে খেতে হবে। ৮।জিঙ্ক  যে কোন ভাইরাসের কার্যক্ষমতা  কমায়। আমাদের শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ  জিঙ্ক জমা থাকে। তারপরও স্টোরেজ আরো একটু বাড়াতে  জিঙ্ক বেশি আছে এমন খাবার যেমনঃ মাংস, শিম জাতীয় খাবার, বিচি জাতীয় খাবার জিরা-কালো জিরা, ডিম দুধ, খোসা সহ খাদ্য শস্য একটু বেশি খাওয়া ভাল।৯।হাঁচি বা কাঁশি তে আক্রান্ত ব্যাক্তিদের থেকে দুরত্ব বজায় রাখতে হবে।১০।হাঁচি কাশি দেয়ার পরে , রোগীর সেবা দেয়ার পরে , মলত্যাগের পরে , খাবার খাওয়ার আগে এবং রান্নার আগে হাত ধুয়ে নেয়াআশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও