গ্রাহক, বিভিন্ন কারনে চুলকানি হতে পারে তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় - ব্যাকটেরিয়াল বা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারনে, স্ক্যাবিস এবং এলার্জিজনিত সমস্যার কারনে চুলকানি হতে।ব্যাকটেরিয়াল বা  ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা স্ক্যাবিস হলে সেক্ষেত্রে একজন ডার্মাটলজিস্টকে দেখিয়ে  ওষুধ লাগাতে হবে।এছাড়া,বিভিন্ন ধরনের  চর্মরোগ হলেও এমন চুলকানি হতে পারে।আর যদি এলার্জিজনিত কারনে চুলকানি হয়ে থাকে,তবে জেনে রাখা উচিত যে, এলার্জি থাকে, নতুন খাবার , ধুলা, ফুলের রেনু, গরম ইত্যাদি। এটা জানা জরুরি যে আপনার কি কারণে এলার্জি হচ্ছে? না হলে এর ফলে যে চুলকানি হচ্ছে তা বন্ধ করা মুশকিল। যেহেতু, আমরা আপনাকে পরীক্ষা করে দেখতে পারছি না, তাই আপনার চুলকানি কি কারনে হচ্ছে, তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এর জন্য নিচের কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন -# কোনো খাবার বা নতুন কোনো খাবার খেলে যদি চুলকানি হয় তা লক্ষ্য করা জরুরি এবং সেই খাবার এড়িয়ে চলতে হবে. যেমন - সামুদ্রিক মাছ , চিঙড়ি , বাদাম, গরুর মাংস , ডিম# ঘর যথা সম্ভব ধুলামুক্ত রাখতে চেষ্টা করুন। # বিছানার চাদর নিয়মিত পাল্টাতে হবে. না হলে চুলকানি বাড়তে পারে। # ঘেমে গেলে দ্রুত কাপড় পাল্টে ফেলবেন। # যদি রোদে গেলে চুলকানি বেড়ে যায় তাহলে ফুলহাতা জামা পড়বেন, ছাতা এবং sun screen ব্যবহার করবেন। # ত্বক যাতে শুষ্ক না হয় এই বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে. শুষ্ক ত্বকে চুলকানি বেশি হয়। যদি চুলকানি বেশি হয় তাহলে ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে। চুলকানির সাথে যদি শ্বাসকষ্ট থাকে , শরীর ফুলে যায় , রাশ থাকে তাহলে ডাক্তার এর সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও