ডায়াবেটিস মূলত দুই ধরনের হয়। টাইপ ১ ও টাইপ ২ । টাইপ ১ ডায়াবেটিস ধরা পড়ে শৈশবেই। এক্ষেত্রে শরীরে ইনসুলিন তৈরির পরিমাণ কমে যায়। টাইপ ১ ডায়াবেটিসের সাধারণ লক্ষণগুলি হল, আক্রান্ত ব্যক্তির গলা শুকিয়ে যায় বার বার, ঘন ঘন প্রস্রাব পায়, ওজন কমে যায়আর শরীর দুর্বল লাগে।টাইপ ২ ডায়াবেটিস সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। এটি সাধারণত মধ্য বয়সে দেখা দেয় তবে আজকাল তরুণ বয়সেই আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে। এক্ষেত্রে শরীরে তৈরি ইনসুলিন ঠিকমত কাজ করতে পারে না। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত ওষুধ সেবন আর ডাক্তারের পরামর্শ মনে চললেই এটা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।এছাড়াও তৃতীয় আরেক ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়, সেটা হল গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস। গর্ভাবস্থায় মায়ের শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়মিত মাপা তাই খুব জরুরী। সাধারণত সন্তান জন্মের পরে মা সুস্থ হয়ে যায়, তবে তারপরেও তার ঝুঁকি রয়ে যায় টাইপ ২ ডায়াবেটিসের।ডায়াবেটিস নিরাময়যোগ্য নয়। তবে নিয়ন্ত্রিত জীবনযাত্রা এবং সঠিক ওষুধের মাধ্যমে আপনি এই রোগের লাগাম রাখতে পারবেন নিজের হাতেই। এজন্য নিয়মিত ব্যবধানে ডাক্তার দেখাতে হবে, বছরে অন্তত চারবার তো বটেই। শতকরা ৬০ ভাগ ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের হাত থেকে বাঁচা যায়।এর মূলমন্ত্র হলো হিসেব করে খাওয়া আর নিজেকে ফিট রাখা। প্রতিদিন ৩০ মিনিটের বেশি হাঁটুন, আপনার ঝুঁকি কমে যাবে অনেকাংশেই।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়াকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া ।

পরিচয় গোপন রেখে ফ্রিতে শারীরিক, মানসিক এবং লাইফস্টাইল বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন Maya অ্যাপ থেকে। অ্যাপের ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://bit.ly/38Mq0qn


প্রশ্ন করুন আপনিও