গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধারনা করা হয় সুপারি খেলে দাতের ক্ষয় রোধ হয়, দাতেরঅ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে, মুখের দুর্গন্ধ দূর করে, কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়, কৃমিনাশক হিসাবে কাজ করে, হজমে সাহায্য করে। তবে সুপারি  কিন্তু নিজেও ক্যান্সার সৃষ্টি করে থাকে অর্থাৎ সুপারি ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান। সুপারি চুনের সঙ্গে বিক্রিয়া ঘটিয়ে এরিকোলিন নামক একটি নারকোটিক এলকালয়েড উৎপন্ন করে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এরিকোলিন প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এ কারণেই চোখের মণি সংকুচিত হয় এবং লালার নিঃসরণের পরিমাণ বেড়ে যায়। শুধু তাই নয়, চোখে পানি পর্যন্ত আসতে পারে। কাঁচা সুপারি চিবালে উত্তেজক হিসেবে কাজ করে। সুপারিতে রয়েছে উচ্চমাত্রার সাইকোএকটিভ এলকালয়েড। এ কারণেই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কাঁচা সুপারি চিবালে শরীরে গরম অনুভূত হয়, এমনকি শরীর ঘামিয়ে যেতে পারে। সুপারি খেলে তাৎক্ষণিক যেসব সমস্যা দেখা যায় সেগুলো হল- অ্যাজমা বেড়ে যেতে পারে। হাইপারটেনশন বা রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে। টেকিকার্ডিয়া বা নাড়ির স্পন্দনের পরিমাণ বেড়ে গিয়ে অস্থিরতা অনুভূত হওয়া। দীর্ঘমেয়াদে সুপারি সেবন করলে ওরাল সাবমিউকাস ফাইব্রোসিস হতে পারে। ক্যান্সারের পূর্বাবস্থা বা স্কোয়ামাস সেল কারসিনোমা হতে পারে। আমাদের দেশে মুখের ক্যান্সারের মধ্যে স্কোয়ামাস সেল কারসিনোমা বেশি হতে দেখা যায়। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াতে করতে পারেন। ধন্যবাদ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও