প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রাহক, আপনি ছেলে  না মেয়ে ? আপনার বয়স কত ? কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যা হচ্ছে ? আপনার কি আরথ্রাইটিসের সমস্যা আছে ? আপনার হাঁটুতে কোন ফোলা আছে ? দৈনন্দিন জীবনে কাজকর্ম করতে গিয়ে যে প্রধান সমস্যা দেখা যায় তা হল, হাঁটুতে ব্যথা। এটি একটি বার্ধক্যজনিত রোগ। এছাড়াও মহিলারা সাধারনত ৪০ বছরের পর ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যাবার পর হরমোনের তারতম্যের কারনে অস্থি কনিকা ক্ষয় প্রাপ্ত হয়ে এই রোগ দেখা দেয়। তাছাড়াও খেলোয়াড়দের খেলার সময় অসম অবস্থানের কারনে, আঘাত পেলে অথবা মচকে গেলে হাঁটুতে ব্যাথা হবে পারে।হাঁটুর ব্যথা যাদের আছে , যন্ত্রনা বাড়লে দৈনন্দিন কাজে বেগ পেতে হয় অনেক সময়৷ ব্যথার ওষুধ খেয়েও অনেক সময় কমতে চায় না এই অসহ্য যন্ত্রনা৷যে সব কারণে হাটু ব্যাথা হতে পারেঃ- অষ্টিও আর্থাইটিস বা বাত।- আঘাত জনিত কারন।- অষ্টিও পেরোসিস বা হাড়ের ক্ষয়।- কন্ড্রো-মেলেসিয়া পেটেলা।- টেন্ডিনাইটিস।- লিগামেন্ট ও সেনিস্কাস ইনজুরি।- মাংশ পেশীর সমস্যা। ব্যথা কম করতে দেওয়া হল কিছু ঘরোয়া উপায় :- ১. যদি হাটুর তাপমাত্রা বেশী থাকে তাহলে বরফ ও তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলে গরম শেক দিতে হবে। বরফ হাঁটু ব্যথায় অদ্ভুত ভালো কাজ করে৷ একটি তোয়ালের মধ্যে কিছু বরফের টুকরো নিয়ে হাটুতে ব্যথা জায়গায় দিয়ে রাখুন৷ তবে খেয়াল রাখবেন যাতে আপনার ত্বকের সঙ্গে সরাসরি বরফের সংযোগ না হয়৷ এতে ব্যথা অনেক কম হয়৷২. হাঁটুর ওপরে চাপ দিয়ে বেশি কাজ করবেন না৷ বেশি সিড়ি ভাঙা বা দৌড়ানো হাঁটুর ব্যথার পক্ষে খারাপ৷ যদি বাধ্য হয়ে বেশি হাঁটা চলা করতে হয় তাহলে নি-ক্যাপ ব্যবহার করুন৷৩. অ্যাভোকাডো, আঁদা, বেরি এবং ওমেগা তিন সমৃদ্ধ মাছ হাঁটুর পক্ষে উপকারী৷৪. জুতোর প্রতি নজর দিন৷ হিল যুক্ত জুতো হাঁটু ব্যথায় অত্যন্ত খারাপ৷৫. ফিজিওথেরাপিতে হাঁটু ব্যথা অনেকটা কম থাকে৷৬. অতিরিক্ত মাত্রায় সোডিয়াম থাকে যেসব খাওয়ারে সেগুলি এড়িয়ে চলা উচিত৷৭. টমাটো ও আলু আরথেরাইটিস সংক্রান্ত হাঁটু ব্যথা বাড়ায়৷৮. ভিটামিন সি হাঁটু ব্যথা কমাতে সাহায্য করে৷ ভিটামিন সি যুক্ত খাবার হাঁটু ভালো রাখে৷৯.হাঁটু ফোলা থাকলে হাটা হাটি কম করে পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন এবং চিকিৎসকের সরনাপন্ন হোন।হাটুঁর ব্যথা প্রতিরোধ করতে :-১। নিয়মিত হাটুন।২। শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।৩। পর্যাপ্ত ভিটামিন, মিনারেলস্‌ এবং আশ যুক্ত খাবার খান।নিয়মত হালকা ব্যায়াম ও সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে হাঁটু ব্যাথা নিরাময় করে সুস্থ থাকুন। অধিক সমস্যায় একজন অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞের শরনাপন্ন হতে হবে।        আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া  ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও