ব্যায়ামের উপকারিতা জানা আছে সবারই কমবেশি। তবে নিয়ম করে ব্যায়াম করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। কদিন ব্যায়াম করলেন, আবার কদিন বাদ দিলেন, এভাবে অনিয়ম হলে চলবে না।হঠাৎ ব্যায়াম ছেড়ে দেওয়াও ঠিক নয়। কিছুদিন খুব কঠোর পরিশ্রমের ব্যায়াম করে আবার কিছুদিনের জন্য ব্যায়াম একেবারেই বাদ দিয়ে দিলেন, এমনটা করবেন না। এর চেয়ে বরং সহজ ব্যায়াম করুন। নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস ধরে রাখুন।যাঁরা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যায়াম করেন বা হাঁটাহাঁটি করেন, তাঁরা যদি হুট করে ব্যায়াম ছেড়ে দেন, তাহলে রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ব্যাঘাত ঘটতে পারে।শরীর ফিট রাখতে যাঁরা ব্যায়াম করেন, তাঁরা ব্যায়াম ছেড়ে দিলে ব্যায়ামের উদ্দেশ্যে তো বিঘ্ন ঘটবেই। যাঁরা ওজন কমানোর ব্যায়াম করেন তাঁদের ক্ষেত্রে ব্যায়াম ছেড়ে দিলে হুট করে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে; কারণ ব্যায়ামের মাধ্যমে যেমন নিয়মিত হারে ক্যালরি পোড়ানো হচ্ছিল, সেটি আর সম্ভব হয় না।সুস্থ হৃৎপিণ্ডের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম চাই। নিয়মিত ব্যায়ামে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যায়ামের জন্য সময় বের করা এমনিতেও কঠিন; তা ব্যস্ততার জন্যই হোক আর আলসেমির কারণেই হোক। কাজেই একবার ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে সেটিকে ধরে রাখার চেষ্টা করাই শ্রেয়। অভ্যাস ছুটে গেলে নতুন করে অভ্যাস তৈরি করা কঠিন। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম করুন। ভারী ব্যায়াম করতে পারলে অবশ্য সপ্তাহে ৭৫ মিনিটই যথেষ্ট।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও