প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যক্ষা মূলত একটি সংক্রামক রোগ যা মূলত মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস নামক ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমনে হয়ে থাকে। এটি ফুসফুসে এবং ফুসের বাইরে সংক্রমিত হতে পারে। বাতাসের মাধ্যমে যক্ষা রোগের জীবাণু ছড়াতে পারে। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে রোগের জীবাণু বাতাসে মিশে যক্ষা রোগের সংক্রমণ ঘটায়। যক্ষ্মা রোগীর প্লেট, গ্লাস এমনকি বিছানা আলাদা করে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি যেহেতু হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে ছড়ায়, তাই যার এ রোগ আছে তাকে কিছু ব্যপারে সতর্ক হতে হবে। যেমন- হাঁচি বা কাশির সময় মুখে রুমাল দেওয়া, হাত দিয়ে মুখ ঢাকা অথবা একদিকে সরে কাশি দিতে হবে। যেখানে সেখানে থুতু বা কফ ফেলা যাবে না। আক্রান্ত ব্যক্তির মুখের কাছাকাছি গিয়ে কথা বললে এ রোগের জীবাণু ছড়াতে পারে।যক্ষার লক্ষণ: ফুসফুসে আক্রান্ত যক্ষ্মার ক্ষেত্রে সাধারনত তিন সপ্তাহের বেশি সময় ধরে কাশি, জ্বর, কাশির সাথে কফ এবং রক্ত যাওয়া, বুকে ব্যথা অথবা শ্বাস নেয়ার সময় অথবা কাশির সময় ব্যথা হওয়া, ওজন কমে যাওয়া, শারীরিক দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা বা খাদ্যে অরুচি, অবসাদ অনুভব করা ইত্যাদি উপসর্গ হতে পারে। এধরনের উপসর্গ থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে কফ পরীক্ষা, রক্ত পরীক্ষা, বুকের এক্স-রে সহ কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে রোগ সনাক্ত করতে হবে দ্রুত। রোগ নির্নয়ের পর ডাক্তারের পরামর্শে থেকে উপযুক্ত চিকিতসা নিতে হবে, এক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালে বা বিশেষায়িত হাসপাতালে দীর্ঘমেয়াদী চিকিতসা নিতে হবে। যক্ষ্মা বা টিবি রোগের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে একজন সুস্থ ব্যক্তিকে কিছু বিষয়ে সচেতন হতে হবে, জন্মের পর পর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দিতে হবে।পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে, বাসস্থানের পরিবেশ খোলামেলা, আলো-বাতাস সম্পন্ন হতে হবে। যক্ষ্মা আক্রান্ত রোগীকে সবসময় নাক মুখ ঢেকে চলাচল করতে হবে।জীবাণুযুক্ত রোগীকে যেখানে সেখানে কফ ফেলা পরিহার করতে হবে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, আমাদের জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও