প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। একি ব্লাড গ্রুপ হলে কোন সমস্যা নেই । স্বামীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ/নেগেটিভ যেকোনো একটি হলেই হবে। তবে স্বামীর রক্তের গ্রুপ যদি পজেটিভ হয় তবে স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হলে কিছু সাবধানতা অবলম্বনের প্রয়োজন আছে । স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ হলে সন্তানের রক্তের গ্রুপও পজিটিভ হয়ে থাকে। স্বামীর রক্তের গ্রুপ পজেটিভ আর স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হয়ে থাকলে স্ত্রী পজেটিভ গ্রুপের একটি ফিটাস বা ভ্রুণ ধারণ করে থাকে। ডেলিভারীর সময়ে পজেটিভ ফিটাসের ব্লাড, প্লাসেন্টাল ব্যারিয়ার বা ভ্রুণফুল displacement ঘটবে। এর ফলে স্ত্রীর শরীরে নতুন ব্লাড গ্রুপের একটি আর এইচ এন্টিবডি তৈরি হবে। এটি প্রথম সন্তানের জন্মের সময়ে কোনো সমস্যা তৈরি করবে না। কিন্তু দ্বিতীয়বার সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে পূর্বের সন্তান জন্মের সময়ে তৈরি হওয়া আরএইচ এন্টিবডি শরীরের ভ্রুণের প্লাসেন্টাল ব্যারিয়ারকে ভেঙ্গে ফেলতে পারে।এর ফলে দ্বিতীয় সন্তান জন্মের সময়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ কিংবা মৃত সন্তানের জন্ম হতে পারে। একে মেডিকেলের ভাষায় আরএইচ incompatibility বলা হয়। তবে এর জন্য এখন ভয়ের কিছুই নেই কাড়ন আমাদের এই একবিংশ শতাব্দীতে সবি সম্ভব। এর জন্য নির্দিষ্ট টিকা আছে anti- D immunoglobulin জা গর্ভধারণ অবস্থায় ২৮ তম ও ৩৪ তম সপ্তাহে দেয়া হয় অথবা কোন কাড়নে মিস হলে সন্তান জন্মের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই মাকে দিয়ে দেয়া হয় এবং মা ও সন্তান উভয়ের কর্ড ব্লাড পরীক্ষা করা হয় । দুশ্চিন্তা করবেন না , গর্ভধারণের সিদ্ধান্ত মাত্রই ডাক্তার কে জানাবেন ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে সুনিশ্চিত হয়ে সকল টিকাসমূহও সময় মতন গ্রহণ করবেন ও চেক -আপ এ থাকবেন । আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও