প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।এলার্জির পরীক্ষার রিপোর্টের ছবি তুলে আমাদের পাঠালে আপনাকে সাহায্য করতে সুবিধা হত।            এলার্জি থাকে নতুন খাবার , ধুলা, ফুলের রেনু, গরম ইত্যাদি। এটা জানা জরুরি যে আপনার কি কারণে এলার্জি হচ্ছে? না হলে এর ফলে যে চুলকানি হচ্ছে তা বন্ধ করা মুশকিল। এর জন্য নিচের কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন -# কোনো খাবার বা নতুন কোনো খাবার খেলে যদি চুলকানি হয় তা লক্ষ্য করা জরুরি এবং সেই খাবার এড়িয়ে চলতে হবে. যেমন - সামুদ্রিক মাছ , চিংড়ি , বাদাম, গরুর মাংস , ডিম# ঘর যথা সম্ভব ধুলামুক্ত রাখতে চেষ্টা করুন।# বিছানার চাদর নিয়মিত পাল্টাতে হবে. না হলে চুলকানি বাড়তে পারে।# ঘেমে গেলে দ্রুত কাপড় পাল্টে ফেলবেন।# যদি রোদে গেলে চুলকানি বেড়ে যায় তাহলে ফুলহাতা জামা পড়বেন, ছাতা এবং sun screen ব্যবহার করবেন। # ত্বক যাতে শুষ্ক না হয় এই বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে. শুষ্ক ত্বকে চুলকানি বেশি হয়। যদি চুলকানি বেশি হয় তাহলে ডাক্তার এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে।চুলকানির সাথে যদি শ্বাসকষ্ট থাকে , শরীর ফুলে যায় , র‍্যাশ থাকে তাহলে ডাক্তার এর সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে ।ডায়াবেটিস কতদিন ধরে? কোনো ঔষধ ব্যবহার করেন কি?        গ্রাহক,ডায়াবেটিস হলে কিছু খাবার এড়িয়ে চললে সাথে নিয়মিত হাঁটাচলা ও রেগুলার চেক আপ করলে ভালো থাকা সম্ভব. শক্তির জন্য দেহে শর্করা,আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের প্রয়োজন। ডায়াবেটিস হলে শর্করা ও অন্যান্য খাবার সঠিকভাবে শরীরের কাজে আসে না। ফলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে ডায়াবেটিস অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে রেখে সু্স্থ্যভাবে জীবন যাপন করা যায়।ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে চারটি নিয়ম মানতে হয়ঃক) নিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণখ) সাধ্যমত কায়িত পরিশ্রম ও ব্যায়ামগ) ঔষধঘ) শিক্ষাপ্রতিটি পর্যায়ে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।  ক) নিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ -ডায়াবেটিস হলে খাদ্যের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হয়। খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা ডায়াবেটিস হওয়ার আগে যে রকম থাকে পরেও একই থাকে। পুষ্টির চাহিদার কোন তারতম্য হয় না। খাদ্যের নিয়ম মেনে চলার প্রধান উদ্দেশ্য থাকে:ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, স্বাস্থ্য ভাল রাখা। খ) ব্যায়াম-রোগ নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে ব্যায়াম বা শরীর চর্চার ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম করলে শরীর সু্স্থ থাকে,ইনসুলিনের কার্যকারিতা ও নি:সরনের পরিমাণ বেড়ে যায়। প্রতিদিন অন্তত: ৪৫ মিনিট হাঁটলে শরীর যথেষ্ঠ সু্স্থ থাকবে। শারীরিক অসুবিধা থাকলে সাধ্যমত কায়িক পরিশ্রম করতে হবে। গ) ঔষধ-সকল ডায়াবেটিক রোগীকেই খাদ্য,ব্যায়াম ও শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে,বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে,এই দুইটি যথাযথভাবে পালন করতে পারলে রোগ নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে ইনসুলিন ইনজেকশনের দরকার হয়। টাইপ-২ ডায়বেটিস রোগীর ক্ষেত্রে চিকিৎসক শর্করা কমাবার জন্য খাবার বড়ি দিতে পারেন। ঘ) শিক্ষা- ডায়াবেটিস আজীবনের রোগ। সঠিক ব্যবস্থা নিলে এই রোগকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। ব্যবস্থাগুলি রোগীকেই নিজ দায়িত্বে মেনে চলতে হবে এবং রোগীর পরিবারের নিকট সদস্যদের সহযোগিতা এ ব্যাপারে অনেক সাহায্য করতে পারে। তাই এ রোগের সুচিকিৎসার জন্য ডায়াবেটিস সর্ম্পকে রোগীর যেমন শিক্ষা প্রয়োজন, তেমনি রোগীর নিকট আত্মীয়দেরও এই রোগ সর্ম্পকে কিছু জ্ঞান থাকা দরকার। পথ্য ও বাড়তি সতর্কতাআঁশবহুল খাবার (ডাল,শাক,সবজি,টক ফল ইত্যাদি) বেশী খেতে হবেউদ্ভিদ তেল,অর্থাৎ সয়াবিন তেল,সরিষার তেল ইত্যাদি এবং সব ধরনের মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে হবেওজন স্বাভাবিক রাখতে হবে।চিনি-মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবেচাল,আটা দিয়ে তৈরী খাবার,মিষ্টি ফল ইত্যাদি কিছুটা হিসেব করে খেতে হবে।ঘি,মাখন,চর্বি,ডালডা,মাংস ইত্যাদি কম খেতে হবে।অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হলে অর্থাৎ অসু্স্থ অবস্থায় বিশেষ খাদ্য-ব্যবস্থা জেনে নিতে হবে। যা মনে রাখতে হবেনিয়মিত ও পরিমাণ মতো সুষম খাবার খেতে হবেনিয়মিত ও পরিমাণমতো ব্যায়াম বা দৈহিত পরিশ্রম করতে হবেডাক্তারের পরামর্শ ও ব্যবস্থাপত্র সুষ্ঠভাবে মেনে চলতে হবেশরীর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবেপায়ের বিশেষ যত্ন নিতে হবেনিয়মিত প্রস্রাব পরীক্ষা করতে হবে এবং ফলাফল প্রস্রাব পরীক্ষার বইতে লিখে রাখতে হবেচিনি, মিষ্টি, গুড়, মধুযুক্ত খাবার সম্পূর্ণ বাদ দিতে হবেধূমপান করা যাবে নাশারীরিক কোন অসুবিধা দেখা দিলে দেরী না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবেডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন কারণেই ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা বন্ধ রাখা যাবে নাতাৎক্ষনিক রক্তে শর্করা পরিমাপক যন্ত্র দিয়ে নিজে নিজেই রক্তের শর্করা পরিমাপ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে সবচেয়ে ভালরক্তে শর্করা পরিমাপক বিশেষ কাঠি দিয়েও তাৎক্ষনিকভাবে রক্তের শর্করা পরিমাপ করা যায়আপনি যদি নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা চান তাহলে আপনার রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট সহ নিউট্রিশনিস্ট  এর সাথে দেখা করবেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি,আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া কে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও