গ্রাহক, সজিনা একটি অতি পরিচিত দামি এবং সুস্বাদু সবজি। কারণ এর পাতায় আট রকম অত্যাবশ্যকীয় এমাইনো এসিডসহ ৩৮% আমিষ আছে যা বহু উদ্ভিদেই নেই। সজিনা সবজির চেয়ে এর পাতার উপকার আরও বেশি। বিজ্ঞানীরা পুষ্টির দিক দিয়ে সজিনাকে ‘পুষ্টির ডিনামাইট’ আখ্যায়িত করেন। খাদ্যোপযোগী প্রতি ১০০ গ্রাম সজিনাতে খাদ্য শক্তি  ৪৩ কি. ক্যাল, পানি ৮৫.২ গ্রাম, আমিষ ২.৯ (গ্রাম), চর্বি  ০.২ (গ্রাম), শর্করা ৫.১ (গ্রাম), খাদ্য আঁশ ৪.৮ (গ্রাম), ক্যালসিয়াম ২৪ (মি. গ্রাম), আয়রন ০.২ (মি. গ্রাম), জিংক ০.১৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-এ ২৬ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি১ ০.০৪ (মি. গ্রাম), ভিটা-বি২ (মি. গ্রাম) ০.০৪ ভিটামিন-সি  ৬৯.৯ (মি. গ্রাম)। এর উপকারিতা গুলো হল -  সজনে ডাঁটার মতো এর পাতারও রয়েছে যথেষ্ট গুণ। সজনে পাতা শাক হিসেবে, ভর্তা করেও খাওয়া যায়। এতে মুখের রুচি আসে।  সজনে পাতার রস খাওয়ালে শ্বাসকষ্ট সারে। তাছাড়া পাতাকে অনেকক্ষণ সিদ্ধ করে তা থেকে যেই ঘন রস পাওয়া যায় হিং (এক ধরনের বৃক্ষ বিশেষ) ও শুকনো আদার গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ালে পেটের গ্যাস বেরিয়ে যায়। রক্ত চাপ কমায়, উচ্চ রক্ত চাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। জ্বর ও সর্দি দূর হয়। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রনে থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে। হজমশক্তি বৃদ্ধি করে, লিভার ও কিডনি সুরক্ষিত রাখে, চর্মরোগ দূর হয়, শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে সাহায্য করে। শরীরের প্রতিরোধক ব্যবস্থা শক্তিশালী করে। সজিনা বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। মাথা ধরা, মাইগ্রেন, আর্থাইটিস এবং চুলপড়া রোগের চিকিৎসায় ও সজিনা কার্যকর ভূমিকা রাখে। সজিনা পাতা এন্টিডিপ্রেশন্ট হিসাবে কাজ করে কিনা তা এখনও গবেষনাধীণ, আর যে গবেষনা গুলো করা হয়েছে তা সবই প্রানীর উপর করা হয়েছে। তবে ইন্ডিয়া সহ বিশ্বের অনেক দেশেই ডিপ্রেশনের হারবাল মেডিসিন হিসাবে সজিনাকে ব্যবহার করা হয়। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াতে করতে পারেন। ধন্যবাদ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও