গ্রাহক, ঔষধি গুণসম্পন্ন থানকুনি পাতা খেতে পারেন রস করে অথবা বেটেও। তরকারিতে কুচি করে মিশিয়ে দিতে পারেন। চাইলে চায়ের সঙ্গেও মিশিয়ে নিতে পারেন এটি। নিয়মিত থানকুনি পাতা খেলে দূরে থাকতে পারবেন বিভিন্ন রোগ থেকে। যেমন - ১। থানকুনির উপকারি উপাদান মস্তিষ্কের কোষের গঠন করতে সাহায্য করে এবং রক্তসংবহন বাড়ায়। ২। শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে সহায়তা করে। ৩। স্কিনের মৃতপ্রায় কোষের জন্য থানকুনি অনেক উপকারী। থানকুনির রস মৃতপ্রায় কোষ পুনরায় সংগঠিত করতে পারে। এবং শুষ্ক হওয়া থেকে বাঁচায়, যার ফলে শুষ্ক ত্বক মসৃণ হয়ে যায়। ৪। পেটের রোগ নিরাময় করতে থানকুনির খুবই ভাল কাজ করে। কেবল পেটের ব্যথা ছাড়াও আলসার এবং বিভিন্ন চর্মরোগ থানকুনি দারুন কাজ করে। ৫। স্কিনের উজ্জলতা, নতুন চুল গজাতে ও চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। ৬। দাঁতের রক্তপাত, মাড়ি ও দাঁত ব্যথার ক্ষেত্রেও পাওয়া যাবে সুফল। ৭। থানকুনি স্নায়ুতন্ত্রকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। ৮। হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। ৯। রক্ত পরিষ্কার করে। ১০। জ্বর ও আমাশয়ে থানকুনির পাতার রস খেলে উপকার হয়। ১১। কাশির প্রকোপ কমাতে সহায়তা করে। ১২। এসিডিটির সমস্যা দূর করে। ১৩। ভিটামিন সি যুক্ত থানকুনি পাতা নিয়মিত খেলে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। ১৪। থানকুনি পাতায় উপস্থিত অ্যামিনো অ্যাসিড, বিটা ক্যারোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইটোকেমিক্যাল ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টির ঘাটতি দূর করে। পাশাপাশি বলিরেখা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এটি। ফলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে ও বলিরেখা পড়ে না সহজে। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াতে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও