অনেক কারণই পিরিয়ডকে এ্যাফেক্ট করতে পারে। জীবনযাত্রার ধরণ যেমন অতিরিক্ত ওজন কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ব্যায়াম, অথবা দুঃশ্চিন্তার কারণেও পিরিয়ড না হতে পারে। যদি আপনি যৌন সঙ্গমে সক্রিয় থাকেন এবং প্রটেকশন ছাড়া যৌন সম্পর্ক স্হাপন করে থাকেন তাহলে ধরে নিতে হবে আপনি প্রেগন্যান্ট, কেননা প্রেগন্যান্সির প্রথম চিহ্ন হচ্ছে পিরিয়ড না হওয়া। যদি আপনার পিরিয়ড স্বাভাবিকভাবে নিয়মিত থাকে এবং উপরের কারণগুলোও বাতিল করে দেওয়া যায় তখন আপনার একজন Gynaecologist কে দেখানো উচিত অন্য কোন কারণ আছে কিনা সেটা জানার জন্যে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও