প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।মানুষিক ভাবে ভাল থাকার কিছু উপায় হলঃ ১। মানসিক চাপ দূর করে মনকে শান্ত করার জন্য মেডিটেশন একটি অত্যন্ত কার্যকরী ব্যায়াম। কার্নেগী মেলন বিশ্ববিদ্যালয় এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ২৫ মিনিট করে টানা ৩ দিন মেডিটেশন করলে তা হতাশা এবং দুশ্চিন্তা অনেকখানিই দূর করতে সহায়তা করে। ২। বাস্তববাদী হওয়াঃযে কোনো ঘটনা বা ভবিষ্যতে কী ঘটতে পারে এ আশঙ্কায় অনেকে অযথা উৎকণ্ঠিত ও চিন্তিত হয়ে পড়েন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, জীবন মানেই কিছু সমস্যা থাকবে এবং এমন কিছু ঘটনা ঘটতে পারে যা জীবনে কাম্য নয়। তবে এটা ও ঠিক, সবকিছুর সমাধান রয়েছে ও সময়ের সাথে সব ঠিক হয়ে যায়। কাজেই বাস্তব পরিস্থিতি মেনে নিয়ে তার সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার মানসিকতা গ্রহণ করতে হবে। ফলে কিছুটা টেনশন কমে যাবে। ৩। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান সব সময় একাকী থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি হৃদযন্ত্রেরও ক্ষতি করতে পারে। এমনকি কখনও হৃদরোগ ধরা না পড়লেও ক্ষতির আশংকা থেকেই যায়।তাই একাকী ঘরে বসে না থেকে বন্ধুদের সঙ্গে বের হয়ে পড়ুন। ৪। ডায়েরি লিখুন আপনি হয়তো কখনোই ডায়েরি লেখেননি। যে বিষয়টি আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে, মানসিক চাপের কারণ হচ্ছে সেটি একটি ডায়রিতে লিখুন। পাশাপাশি আপনি কী চান বা কী করলে আপনার ভালো লাগত সেই বিষয়টিও লিখুন।ডায়েরি লেখার এই অভ্যাসটি মানসিক চাপ কমাতে অনেকটা সাহায্য করবে আপনাকে।৫।পাওয়ার ন্যাপ বা পর্যাপ্ত ঘুম:বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষের মধ্যে না ঘুমিয়ে থাকার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। সুস্থ থাকতে হলে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক। ‘ঘুম’ থেকে ভালো Stress Looser আর কিছু হতে পারে না। তাই যখন কোনোও কিছুই আর ভালো লাগবে না বা মনে হবে কোনো কিছুতেই মন দিতে পারছেন না, তখন একটু নিরিবিলি জায়গা দেখে পাওয়ার ন্যাপ নিয়ে নিন। দুশ্চিন্তা কেটে যাবে!৬। লম্বা করে শ্বাস নিতে হবেঃঅনেক সময় অতিরিক্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়ার ফলে মস্তিস্কে অক্সিজেন এর ঘাটতি দেখা দেয়। সে কারণে, অনেকগুলো চিন্তা এবং দুশ্চিন্তা যখন খুব বেশি মনের মধ্যে সমস্যা তৈরি করতে শুরু করবে, তখন কিছুটা সময় নিয়ে লম্বা করে শ্বাস নেওয়া এবং শ্বাস ছাড়ার অভ্যাস করতে হবে। যেকোন কঠিন সময়ে অথবা সমস্যাযুক্ত অবস্থায় পড়লে এমনভাবে লম্বা করে শ্বাস নিলে মানসিকভাবে অনেকটা শান্তি পাওয়া যায়।৭।সবশেষে থেরাপি নিতে হবেদিনশেষে সবকিছুর সমাধান একা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। নিজের মানসিক দুশ্চিন্তার সাথে পেরে উঠতে না পারলে অবশ্যই মনোরোগ বিশেষজ্ঞর শরণাপন্ন হতে হবে। কারণ তারা জানেন কীভাবে গাইড করলে মানসিক অশান্তি, অস্থিরতা এবং দুশ্চিন্তা কমিয়ে আনা যাবে।আশা করি কিছুটা সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানাবেন। আপনার প্রয়োজনে রয়েছে পাশে সব সময় মায়া।     

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও