গ্রাহক ,করোনাভাইরাস এর সুনির্দিষ্ট লক্ষন বেশি কিছু নেই। সাধারনত ভাইরাস এ আক্রান্ত হওয়ার ২-১৪ দিনের মধ্যে কিছু সাধারন লক্ষন দেখা যায়। যেমনঃ১। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বর।২। করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত হলে শ্বাসকষ্টও দেখা দিতে পারে, যা সাধারন ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশিতে দেখা যায়না।৩। কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া এবং অর্গান বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়।করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে যারা বয়ষ্ক অথবা আগে থেকেও কোন জটিল অসুখ এ ভুগে থাকে তাদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক আকারে ধারন করতে পারে । তাদের ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রেই হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হবেনা।ভাইরাসজনিত অসুখ হওয়ার কারনে এটার কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। লক্ষন অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে এই ভাইরাস এর বিরুদ্ধে ভ্যাক্সিন বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।গ্রাহক ,আপনার সমস্যা টি এমনি ঋতু পরিবর্তনের কারনে ভাইরাসের সংক্রমনে হতে পারে ।এই জ্বর আপনা আপনি কয়েকদিনের মধ্যেই ভালো হয়ে যায়। তাই এই জ্বর নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। জ্বর কমানোর জন্য তাই প্রথমে দেহের তাপমাত্রা কমানোর ওষুধ প্যারাসিটামল বা এইস  এবং যদি সর্দি থাকে ,সর্দির জন্য এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ কয়েকদিন খেলেই এ রোগ সেরে যায়।এছাড়া, সর্দির জন্য ফুটন্ত গরম পানিতে কয়েক টুকরো মেন্থল ক্রিস্টাল দিয়ে, তার ভাপ নিন।এতে সর্দি ভেতর থেকে গলে বের হয়ে আসবে এবং আপনার মাথা ব্যথা এবং মাথা ভার হয়ে থাকা কমবে।তবে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক সঠিক মাত্রায় পাঁচ থেকে সাত দিন খেতে হবে।জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খুব ভালো বোধ করে ।তাপমাত্রা বেশী হলে মাথায় পানি দিলে জ্বর কমবে এবং ভাল বোধ করবেন।জ্বরের সময় যতটা সম্ভব বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে এছাড়াও লেবুর রস মুখে রুচি আনতে সাহায্য করে তাই লেবু বা লেবুর শরবত খাওয়া যেতে পারে। ফলের মধ্যে আনারস, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে।  তাজা, পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন- আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই পরিহার করতে হবে।যদি কাশি থাকে ,তবে কাশি  এবং গলা ব্যথা  কমাতে কিছু জিনিস করুন :-*গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি।*মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়।*এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে কাশি দ্রুত ভালো হয়ে যায়।হাঁচি-কাশির সময় পরিষ্কার রুমাল ব্যবহার করবেন। শিশু, বয়ষ্ক, রুগ্ন ও গর্ভবতীদের থেকে দূরে থাকবেন। এটুকু করলেই ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার মাধ্যমেই ভাইরাসকে কাবু করা যাবে। তখন বুঝতে হবে এটা সাধারণ ফ্লু-ই ছিল।যদি  আপনি কোন করোনা আক্রান্ত রোগীর বা বিদেশ ফেরত কোন ব্যক্তির সংষ্পর্শে এসে থাকেন, বা যদি ১০ দিনেও জ্বর  না কমে,সাথে কাশি বা শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়, তবে অবশ্যই সরকারের দেওয়া হটলাইন নাম্বার গুলোতে যোগাযোগ করবেন। 

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও