প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কতদিন ধরে এই সমস্যা হচ্ছে? আপনি কি কোন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়েছেন? আমাদের জানান। শরীরের যে কোন জায়গা ফাংগাস দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে অধিকাংশ ক্ষেত্রে যাকে দাদ বলা হয়। এই আক্রমণ মাথার চামড়ায়, হাত-পায়ের আঙ্গুলের ফাঁকে, কুঁচকিতে হতে পারে। এটা খুব ছোঁয়াচে রোগ। লক্ষণ : * আক্রান্ত স্থান চাকার মত গোলাকার হয়, এবং চুলকায় । * মাথায় দাদ দেখতে গোলাকার হয়, আক্রান্ত স্থানে চুল কমে যায় এবং প্রায়ই থাকে না । * হাত বা পায়ের নখে ফাংগাস আক্রান্ত করলে নখের উপরিভাগ পুরু হয়, এবং মসৃণতা নষ্ট হয় । * নখের পাশে পনি জমে যায় এবং অনেক সময় নখ ভেঙ্গে যায় । প্রতিকার : * সাবান ও পানি দিয়ে প্রতিদিন ধোয়াই দাদ থেকে মুক্তি পাবার সহজ উপায় * আক্রান্ত স্থান শুকনো রাখা জরুরী * চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা করাতে হবে * অনেক সময় ব্যবহৃত সাবান থেকেও দাদ হতে পারে। সেক্ষেত্রে সাবান ব্যবহার কিছুদিন বন্ধ রাখতে হবে। সংক্রমণের ব্যাপ্তি ও ধরনের ওপর নির্ভর করে ফাঙ্গাসের চিকিৎসাপদ্ধতি। তবে সঠিক চিকিৎসায় যেকোনো ফাঙ্গাসই সারিয়ে তোলা সম্ভব। ফাঙ্গাস সংক্রমণ ঘটে গেলে সে ক্ষেত্রে ত্বকের উপরিভাগে অ্যান্টিফাঙ্গাল মলম ব্যবহার, ট্যাবলেট, ক্যাপসুল, সাসপেনশনধর্মী অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ সেবন করে ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে সেরা ওঠা গেলেও ফাঙ্গাস বেড়ে ওঠার জন্য অনুকূল পরিবেশ থেকে মুক্ত হতে না পারলে ফাঙ্গাসের যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। বর্তমানে ফাঙ্গাসের অনেক কার্যকর ওষুধ বাজারে এসেছে। এগুলো সেবনে শারীরিক প্রতিক্রিয়া খুবই কম। ফাঙ্গাল ওষুধ সেবনের আগে লিভারের কোনো ত্রুটি আছে কি না তা পরখ করে নিতে হবে।চিকিৎসার আগে তিন-চার মাসের মধ্যে জন্ডিস হওয়ার ইতিহাস থাকলে তা ডাক্তারকে জানাতে হবে। অনেকেই ফাঙ্গাসকে সহজ ব্যাপার মনে করে ফার্মেসির ওষুধ বিক্রেতার কথায় ওষুধ খেয়ে থাকেন। এটা ঠিক নয বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফাঙ্গাস সংক্রমণ প্রায় ১০০ ভাগ নিরাময় করা সম্ভব। তবে সেটা আবারো হতে পারে। কারণ ত্বকে ফাঙ্গাস বেড়ে ওঠার পরিবেশ সৃষ্টি হলে সেখানে ফাঙ্গাস বেড়ে উঠতে চেষ্টা করবে। তাই ফাঙ্গাস প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে তা হচ্ছে পা, আঙুলের ফাঁক,নখের গোড়া ভালো করে সাবান দিয়ে পরিষ্কার করা । প্রতিরোধ ব্যবস্থা : * ফাংগাস আক্রান্তদের অন্য কোন সুস্থ্যদের সঙ্গে একত্রে খেলতে বা ঘুমাতে দেয়া উচিত নয় * রোগীর ব্যবহৃত কাপড় চোপড় ও চিরুণী ভাল ভাবে পরিষ্কার না করে অন্য কারো ব্যবহার করা উচিত নয় * রোগ প্রকাশ পাওয়া মাত্র চিকিৎসা করাতে হবে আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও