প্রশ্ন সমূহ
আর্টিকেল
মায়া শপ

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


প্রিয় গ্রাহক,

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

গ্রাহক, কবে থেকে আপনার ঘুম কম হচ্ছে? আপনার কি আগে নিয়মিত ঘুম হত? আপনি কি কোন কিছু নিয়ে কোন দুশ্চিন্তায় ভুগছেন? আপনার কি আর কোন শারীরিক অসুস্থতা আছে?
গ্রাহক, আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারেন-
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: ভালো ঘুমের জন্য শোবার ঘর এবং শারীরিক তাপমাত্রাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। শোবার ঘরের তাপমাত্রা খুব বেশি বা খুব কম হলে ঘুমে সমস্যা হতে পারে। শোবার ঘরের আদর্শ তাপমাত্রা হল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি আপনার শরীরের তাপমাত্রা কমাতেও সহায়তা করবে।
ঘুমের সঙ্গে বিছানার সম্পর্ক স্থাপন: বিছানায় শুয়ে খাওয়া, টেলিভিশন দেখা ও গেইম খেলা এড়িয়ে চলা উচিত। বিছানা ঘুমানোর জায়গা, এই বিষয় মনকে বোঝাতে পারলে ঘুমানো সহজ হবে।
আলো ও শব্দ কমানো: আমাদের মন রাতের অন্ধকারের সঙ্গে ঘুমের সম্পর্ক তৈরি করে। তাই ঘুমানোর আগে ঘরের পর্দা টেনে দিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করতে হবে। কোলাহলপূর্ণ পরিবেশও নির্ভেজাল ঘুমের পথে অন্তরায়।
ব্যায়াম ও ইয়োগা: দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ ঘুমের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যার নিয়মিত ব্যায়াম করেন তারা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। আর ইয়োগা ও ধ্যান চর্চাকারীরা গভীর বা জোরে শ্বাস নিয়ে থাকেন। ফলে মানসিক চাপের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারেন কার্যকর ভাবে, ঘুমও ভালো হয়।
পরিষ্কার বিছানা: গবেষণায় দেখা গেছে, পরিষ্কার বিছানার চাদর ভালো ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। গবেষকদের মতে, “বিছানার চাদর পরিষ্কার থাকলে ৭৫ শতাংশ মানুষেরই ঘুম ভালো হয়।”
সঠিক খাবার: চিনিযুক্ত খাবার বেশি খেলে ঘুমে সমস্যা হয়। খেতে পারেন গরম দুধ, এতে মেলে প্রশান্তির অনুভূতি। রাতের খাবারে সিরিয়াল, ভাত খাওয়া উচিত। যা সেরোটনিন হরমোন তৈরি করে, ফলে ঘুম ভালো হয়।

আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।

আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,

রয়েছে পাশে সবসময়,

মায়া আপা ।


প্রশ্ন করুন আপনিও