ধন্যবাদ গ্রাহক। আমি কি জানতে পারি আপনার বয়স কত? আপনি কি গর্ভবতী? প্রেগন্যান্সির শুরুতেই যে লক্ষণটি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় তা হলো মর্নিং সিকনেস / বমি ভাব ,বমি। এই সময়ে শরীরে যে হরমোনাল পরিবর্তন দেখা যায় , সেটার কারণে এইরকম অনুভূত হয়। যদিও একে মর্নিং সিকনেস বলা হয় , কিন্তু দিনের যে কোনো সময়ে এই বমি ভাব দেখা দিতে পারে. সাধারণত প্রথম 3 মাস পর বমি ভাব চলে যায় , কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে তা আবার কিছুদিন বেশি থাকতে পারে। মর্নিং সিকনেস এই সময়ে খুব ক্লান্তিকর তাই কিছু নিয়ম মেনে চলতে পারলে এই ক্লান্তি কিছুটা কাটানো যাবে-# বমি ভাব সকালের দিকে বেশি থাকে, তাই যখন ঘুম থেকে উঠবেন তাড়াহুড়া করবেন না। ধীরে সময় নিয়ে উঠবেন. হাতের কাছেই কিছু শুকনা খাবার যেমন বিস্কিট , টোস্ট , মুড়ি রাখবেন। অল্প পরিমান শুকনা খাবার বমি ভাব দূর করতে সাহায্য করে। # সকালের এই সময়ে একবারে বেশি পানি খাবেন না। বেশি পানি খেলে বমি ভাব বেড়ে যেতে পারে। শুকনা খাবারের সাথে অল্প পরিমান পানি খেতে পারেন। # এই সময় দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে না থেকে কিছুসময় পর পর খাওয়া উচিত। তবে অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলবেন। #যে সকল খাবার এর গন্ধে বমি ভাব বাড়তে পারে তা এই সময় খাবার চেষ্টা না করাই ভাল। # বমি ভাব কমাতে ঠান্ডা পানি এবং শরবত খেতে পারেন। # প্রয়োজন মত বিশ্রাম নেয়া এইসময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ কম বিশ্রাম নিলে শরীর খারাপ লাগতে পারে এবং বমিভাব বাড়তে পারে। # খুব টাইট পোশাক এড়িয়ে চলবেন। ঢিলা আরামদায়ক পোশাক পড়লে কিছুটা রিলাক্স ফিল হয়। # যেসব কাজ করতে ভালো লাগে সেইকাজগুলাতে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। ব্যস্ততা বমিভাব ভুলে থাকতে সাহায্য করবে। এরপর যদি সমস্যা না কমে তাহলে ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে বমির জন্য ওষুধ খেতে পারেন।কিছুক্ষেত্রে এই বমিভাব এবং বমি এতো তীব্র হয় যে পানিশূন্যতা দেখা দেয়. একে বলা হয় হাইপারেমেসিস গ্রাভিডেরাম। এই সমস্যা দেখা দিলে দেরি না করে অবস্যই হসপিটালে ভর্তি হতে হবে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও