প্রিয় গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কাছের মানুষদের অনেক আচরণে আপনার খুব বিরক্ত লাগে ও রাগ হয়। আপনার মেজাজ খারাপ হয়। আসলে অনেক সময়ই অনেকের আচরণে আমাদের মেজাজ খারাপ হয় যার জন্য দেখা যায় যে আমরা অনেক রেগে যাই।তখন হয়তো এমন অনেক আচরণ করে বসি যার জন্য পরবর্তীতে আমাদের অনেক গিলটি ফিলিংস হয়। আর তা যদি কাছের মানুষের সাথে হয়ে থাকে তবে তো আরো বেশি খারাপ লাগে।রাগ মানুষের স্বাভাবিক একটি অনুভূতি।কিন্তু অতিরিক্ত রাগ নিজের কিংবা অন্যের জন্য ক্ষতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।আর আপনিও আপনার রাগের অপকারিতা বুঝতে পারছেন আর তার সমাধান চাচ্ছেন যা প্রসংশনীয়।গ্রাহক অনেক সময় আমাদের রাগ হয় যখন আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজেকে সঠিক অন্যকে ভুল মনে করি।এরকম ধারণা আমাদের সম্পর্কের জন্যও খারাপ।তাই যদি এভাবে চিন্তা করা যায় যে আমি আমার অবস্থানে যেমন ঠিক আছি তেমনি সেও তার অবস্থান থেকে ঠিক আছে অর্থাৎ আপনি যদি এমন একটি অবস্থান থেকে চিন্তা করতে পারেন যে আপনিও ঠিক সেও ঠিক তবে দেখবেন রাগ অনেকটাই কম উঠবে। গ্রাহক সেইসাথে আপনি এটাও ভাবতে পারেন যে আপনি যেহেতু আপনার রাগ কমাতে চাচ্ছেন তবে আপনার এমনকি কোনো ইতিবাচক দিক আছে যেটা আপনি বাড়াতে চাচ্ছেন? আপনি যখন সেই ইতিবাচক দিকটা বাড়ানোর লক্ষ্যে চেষ্টা করবেন সেটাও আপনার রাগ কমাতে সাহায্য করবে।গ্রাহক আপনার কি কি নিয়ে রাগ হয়,মেজাজ খারাপ হয় তা কি বলা যায়?রাগের কারণগুলো চিহ্নিত করা খুব জরুরি।আপনি আপনার রাগের কারণগুলো ভেবে দেখতে পারেন।যে যে কারণে আপনার রাগ হচ্ছে সেসময়ে আসলে আপনি কি চিন্তা করছেন যার জন্য রাগ হচ্ছে তা ভেবে দেখতে পারেন।চিন্তাগুলোকে পজিটিভ করা যায় কিনা ভাবতে পারেন।রাগ হলে রাগের অনুভূতিগুলো লিখে ফেলতে পারেন,পরে তা ছিড়ে ফেলবেন।রাগ হলে কিছুসময় একা বসে থাকতে পারেন,নিজেকে সময় দিতে পারেন।সেই সময় রাগের কারণগুলো যুক্তি দিয়ে ভাবতে পারেন।কিছুটা রাগ প্রকাশ করা খারাপ না।রাগ প্রকাশ তখনই খারাপ যখন তা নিজের ও অন্যের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।তাই ভালো সময়ে আপনার কেন রাগ হচ্ছে তা আপনার কাছের মানুষদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।তাদের নিজের অনুভূতিগুলো শেয়ার করতে পারেন তবে নিজেদের মধ্যেও সম্পর্কের উন্নতি হবে।নেতিবাচক চিন্তাই সাধারণত আমাদের মনে নেতিবাচক অনুভূতিগুলো তৈরি করে,তাই নিজের নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে চিহ্নিত করে সেগুলোকে যদি ইতিবাচকভাবে ভাবা যায় তবে তা মন-মেজাজ ভালো রাখতে সহায়তা করে।এছাড়াও আপনি রিলাক্সেশান টেকনিক ব্যবহার করতে পারেন।অতিরিক্ত চিন্তার সময় নিজেকে relax রাখার জন্য relaxation বা deep breathing করতে পারেন। মেডিটেশন বা Relaxation হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শরীরকে শিথিল করা যায়। মানসিক ভাবে প্রাশান্তি লাভ করা যায়। দুচিন্তা,রাগ, আবেগ, হতাশা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নেওয়ার ফলে মস্তিস্কে বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রবেশ করে মস্তিস্ককে অনেক শিথিল করে যার ফলে পরবর্তীতে আর ও ভাল ভাবে সমস্যা নিয়ে চিন্তা করা যায়।নিম্নের ভিডিও লিঙ্ক টি দেখলে আপনি মেডিটেশন বা relaxation সম্পর্কে আরও ভাল করে জানতে পারবেন। https://www.youtube.com/watch?v=JEg5t0WCILQ&feature=share আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও