গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বেশি রাগ হয় এবং বারবার চেক করার প্রবণতা আছে, তাই কি?আপনি নিজের অনুভূতি ও আচরণের প্রতি সচেতন যা খুব ইতিবাচক দিক। আপনার ইচ্ছা ও সচেতনতা আপনাকে সাহায্য করবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে।আপনার বারবার চেক করার যে প্রবণতা এটা কতদিন সময় থেকে এবং এরজন্য দৈনন্দিন কাজে কোন ব্যঘাত ঘটছে কি? জানতে চাইছি কারণ --কোন কিছু দুইবার চেক করা একটি নরমাল বিহেইভিয়ার। যেমন ধরুন, গেটের তালা লক করেছেন কিনা সেটা চেক করা কিংবা বাইরের রুমের লাইট নিভিয়েছেন কিনা সেটা যাচাই করা। কিন্তু আপনি দরজা লক করেছেন কিনা কিংবা লাইট নিভিয়েছেন কিনা এমন ঘটনা যদি ২০ বার বা ৩০ বারের মতো মনে সন্দেহ জাগায়, এবং এর জন্য দৈনন্দিন জীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তখন এটা নরমাল আচরণ হয় না। এটি চিন্তাবাতিকগ্রস্থ ও বাধ্যতাধর্মী আচরণের একটি উদ্বেগজনিত রোগ।আপনি নিজেকে ভালো করে পর্বেক্ষন করে দেখতে পারেন যে কি কি হচ্ছে আপনার সাথে। আপনার রাগের কারণ কি তা জেনে পদক্ষেপ নিলে রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে সুবিধা হবে।রাগ একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আনন্দ,দুঃখ,ভুয় এই অনুভূতির মতই রাগ। যেকোন কারণে যেকোন সময় রাগ অনুভূত হতে পারে।  খেয়াল রাখতে হবে এর ফলে কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে কিনা ব্যক্তিগত,পারিবারিক,সামাজিক,পেশাগত জীবনের উপর। যেসব কারণে রাগ হয় তা হচ্ছে- প্রত্যাশা পূরণ না হলে/মনের কথা প্রকাশ করতে না পারলে/ মানসিক চাপে থাকলে/ অন্যকিছু নিয়ে চিন্তিত থাকলে ইত্যাদি। খুঁজে দেখতে হবে কি হচ্ছে নিজের সাথে,কি কারণে রাগ  হচ্ছে।রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য বেশ কিছু কৌশল অনুসরণ করা যেতে পারে যেমনঃ --মানসিকভাবে স্থির হওয়া/ --গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া এর ফলে নেতিবাচক চিন্তা বাঁধা পায় এবং মনোযোগ পরিবর্তন হয়ে রাগ নিয়ন্ত্রণ করে/ --স্থান পরিবর্তন করা এতে নিজেকে সময় দেওয়া যায় ইতিবাচক চিন্তা জন্য এবং নেতিবাচক কোন ঘটনা না ঘটনার জন্য/--এক গ্লাস পানি পান করা এতে নেতিবাচক চিন্তায় বিঘ্ন ঘটে/ --ইতিবাচক চিন্তা করা/ নিজের আচরণের দায়িত্ব নিজে নেওয়া/ --নিজের অবস্থা বুঝা সেই সাথে তা অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মনের ভাব প্রকাশ করা এবং অন্যের অবস্থা বুঝতে চেষ্টা করা/-- মেডিটেশন করা এর ফলে চিন্তা,অনুভূতি এবং আচরণ এর নিয়ন্ত্রণ করা যায়। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আশা করি আপনাকে সহযোগিতা করতে পেরেছি, ধন্যবাদ।  

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও