প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আসলে বয়স কোন বিষয় না সর্ম্পক এর ব্যাপারে। এটা আসলে নির্ভর করে দুইজন এর understanding, respect, trust এর উপরে। আপনারা যদি একে অন্যের সাথে বোঝাপড়া করে ভাল ভাবে চলতে পারেন তাহলে সর্ম্পকটা ভালই যাবে বলে আশা করছি। তবে মনোবিজ্ঞানীরা বলেন একজন প্রেমিক-প্রেমিকা বা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বয়সের ব্যবধান ৩ বছর থাকা ভাল। সাধারণত মেয়েরা মনের দিক দিয়ে তুলনামুলক ভাবে ছেলেদের থেকে আগেইবেশি পরিপক্ব হয়ে থাকে।    তাই মনে করা হয় যে, স্বামী যদি স্ত্রীর চেয়ে ৩ বছরের বড় হয় তবে দু`জনের মানসিক পরিপক্কতা সমান হবে। তা ছাড়া, ৩ বছর বড় হলে স্বামী একটু আগে পড়ালেখা শেষ করে কোনো একটা পেশা বেছে নেবে এবং নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবে। এটাও বয়সের ব্যবধান ৩ রাখার একটা কারণ। এখানে একটা বিষয় উল্লেখযোগ্য যে, কিশোর বয়সে মেয়েদের মানসিক বিকাশ ছেলেদের তুলনায় দ্রুত হয়।কিন্তু ২০ থেকে ৩০ বছর সময়কালটায় এ ক্ষেত্রে কোনো পার্থক্য দেখা যায় না।       আপনি যদি বিয়ের করার মতন পজিশনে থাকেন মানে আপনার যদি ভাল একটা জবের পজিশন হয় তাহলে পরিবার কে শেয়ার করতেই পারেন। কারন আগে থেকে আমরা অনেক কিছু চিন্তা করি কিন্তু এমন টা নাও হতে পারে তাই না? কারন আপনি যদি জব করেন এবং তাদের কে বুঝতে পারেন যে আপনি কি জন্য তাকে এত টা ভালবাসেন তাহলে তারা মেনেও নিতে পারে তাই না? তাই আগে নিজে একটা ভাল পজিশনে যেয়ে নিজের মনে কথা শেয়ার করতেই পারেন।                                                                                                                                                                                   আশা করি কিছুটা সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়াকে জানাবেন। আপনার প্ররয়োজনে রয়েছে পাশে সবসময় মায়া।  

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও