প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এটা নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাবেনা গ্রাহক, করোনা ভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর প্রাথমিক লক্ষণ: প্রথম দিন-তৃতীয় দিন : ১. সর্দি-কাশির মতো লক্ষণ দেখা দেয়। ২. হালকা গলা ব্যথা। ৩. জ্বর থাকবে না, ক্লান্তও অনুভূত হবে না। এই সময়ও রোগী স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ ও পান করতে পারে।  চতুর্থ দিন: ১.গলায় কিছুটা ব্যথা অনুভূত হয়, শরীর মাতাল ভাব অনুভব করে। ২. কণ্ঠস্বরে ব্যথা অনুভূত হয়। ৩. শরীরের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৩৬.৫ ডিগ্রি। ৪. খাদ্যাভাসে সমস্যা দেখা দেয়। ৫. হালকা মাথা ব্যথা অনুভূত হয়। এবং ৬. হালকা ডায়রিয়া দেখা দেয়। পঞ্চম দিন : ১. গলা ব্যথা হয় এবং কণ্ঠস্বর ভেঙে যায়। ২. শরীরের তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি -৩৬.৭ ডিগ্রিতে নেমে আসে। ৩. শরীর দুর্বল এবং জয়েন্টগুলিতে ব্যথা অনুভূত হয়। ষষ্ঠ দিন : ১. হালকা জ্বর শুরু হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা থাকে প্রায় ৩৭ ডিগ্রি। ২. শুকনো কাশি দেখা দেয়। ৩. খাবার খাওয়া বা গিলা এবং কথা বলার সময় গলায় ব্যথা হয়। ৪. ক্লান্ত এবং বমি বমি ভাব হয়। ৫. মাঝে মাঝে শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। ৬. আঙুলে ব্যথা অনুভব হয়। ৭. ডায়রিয়ার সাথে বমি হয়। সপ্তম দিন : ১. শরীরে অনেক জ্বর দেখা দেয় এবং তাপমাত্রা থাকে ৩৭.৪-৩৭.৮ ডিগ্রিতে। ২. অবিরাম কাশির সঙ্গে কফ পড়তে থাকে। ৩. শরীর ব্যথা এবং মাথা ব্যথা দেখা দেয়। ৪. ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়তে থাকে। এবং ৫. বমি হয়। অষ্টম দিন : ১. শরীরে জ্বর থাকে ৩৮ ডিগ্রি কিংবা এর উপরে। ২. শ্বাসকষ্ট অনুভূত হয় এবং প্রতিবার শ্বাস নেয়ার সময় বুক ভারি লাগে। ৩. অবিরাম কাশি হয়। ৪. মাথা ব্যথা, জয়েন্টগুলোতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। পাশাপাশি নিতম্বে ব্যথা হয়। নবম দিন : আগের সকল সিম্পটম থাকবে, তবে সেগুলো মারাত্মক আকার ধারন করা। যেমন জ্বরের অবস্থা আরো অবনতি, শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার অবস্থা। বিঃ দ্রঃএগুলোর যেকোনো একটা সাইন সিমটম্প দেখা দিলে, দ্রুত iedcr-এর ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করতে হবে। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও