‌গ্রাহক,‌  ‌কিছু‌ ‌প্রশ্ন‌ ‌করতে‌ ‌পারি‌ ‌কি?‌ ‌ আপনার‌ ‌কি‌ ‌এলার্জির‌ ‌কোন‌ ‌সমস্যা‌ ‌আছে?‌ ‌আপনার‌ ‌যোনি‌ ‌পথ‌ ‌থেকে‌ ‌কি‌ ‌কোন‌ ‌দুর্গন্ধযুক্ত‌ ‌স্রাব‌ ‌বের‌ ‌হয়?‌ ‌প্রস্রাব‌ ‌করতে‌ ‌কি‌ ‌কোন‌ ‌জ্বালা‌ ‌পোড়া‌ ‌হয়?‌ ‌শরীর‌ ‌এর‌ ‌আর‌ ‌কোথাও‌ ‌কি‌ ‌আপনার‌ ‌  ‌চুলকানি‌ ‌আছে?‌ ‌আপনার‌ ‌কি‌ ‌আর‌ ‌কোন‌ ‌শারীরিক‌ ‌অসুস্থতা‌ ‌আছে?‌ ‌আপনি‌ ‌কি‌ ‌নিয়মিত‌ ‌কোন‌ ‌ঔষধ‌ ‌খান?‌ ‌আপনি‌ ‌কি‌ ‌অরক্ষিত‌ ‌মিলন‌ ‌করেছেন?‌ ‌ ‌অনুগ্রহ‌ ‌করে‌ ‌আমাদের‌ ‌বিস্তারিত‌ ‌জানাবেন।‌ ‌তাহলে‌ ‌আপনাকে‌ ‌সাহায্য‌ ‌করতে‌ ‌সুবিধা‌ ‌হবে‌ ‌আমাদের‌ ‌জন্যে|‌ ‌ ‌যৌনাঙ্গের‌ ‌চুলকানি‌ ‌বা‌ ‌ইচিং‌ ‌হওয়ার‌ ‌অন্যতম‌ ‌কারণ‌ ‌সাধারণত‌ ‌Candida‌ ‌Albicans,‌ ‌এই‌ ‌ছত্রাকের‌ ‌কারণে‌ ‌যোনিতে‌ ‌চুলকানি‌ ‌হয়।‌ ‌এই‌ ‌ছত্রাক‌ ‌নরমালি‌ ‌মেয়েদের‌ ‌যৌনাঙ্গে‌ ‌পরজীবী‌ ‌হিসেবে‌ ‌থাকে।‌ ‌কিছু‌ ‌ল্যাকলোব্যাসিলাস‌ ‌নামে‌ ‌উপকারী‌ ‌ব্যাকটেরিয়া‌ ‌এই‌ ‌ছত্রাকের‌ ‌বংশবিস্তারকে‌ ‌নিয়ন্ত্রণে‌ ‌রাখে।‌ ‌কিন্তু‌ ‌এন্টিবায়োটিক‌ ‌খেলে,‌ ‌গর্ভাবস্থায়,‌ ‌দুশ্চিন্তাগ্রস্থ‌ ‌থাকলে,‌ ‌হরমোনাল‌ ‌ইমব্যালেন্স‌ ‌থাকলে‌ ‌ও‌ ‌খাদ্যাভাসের‌ ‌কারণে‌ ‌এই‌ ‌উপকারী‌ ‌ব্যাকটেরিয়া‌ ‌মরে‌ ‌যায়,‌ ‌ফলে‌ ‌ঈস্টগুলো‌ ‌তাদের‌ ‌জন্মের‌ ‌জন্য‌ ‌অনুকূল‌ ‌পরিবেশ‌ ‌পায়।‌ ‌এর‌ ‌কারণে‌ ‌যোনিতে‌ ‌ইনফেকশন‌ ‌হয়।‌ ‌উপসর্গ‌ ‌:‌ ‌-‌ ‌যোনি‌ ‌পথ‌ ‌দিয়ে‌ ‌ঘন,‌ ‌সাদা‌ ‌,থকথকে,দুর্গন্ধযুক্ত‌ ‌তরলের‌ ‌নির্গমন‌ ‌হয়।‌ ‌-‌ ‌চুলকানি,‌ ‌ব্যথা‌ ‌ও‌ ‌প্রদাহ‌ ‌হয়।‌ ‌-‌ ‌যৌন‌ ‌মিলনের‌ ‌সময়‌ ‌ব্যথ্যা‌ ‌হয়‌ ‌ও‌ ‌জ্বলে।‌ ‌ ‌এছাড়া‌ ‌যেসকল‌ ‌কারনে‌ ‌হয়ে‌ ‌থাকেঃ‌ ‌১।যৌনাঙ্গে‌ ‌উকুন,‌ ‌খোসপাচড়া‌ ‌ও‌ ‌মাইকোপ্লাজমা‌ ‌জেনেটালিয়াম‌ ‌এর‌ ‌সংক্রমণ‌ ‌হলে‌ ‌যোনিতে‌ ‌চুলকানি‌ ‌হয়।‌ ‌২।‌ ‌বিভিন্ন‌ ‌বিরক্তিকর‌ ‌পদার্থ‌ ‌যেমন‌ ‌–‌ ‌বিভিন্ন‌ ‌ডিটারজেন্ট,‌ ‌কেমিক্যাল,‌ ‌সুগন্ধিযুক্ত‌ ‌সাবান,‌ ‌রঙ‌ ‌ওয়ালা‌ ‌টিশ্যু‌ ‌পেপার,‌ ‌ফেমিনিন‌ ‌হাইজেনিক‌ ‌স্প্রে,‌ ‌ডুশ‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করলে‌ ‌যোনিতে‌ ‌চুলকানি‌ ‌হতে‌ ‌পারে।‌ ‌ ‌৩।‌  ‌ডায়াবেটিস,‌ ‌রেনাল‌ ‌ডিজিজ,‌ ‌একজিমা‌ ‌ও‌ ‌রক্তে‌ ‌কোন‌ ‌রোগ‌ ‌থাকলে‌ ‌ও‌ ‌অন্যান্য‌ ‌কোন‌ ‌রোগ‌ ‌থাকলেও‌ ‌যৌনাঙ্গে‌ ‌চুলকানি‌ ‌হয়।‌ ‌ ‌৪।মাসিকের‌ ‌সময়‌ ‌,‌ ‌অস্বাস্থ্যকর‌ ‌প্যাড‌ ‌ও‌ ‌কাপড়‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করলে।‌ ‌৫।যৌনাঙ্গ‌ ‌সবসময়‌ ‌গরম‌ ‌ও‌ ‌আর্দ্র‌ ‌রাখলে।‌ ‌৬।অপরিষ্কার‌ ‌থাকলে।‌ ‌এক্ষেত্রে‌ ‌আপনাকে‌ ‌অবশ্যই‌ ‌একজন‌ ‌গাইনি‌ ‌ডাক্তারের‌ ‌সাথে‌ ‌দেখা‌ ‌করে‌ ‌anti‌ ‌fungal‌ ‌ঔষধ‌ ‌খেতে‌ ‌হবে‌ ‌এবং‌ ‌মলম‌ ‌লাগাতে‌ ‌হবে।‌ ‌ ‌ ‌এছাড়া‌ ‌এই‌ ‌সমস্যা‌ ‌থেকে‌ ‌মুক্তির‌ ‌জন্য‌ ‌আপনাকে‌ ‌কিছু‌ ‌নিয়ম‌ ‌মেনে‌ ‌চলতে‌ ‌হবে,যেমন:-‌ ‌-‌ ‌প্রথমেই‌ ‌কাজ‌ ‌হবে‌ ‌আপনার‌ ‌যৌনাঙ্গ‌ ‌পরিষ্কার‌ ‌রাখা‌ ‌এবং‌ ‌নিজের‌ ‌স্বাস্থ্য‌ ‌ভালো‌ ‌করা।.প্রত্যেকবার‌ ‌টয়লেটের‌ ‌কাজ‌ ‌সারার‌ ‌পর‌ ‌উষ্ণ‌ ‌পানি‌ ‌ও‌ ‌ভালো‌ ‌সাবান‌ ‌দিয়ে‌ ‌পরিষ্কার‌ ‌করে‌ ‌ভালো‌ ‌করে‌ ‌মুছে‌ ‌জায়গাটি‌ ‌শুকনো‌ ‌রাখবেন।তাহলে‌ ‌চুলকানি‌ ‌হওয়ার‌ ‌হাত‌ ‌থেকে‌ ‌রেহাই‌ ‌পাওয়া‌ ‌যাবে।‌ ‌ ‌-‌  ‌ব্যবহার‌ ‌করা‌ ‌পায়জামা‌ ‌ও‌ ‌অন্যান্য‌ ‌কাপড়‌ ‌সবসময়‌ ‌পরিষ্কার‌ ‌করে‌ ‌ধুয়ে‌ ‌ভালো‌ ‌মত‌ ‌রোদে‌ ‌শুকাতে‌ ‌হবে.‌ ‌ ‌-‌ ‌সবসময়‌ ‌একদম‌ ‌ঢিলেঢালা‌ ‌সুতির‌ ‌অন্তর্বাস‌ ‌পরিধান‌ ‌করুন।‌ ‌দিনে‌ ‌দুবার‌ ‌অন্তর্বাস‌ ‌বদলে‌ ‌ফেলুন।‌ ‌এছাড়া‌ ‌ঘামে‌ ‌ভেজা‌ ‌অন্তর্বাস‌ ‌বেশি‌ ‌সময়‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করবেন‌ ‌না‌ ‌।এতে‌ ‌করে‌ ‌আপনার‌ ‌skin‌ ‌dry‌ ‌থাকবে।‌ ‌-‌ ‌গোপন‌ ‌অঙ্গের‌ ‌জন্য‌ ‌একদম‌ ‌মাইলড‌ ‌কোন‌ ‌সাবান‌ ‌বা‌ ‌পরিশকারক‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করুন।‌ ‌নিউট্রিজেনার‌ ‌লিকুইড‌ ‌সোপ‌ ‌বা‌ ‌গন্ধ‌ ‌বিহীন‌ ‌বিদেশী‌ ‌সাদা‌ ‌ডাভ‌ ‌সাবান‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করতে‌ ‌পারেন।‌ ‌এমন‌ ‌কিছু‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করবেন‌ ‌যাতে‌ ‌সুগন্ধী‌ ‌নেই।‌ ‌-‌ ‌একটি‌ ‌under‌ ‌wear‌ ‌কখনো‌ ‌২৪‌ ‌ঘণ্টার‌ ‌বেশি‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করবেন‌ ‌না‌ ‌-‌ ‌বেশি‌ ‌চুলকাবেন‌ ‌না।‌ ‌-মিষ্টি‌ ‌জাতীয়‌ ‌খাবার‌ ‌কম‌ ‌খাবেন।‌ ‌কার্বোহাইড্রেট‌ ‌জাতীয়‌ ‌খাবারও‌ ‌কম‌ ‌খাবেন।‌ ‌ইস্ট‌ ‌ইকফেকশন‌ ‌হয়ে‌ ‌থাকলে‌ ‌এতে‌ ‌অনেকটাই‌ ‌কাজ‌ ‌দেবে।‌ ‌-‌ ‌রাতের‌ ‌বেলা‌ ‌অন্তর্বাস‌ ‌পরে‌ ‌ঘুমাবেন‌ ‌না।‌ ‌বিশেষ‌ ‌করে‌ ‌গরমের‌ ‌দিনে।অন্তর্বাস‌ ‌পরে‌ ‌ঘুমালে‌ ‌চুলকানি‌ ‌হওয়ার‌ ‌আশঙ্খা‌ ‌বেড়ে‌ ‌যায়।‌ ‌-‌ ‌গোপন‌ ‌অঙ্গে‌ ‌পাউডার‌ ‌ব্যবহারের‌ ‌অভ্যাস‌ ‌থাকলে‌ ‌বেবি‌ ‌পাউডার‌ ‌ব্যবহার‌ ‌করুন।‌ ‌-‌ ‌এমন‌ ‌চুলকানি‌ ‌হলে‌ ‌যৌনমিলন‌ ‌কিছুদিন‌ ‌বন্ধ‌ ‌রাখা‌ ‌উচিত।‌ ‌নাহলে‌ ‌সঙ্গীর‌ ‌পুরুষাঙ্গে‌ ‌ইনফেকশন‌ ‌ছড়াতে‌ ‌পারে।‌ ‌ ‌ ‌যদি‌ ‌উপরে‌ ‌উল্লেখিত‌ ‌বিষয়‌ ‌গুলো‌ ‌বুঝতে‌ ‌পারেন,‌ ‌তাহলে‌ ‌অবশ্যই‌ ‌একজন‌ ‌গাইনি‌ ‌ডাক্তারের‌ ‌সাথে‌ ‌দেখা‌ ‌করবেন‌ ‌সমস্যাটি‌ ‌নিয়ে।উনি‌  ‌পরীক্ষা‌ ‌করে‌ ‌সঠিক‌ ‌কারন‌ ‌বের‌ ‌করে‌ ‌এর‌ ‌উপযুক্ত‌ ‌চিকিৎসা‌ ‌দেবেন‌ ‌।‌ ‌  আপনার আর কোন জিজ্ঞাসা থাকলে প্রশ্ন করুন।মায়া সবসময় আপনাদের পাশে আছে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও