গ্রাহক,আপনার মনের কথা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। আপনি মা হতে চলছেন যা খুবই আনন্দের সংবাদ। এ সময়ে হরমোনের কারণে শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন আসে। সেজন্য নিজেকে বুঝতে এবং অন্যন্য সম্পর্ককে বুঝতে সময় নেওয়া প্রয়োজন। আপনি জানিয়েছেন পারবারিক কারণে আপনি টেনশন ও চাপ অনুভব করেন। নিজেকে স্বাভাবিক রাখতে পারছেন না,তাই কি?আপনি নিজের প্রতি সচেতন যা খুব ইতিবাচক মনোভাব। আপনার এই সচেতনতা আপনাকে সাহায্য করবে মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে।আপনি যদি সময় নিয়ে ভেবে দেখেন পরিবারের কোনদিক বা কি কি পরিবর্তনের জন্য আপনি টেনশন করেন এবং সেগুলো কিভাবে কমানো যায়। যদি কমানোর জন্য আপনার কোন ভূমিকা না থাকে মানে আপনার পক্ষে সম্ভব না হয় চেঞ্জ করার তাহলে ভেবে দেখা সেক্ষেত্রে নিজেকে কিভাবে রাখলে/ নিজের মাঝে কোণ পরিবর্তন আনলে আপনার টেনশন কমে আসবে। যেমন, ধরুন- পরিবারের অন্য সদস্যরা ঝগড়া করছে সেখানে আপনি যাওয়ায় আপনার সাথেও ঝগড়া শুরু করল। এজন্য আপনি চাপ অনুভব করছেন। এক্ষেত্রে আপনি যদি নিজেকে স্থির রেখে স্থান ত্যাগ করে চলে আসেন এবং কারো কথায় মনে না নিয়ে নিজের মত অন্যকিছুতে মনোযোগ দিলেন তাহলে সে পরিবেশ আপনাকে কিন্তু মানসিকভাবে চাপ দিবে না।এরকম করে নিজেকে কিছুওক্ষেত্রে পরিবর্তন করা। সেসাথে স্বামীর সহযোগিতা নেওয়া যেন পারিবারিক কারণে যে চিন্তা হচ্ছে তাতে উনি সাহায্য করে।পাশাপাশি মানসিক সুস্থতার জন্য যা করতে পারেন তা হলঃ -- নিজের পছন্দের কাজে করা এর ফলে কাজের প্রতি আগ্রহ থাকে এবং অন্য কাজের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়-- নিজের সখের পরিচর্চা করা। নিজেকে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে এর মাধ্যমে।--পরিবারের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা। পরিবার হল সবচেয়ে কাছের আশ্রয় যেখানে থাকলে নিরাপদ মনে হয় এবং মন শান্ত থাকে। --বন্ধু/কাছের মানুষদের সাথে সময় কাটানো। সপ্তাহে এক/দুইদিন মনের কথা খুলে বলা যায় এমন বন্ধুদের সাথে সময় কাটালে মনে জমে থাকা কথা শেয়ার হয় পরষ্পরের এবং সম্পর্ক গভীর হতে থাকে এই শেয়ারিং এর মাধ্যমে।--ইতিব্যাক চিন্তা করা নিজের প্রতি এবং অন্যের প্রতি-- বর্তমানে থাকা মানে অতীত নিয়ে চিন্তা না করে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে কাজে লাগানো এবং ভবিষতে কি হবে তা না ভেবে বর্তমানে সাধ্যমত চেষ্টা করলে ভবিষ্যত এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। -- মেডিটেশন করা। মেডিটেশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শরীরকে শিথিল করে মানসিক ভাবে প্রাশান্তি এনে দেয়। দুচিন্তা,রাগ, আবেগ, হতাশা থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে দীর্ঘ নিঃশ্বাস নেওয়ার ফলে মস্তিস্কে বিশুদ্ধ অক্সিজেন প্রবেশ করে মস্তিস্ককে অনেক শিথিল করে  ফলে মনে প্রশান্তি আসে। আশা করি সহযোগিতা করতে পেরেছি, ধন্যবাদ আপনাকে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও