প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।মাথা ব্যাথা অনেক কষ্টের একটি রোগ। যার হয় সেই বোঝে এর কত যন্ত্রনা। কিন্তু সাধারণভাবে মানুষ যখন কোন টেনশনে ভোগে তখন সৃষ্টি হয়। কিন্তু যদি সব সময় এবং দীর্ঘদিন ধরে এটি হতে থাকে তথন এটি সম্পর্কে অবশ্যই ভাবা উচিত। কেননা এটি তখন আর স্বাভাবিক কোন মাথা ব্যাথা থাকে না। তখন তা পরিণত হয় একটি রোগে। যাকে মাইগ্রেন বা বাংলায় অর্থ মাথা ব্যাথা বলা হয়ে থাকে। মূলত মাইগ্রেন কেন হয়ে থাকে তার সঠিক কোন তথ্য খুজে পাওয়া যায় নি। তবে ধারনা করা হয় যে, ব্রেনের ভেতরে রক্তবাহীনালীসমূহ কোনো কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। বমি না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যথা কমে না। মাইগ্রেন (মাথাব্যথা) একবার শুরু হলে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত একাধারে চলতে পারে। যার ফলে কাজ কিংবা পড়ালেখায়ও ক্ষতি হতে পারে। যারা পূর্বে থেকে মাইগ্রেন সমস্যায় ভুগছেন তাদের ব্যাথা ওঠার বেশ কিছু পূর্বাভাস অনুভুত হতে পারে। এছাড়া টেনশন, পরীক্ষা বা চাকরির অত্যন্ত চাপ, মানসিক অশান্তি, বাস বা গাড়িতে অনেকক্ষণ যাত্রা করা, মহিলাদের বেশিক্ষণ গরমে রান্না ঘরে থাকা, মাসিকের সময় ইত্যাদি নানাবিধ কারণে মাইগ্রেন শুরু হতে পারে। সাধারণ মাইগ্রেন হলে সাধারণত খুব বেশি মাথাব্যথা হয় না। বমি ভাব থাকতে পারে। কখনও এক বা দুই সপ্তাহ প্রচণ্ড মাথাব্যথা থাকে এবং রোগী ব্যথায় ছটফট করেন। আবার অনেক সময় ঘুম থেকে সকালে উঠেই ব্যথা শুরু হয়। এ রোগের কোন প্রতিকার নেই। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোনো না কোনো সময়ে কোনো না কোনো কারণে এই মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। মূলত সাধারন মাইগ্রেন এর ক্ষেত্রে প্যারাসিটামল খেলেই ব্যাথা অনেকাংশে কমে আসে। যদি মাইগ্রেন বারবার হতে থাকে এবং কাজে বাধা সৃষ্টি করে, তবে কিছু শক্ত ব্যাথানাশক ওষুধ এবং এর সাথে যাতে বারবার ব্যাথা ফিরে না আসে সে জন্য কিছু প্রতিষেধক ওষুধ দেওয়া হয়। এছাড়াও চশমার পাওয়ারেও অনেকটা উপকার লাভ করা সম্ভব। তবে একটা কথা রোগ কখনো অবহেলা না করাটাই ভালো । সেটা যত ক্ষু্দ্রই হোক না কেন। কেননা ছোট রোগ ভেবে অবহেলা করলে অনেক সময় সেই রোগটিই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাড়াতে পারে। তাই মাথা ব্যথা হলে অবহেলা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত ।যেহেতু মোবাইল ফোন use করলে আপনার মাথা ব্যাথা বাড়ে আপনি হেডফোন ব্যবহার করবেন যাতে মোবাইল এর ডাইরেক্ট radiation ও vibration টি না লাগে। এবং আপনি আপনার চোখটি পরীক্ষা করান এবং প্রয়োজনে চশমা ব্যবহার করেন চক্ষু ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। কাছের থেকে টিভি দেখবেননা এবং দীর্ঘসময় কম্পিউটার স্ক্রিন এর দিকে তাকিয়ে থাকবেননা। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও