ধন্যবাদ গ্রাহক আপনার প্রশ্নের জন্য।অনিয়মিত পিরিয়ড বলতে ২১ দিনের আগে এবং ৩৬ দিনের পরের পিরিয়ডকে বুঝায়। প্রথম কয়েক বছর প্রাথমিক পর্যায়ে পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে হরমোনাল ব্যালান্সের উঠানামার কারণে। এটা জানা জরুরী আপনার বয়স কত? কখন আপনার প্রথম পিরিয়ড শুরু হয়েছে? সব সময়েই তা অনিয়মিত ছিল কিনা? অন্য কোন উপসর্গ ? আপনি কোন ওষুধ খান কিনা? আপনি সম্প্রতি ওরাল জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল বন্ধ করেছেন কিনা? আপনার অন্য কোন সমস্যা বা স্ত্রী- রোগ আছে কিনা? অনেক কারণেই আপনার পিরিয়ড প্রভাবিত হতে পারে, জীবন - যাত্রার ধারা পাল্টানো যেমন-হঠাত ওজন অনেক কমে যাওয়া,অধিক ব্যায়াম ও অধিক দুঃশ্চিন্তা,থাইরয়েডের সমস্যা, contraceptive বন্ধ করা অথবা চিকিৎসা বা স্ত্রী-রোগ বিষয়ক অবস্হা। যা হোক আপনার যদি প্রায়ই ঘন ঘন অথবা অনেক সময়ের ব্যাবধানে পিরিয়ড হয় তাহলে কিছু মেডিকেল কনডিশনকে বাতিল করার জন্য একজন gynaecologist এর সাথে আলোচনা করা প্রয়োজন ।গ্রাহক, আপনার কি জ্বর আছে? আপনি কি পানি কম খাচ্ছেন?প্রস্রাবে কি জ্বালাপরা আছে?ইউরিন ইনফেকশনে এমন হতে পারে তবে প্রস্রাব পরীক্ষা করা ছাড়া নির্দিষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না । অনুগ্রহ করে একটি ইউরিন R/M/E করবেন ও রিপোর্ট টি লিখে জানাবেন । আপনাকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবেযেমন - প্রচুর পানি খেতে হবে। তল পেট ব্যাথ বা ইউরিন ইনফেকশন হলে কিংবা ঘন ঘন ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা থাকলে ঘুমোতে যাওয়ার আগে এবং ঘুম থেকে জাগার পর প্রস্রাব করতে হবে। প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা উচিত। পানির পরিমাণ এত বেশি হওয়া উচিত যাতে দৈনিক কমপক্ষে দুই লিটার প্রস্রাব তৈরি হয় যা দিনে দুই থেকে তিন ঘন্টার মধ্যে প্রস্রাব করতে হবে। কখনো প্রস্রাব আটকে রাখা যাবে না। বাথরুম ব্যবহারের পরে টয়লেট টিস্যু পিছন থেকে সামনের দিকে না এনে সামনে থেকে পিছনের দিকে ব্যবহার করা, যাতে মলদ্বারের জীবাণু মূত্র পথে এসে সংক্রমণ করতে না পারে। প্রতিদিন কম পক্ষে ২ থেকে ৩ লিটার পানি খাওয়া উচিৎ। তাছাড়া তরল জাতীয় খাবার, ইসুপগুলের ভুসি-মিছরির শরবত, অ্যালোভেরার শরবত, আখের গুঁড়, ফলের ফ্রেস জুস,ডাবের পানি বা লেবুর শরবত খেতে পারেন। বাসার বাইরে গেলেও সব সময়সঙ্গে পানি রাখুন। এক্ষেত্রে কর্যকরী সমাধান পেতে আরও খেতে পারেন ভিটামিন সি জাতীয় খাবার। ভিটামিন সি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়তা করে। ভিটামিন সি মুত্রথলীকে ভালো রাখেএবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ভাব কমাতে সহায়তা করে। আর এই সময়ে ইনফেকশন কিডনিতে ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ইউরিন ইনফেকশন ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে সারিয়ে ফেলা উচিত। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আপনার আর কন জিজ্ঞাসা থাকলে প্রশ্ন করুন।মায়া সবসময় আপনাদের পাশে আ

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও