আসলামুয়ালাইকুম। আমার বয়স বাইশ। আমি একজন ছেলে। আমি একটা টাইমে তিন চার মাস এডিক্টেড ছিলাম সেটা প্রায় ৬/৭ বছর আগে। এর পর সেখান থেকে বেরিয়ে এসেছি। তবে তার পর থেকে আমি ঘুমাতে পারি না। রাতে আমার একটুও ঘুম হয় না। প্রচন্ড অস্থিরতা কাজ করে ব্যাকমাইন্ড আমায় গ্রাস করে রাখে ডিপ্রেশনে এ ভুগি একাকিত্ব আমায় ছাড়ে না। মানসিক যন্ত্রনায় ভুগি। খাওয়ায় রুচি নেই।এমন ও হয় তিন চার দিন আমার খাওয়ার খোজ থাকে না। যার জন্য চোখের নিচে কালো দাগ, খুব বাজে রকমের শরীর ভেংগে গেছে। মনে হয় আমার হাড্ডি ক্ষয়ে যাচ্ছে এমন শব্দ হয় হাটুতে।ইদানিং আমি  ঠিক মতো হাটতে পারি না। এতটাই দুর্বল হয়ে গেছি। আমি এখান থেকে ফিরতে চাই। প্লিজ। আমার এখন করনীয় কি কিভাববে আমি এখান থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারি...??

প্রিয় গ্রাহকআপনার বিষয়টি আমার সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এটা খুব ভালো বিষয় যে আপনি নিজের অনুভুতির প্রতি সচেতনআপনি নিজ প্রচেষ্টায় এডিকশন থেকে বেরিয়ে এসেছেন এটা প্রশংসনীয় বিষয়গ্রাহক এখন আপনার কোন বিষয়গুলো নিয়ে বিষণ্ণতা কাজ করছে ব্যাক মাইন্ড এ কি কি চিন্তা হয় এটা শনাক্ত করা খুব ই জরুরি তাহলে হয়তো আপনি সহজে বের হয়ে আসতে পারবেনশারীরিক কোন অসুস্থতা রয়েছে কি? দৈনন্দিন জীবনে অনেক কারণেই আমাদের মধ্যে মানসিক অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।অস্থিরতার সময়ে ব্যক্তির মধ্যে কিছু শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। অস্থিরতার কারণে ব্যক্তি প্রচণ্ড অস্বস্তিতে ভুগতে থাকে, অযথা বিরক্ত বোধ করে, মনের মধ্যে একটা অশান্তিবোধ থাকে। ১. অস্থিরতা দেখা দিলে প্রথমে ব্রিদিং রিলাক্সেশন করুন। নাক দিয়ে ধীরে ধীরে গভীর শ্বাস নিন। বুক ভরে ভেতরের সব খালি জায়গা বাতাসে ভরে ফেলুন। দমটা অল্পক্ষণ আটকে রাখুন। তারপর মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। এভাবে পরপর তিনবার করুন।২. গান শোনা, গল্পের বই পড়া, কবিতা পড়া, বাগানে সময় কাটানো—এমন ধরনের নিজের ভালোলাগার কাজগুলো করুন। কাজগুলো মনটাকে অন্য দিকে সরিয়ে দিয়ে অস্থিরতা কাটাতে সাহায্য করবে।৩. মনের অস্থিরতা কমাতে ফেলে আসা জীবনের কিছু ভালো স্মৃতি মনে করুন।৪. অস্থিরতার বিষয়টিকে পাত্তা না দেওয়ার চেষ্টা করুন।৫. অনেক সময় যে কারণে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেই বিষয়টি কারো সঙ্গে শেয়ার করলে অস্থিরতা কমে যায়। তাই যাকে আপনি আস্থা মনে করেন এবং যার সঙ্গে শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তার সঙ্গে বিষয়টি শেয়ার করুন।৬। মানসিক অস্থিরতা বোধ করার সঙ্গে সঙ্গে যদি সবার কাছ থেকে নিজেকে আলাদা করে, একা থেকে অস্থিরতার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে থাকেন, তবে আপনার মানসিক অস্থিরতা না কমে বরং আরো বাড়বে। তাই এমন অবস্থায় যে পরিস্থিতিতে আছেন তা ত্যাগ করুন। উঠে গিয়ে মুখ-হাতে পানি দিন। ঘরে থাকলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাড়ির অন্যদের সঙ্গে সময় কাটান,৭ প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম করুন, নিয়মিত হাঁটুন। মানসিক প্রশান্তির জন্য ইয়গা মেডিটেশন করতে পারেনসেই সাথে পুষ্টিকর খাবার এবং পরিমিত পরিমানে ঘুমানো সাস্থের জন্য অপরিহার্য বিষয়পাশে রয়েছেমায়া

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও