বসন্তের আরামদায়ক আবহাওয়ায় জলবসন্তসহ নানা রোগের প্রকোপ দেখা দেয়. জলবসন্তে আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রদাহ ও ব্যথা থাকে।ভাইরাস সংক্রমণে এ রোগের শুরুতে শরীর ম্যাজম্যাজ, হালকা ব্যথা, অল্প জ্বর থাকবে, গায়ে ছোট ছোট বিচি বা র‍্যাশ উঠবে। সাধারণত এ র‍্যাশ বুকে-পিঠে দেখা যায়, তবে সারা শরীরেই উঠতে পারে। এ বিচিগুলোতে পানি থাকে, দেখতে অনেকটা ফোসকার মতো।এ রোগীকে আলাদা ঘরে রাখতে হবে। থালাবাসন, কাপড়চোপড় বা রোগী স্পর্শ করে এমন সবই অন্যদের থেকে পৃথক করে দিতে হবে। কুসুম গরম পানিতে গোসল করা ভালো।অনেক সময় মুখে ও মুখগহ্বরে ক্ষত থাকতে পারে। এ কারণে খাবার হতে হবে সহজপাচ্য, কম মসলা ও লবণযুক্ত। খেয়াল রাখতে হবে খাবারে যেন বেশি পরিমাণ ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ও ক্যালরি থাকে। একবারে রোগী বেশি খেতে পারবে না বলে বারবার খাওয়াতে হবে। কম স্নেহযুক্ত আইসক্রিম, মিল্ক শেক, ঠান্ডা দই, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, স্যুপ, ফলের রস, ডালের পানি ইত্যাদি বেশি করে খেতে দিতে হবে রোগীকে।এ ছাড়া অনেকে আক্রান্ত শিশুদের বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখেন, যা ঠিক নয়। শিশুকে অবশ্যই বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।এমন কোনো খাবার খাবেন না যা থেকে রোগীর পূর্ব থেকে শরীরে অ্যালার্জি বা চুলকানি হতো। চিকেন পক্সের ক্ষত খোঁটা যাবে না। খুঁটলে স্থায়ীভাবে দাগ বসে যাবে। এ নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। ছয় মাসের মধ্যে দাগ এমনিতেই চলে যায়।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়াকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও