গ্রাহক,আমি কি আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারি?কিছু কিছু বিস্তারিত তথ্য জানলে আপনাকে সাহায্য করতে সহজ হবে আমাদের জন্যে। কতদিন ধরে আপনার এই সমস্যাটি হচ্ছে?মাথা ব্যাথাটি কি ধরণের? চাপা ব্যাথা না তীব্র ব্যাথা? ব্যাথা কি পুরা মাথা জুরে থাকেোয়? মাথা ব্যাথার কিছু কারণ ও করণীয়--অনেক সময় দেখা যায় কোন কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তা করলে বা ঘুম ঠিক মতো না হলে মাথা ব্যাথা হয়।এই ক্ষেত্রে আপনি প্রতিদিন নিয়মিত ৮-১১ ঘণ্টা ঘুমানর চেষ্টা করুন ও দুশ্চিন্তা মুক্ত থাকুন।- ঠাণ্ডা থেকেও মাথা ব্যাথা হতে পারে। একে বলা হয় Sinusitis. এই ব্যাথা টি কপালে আর নাকের দুই ধারে হয়ে থাকে। আপনার ব্যথাতি কি মাথা নিচু করলে বেশি বাড়ে? এই ক্ষেত্রে আপনাকে ঠাণ্ডার ঔষধ খেতে হবে। নাপা ও খেতে পারেন।চোখের পাওয়ার কমলে বা বাড়লে মাথা ব্যাথা হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে আপনি একজন Eye Specialist এর সাথে দেখা করতে পারেন। আপনার মাথা ব্যাথা কি সবসময় থাকে নাকি কোন কাজ করতে গেলে হয় যেমন পড়াশোনা বা computer ব্যবহার করা? চোখের পাওয়ার কমলে বা বাড়লে মাথা ব্যাথা হতে পারে। সেই ক্ষেত্রে আপনি একজন Eye Specialist এর সাথে দেখা করতে পারেন। আপনার মাথা ব্যথা টি যদি কপালের সামনে ও দুই পাশে থাকে এবং ব্যাথার সাথে বমি ভাব বা বমি বা আল/শব্দ সজ্য করতে না পারার সমস্যা থাকে তাহলে আপনি হয়তো Migraine headache এ ভুগছেন।এই ক্ষেত্রে আপনি একজন Medicine Specialist এর সাথে দেখা করতে পারেন। -আবার অনেক সময় কপালের দুই ধারে ব্যাথা হতে পারে যা ৩০ মিনিট থেকে কিছু ঘণ্টা বা কিছু দিন পর্যন্ত থাকতে পারে।একে বলা হয় Tension headache. সাধারনত এই ধরণের ব্যথা আপনার দৈনন্দিন জীবনে কোন বাধা সৃষ্টি করেনা।Stress বা dehydration এর কারণে হয়ে থাকে।এই ধরণের ব্যাথার জন্য আপনি Paracetamol খেতে পারেন। প্রেসার এর কারণেও মাথা ঘার ব্যথা হতে পারে। আপনি কি আপনার প্রেসার মাপিয়েছেন কখনো? আপনার মাথা ব্যথা যদি বেশি তীব্র হয় বা অনেক দিন ধরে আছে তাহলে আপনি অবশ্যই একজন medicine doctor এর সাথে দেখা করে উনার পরামর্শ নিবেন। গ্রাহক, গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা বা গ্যাস্ট্রাইটিস এর সমস্যা কোন বড় কিছু নয়। লাইফস্টাইল মডিফিকেশনের মাধ্যমে সহজেই এটা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। গ্রাহক গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা কমানোর জন্য শুধু ওষুধ যথেস্ট নয় , এর জন্য জীবন ধারার কিছু পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। নিচে কিছু নিয়ম দিয়া হলো যা এই সমস্যা কমাতে সাহায্য করবে, যদিও সবার জন্য একই নিয়ম হয়ত কাজ করবে না। তারপর চেস্টা করে দেখতে পারেন। # দৈনন্দিন কাজগুলো সময় মেনে করুন যেমন কাজের জন্য খাওয়া এবং ঘুমের সময় যেন প্রভাবিত না হয়।# অতিরিক্ত বেশি বা কম উভয় ওজনের মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি হয়। তাই উচ্চতা এবং বয়স অনুযায়ী যেন ওজন সাভাবিক সীমার মধ্যে থাকে#যেসকল খাবার গ্যাস্ট্রিক এর সমস্যা বাড়িয়ে দেয় তা যতই পছন্দের হোক এড়িয়ে চলতে হবে - তেল মশলা এবং চর্বি যুক্ত খাবার, অতিরিক্ত চা, কফি, টক জাতীয় ফল ইত্যাদি।# একসাথে অনেক খাবার না খেয়ে বার বার অল্প অল্প করে খান।#খাওয়ার ঠিক পরেই শুয়ে পরা ঠিক না।# সিগারেট এবং মদ্যপানের অভ্যাসথাকলে ত্যাগ করতে হবে।# অনেকের কিছু খাবারে এসিডিটি বেশি হয় সেগুলো বাদ দিতে হবে।নিয়মিত খাওয়া কিছু ওষুধ যেমন প্রেসার , পেইন কিলার, হাপানি কিছু এন্টি বায়োটিক, আইরন ট্যাবলেট , এলার্জির ওষুধ খেলে এসিডিটি বেশি হয়, সেই রকম ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে মায়া কে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও