দুপুরের ঘুমের সঠিক মাত্রা: ১৫ মিনিট থেকে আধা ঘণ্টার ঘুম শারীরিক জড়তা কাটিয়ে মন মেজাজ সতর্ক করার জন্য যথেষ্ট।তবে কেউ যদি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকেন, সেক্ষেত্রে তার উচিত হবে ৯০ মিনিটের লম্বা ঘুম এবং এর বেশি নয়। এর কারণ হল, এসময়ে সে ঘুমের গভীর পর্যায়ে যেতে পারবে এবং জেগে উঠবে সতর্ক অবস্থায়।তবে এর মাঝামাঝি সময়ে ঘুম ভেঙে গেলে মেজাজ খিটখিটে বা শরীর আরও বেশি ম্যাজম্যাজে হয়ে থাকতে পারে। সঙ্গে সামান্যা মাথাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।শরীরচর্চা আর ঘুম: গবেষকদের মতে, শরীরচর্চার পরপরই ঘুমানো উচিত নয়। কারণ শরীরচর্চার সময় মস্তিষ্ক উজ্জীবিত হয়, সে কারণে ঘুমানো কষ্টকর হয়ে যায়। তাই শরীরচর্চা আর ঘুমানোর মাঝে কমপক্ষে দুই ঘণ্টার একটি বিরতি থাকা উচিত। অপরদিকে দুপুরের ঘুমের একটি নির্দিষ্ট সময় মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। এতে শরীর ওই সময় নিজে থেকেই ঘুমের জন্য তৈরি হয়ে যাবে।সবার জন্য নয়: মনে রাখতে হবে, যদি দুপুরের ঘুমটা প্রয়োজনীয় মনে না হয় তবে না ঘুমানোই ভালো। সবাই এসময় ঘুমাতে পারে না।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও