প্রিয় গ্রাহক,মাসিক প্রতিটি মেয়ের একটা স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া।প্রতি মাসে ডিম্বাশয় একটি ডিম্বাণু উৎপাদন করে। সবচেয়ে পরিপক্ক বা পূর্ণাঙ্গ ডিম্বাণুটি ডিম্বনালির মধ্য দিয়ে জরায়ুতে চলে যায়। যখন ডিম্বাণু পরিপক্ক হয় তখন শরীর জরাযুতে রাসায়নিক সংকেত পাঠায়। ফলে জরায়ুর ভিতরের অংশ পুরু হয়ে ওঠে। ডিম্বাশয় থেকে পরিপক্ক ডিম্বাণু বেরিয়ে এসে ডিম্বনালীতে অবস্থান নেয়। এই পুরো প্রক্রিয়াকে বলে হয় ডিম্বাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া। ডিম্বানুটি শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত হলে গর্ভসঞ্চার হয়। আর যদি গর্ভবতী না হয়, তাহলে অনিষিক্ত ডিম্বাণুটি নষ্ট হয়ে যায় ও জরায়ুর পুরু আবরণটিও ভেঙে যায় যা শরীর থেকে রক্তের আকারে বের হয়ে আসে। এভাবেই মাসিকের শুরু হয়।মাসিক সাধারনত ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সে হয়ে থাকে তবে এই সময়ের আগে এবং পরেও হতে পারে।  মাসিক প্রতিমাসে হয় এবং ২ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত চলে। এইসময় অনেকের তলপেটে ব্যথা, মাথাব্যথা এবং শারীরিক দুর্বলতা বোধ হয়। বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার , প্রচুর পানি খেতে হবে মাসিকের সময়ে ,সেইসাথে প্রয়োজন মত বিশ্রাম নিতে হবে। ইনফেকশন এড়াতে পরিষ্কার পরিছন্ন থাকা জরুরি। এই সময় স্যানিটারি ন্যাপকিন ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা পর পর পাল্টাতে হবে।  মাসিক শুরু হবার পর প্রথম ৫ থেকে ৭ বছর নিয়মিতভাবে নাও হতে পারে। যেহেতু মাসিক হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় , তাই হরমোনের মাত্রা কম্ বেশি হলেই মাসিকের উপর প্রভাব পড়ে। এতে ভয়ের কিছু নাই। তবে মাসিক হঠাত বন্ধ হয়ে গেলে , অনিয়মিত হলে বা ৮ দিনের বেশি চললে ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ করা উচিত।  আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও