প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বয়স কত ? আপনার কি এলার্জির সমস্যা আছে ? আপনার সাথে অন্য আর  কোন ধরনের সমস্যা হয় - হাঁচি, ঘন ঘন সর্দি লাগা, নাক চুলকানো, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, কারো কারো চোখ দিয়েও পানি পড়া এবং চোখ লাল হয়ে যাওয়া, চুলকানি , কাশি ইত্যাদি ?  আমাদের জানান।   আপনার এলার্জির সমস্যা থাকলে ,এমন কাশি এবং সাথে  উপরের এক বা একাধিক লক্ষন থাকতে পারে।এই কাশি ,চুলকানি হাঁচি, সর্দি,কাশি উপসর্গ মাত্র। এসব কিছুই এলার্জি সংক্রান্ত রোগ। আবার সব হাঁচি যে এলার্জি সংক্রান্ত তা-ও নয়। এ সময় সকালের দিকে অনেক হাঁচি হতে পারে। নাক দিয়ে হঠাৎ করে পানি পড়ে এবং কাশি হয়ে থাকে। অনেকের ত্বকে অযথাই চুলকানি শুরু হয়। এই এলার্জি যখন নাকে যায় তখন নাকের ঝিল্লির ওপর বসে প্রতিক্রিয়া শুরু করে তখন হাঁচি শুরু হয়। যখন গলায় যায় তখন কাশি হয় এবং যখন ত্বকে এলার্জি হয় তখন এটি চুলকানি আকারে প্রকাশ পায়। এলার্জি থাকে সাধারনত  নতুন খাবার , ধোঁয়া, ধুলা, ফুলের রেনু, গরম ইত্যাদি। এটা জানা জরুরি যে আপনার কি কারণে এলার্জি হচ্ছে? না হলে এর ফলে যে সমস্যা হচ্ছে তা বন্ধ করা মুশকিল।  তবে গ্রাহক,  আপনার কাশি যদি তিন সপ্তাহের বেশি হয়ে যায় তাহলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা করতে হবে।  আপাতত আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন -  গার্গল বা কুলকুচি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করতে হবে। এক সপ্তাহ প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। মধু: এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়। এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চললে কাশি দ্রুত ভালো হয়ে যায়। এরপরও কাশি ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া ,এর জন্য কিছু সাধারণ নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে, যেমন ঃ - খুব গরম বা প্রচন্ড ঠান্ডা বাতাস এড়িয়ে যাবেন , - কোনো খাবার  বা নতুন কোনো খাবার খেলে যদি চুলকানি হয় তা লক্ষ্য করা জরুরি এবং সেই খাবার এড়িয়ে চলতে হবে. যেমন - সামুদ্রিক মাছ , চিঙড়ি , বাদাম, গরুর মাংস , ডিম - ধুলো ,সিগারেট-মশার কয়েলের ধোয়া এড়িয়ে যাবেন,  - সুতি পোশাক পড়বেন , ঘেমে গেলে দ্রুত কাপড় বদলে ফেলুন, - ছাতা এবং হাতপাখা সব সময় সাথে রাখবেন এবং ব্যবহার করবেন , - সম্ভব হলে শরীর এর তাপমাত্রা র পানি দিয়ে নিয়মিত গোসল করে চুল শুকিয়ে তারপর বাধবেন। মাথায় তেল মেখে রাখা ও ঠিকনা।  - ধুলাবালি, এর জন্য মাস্ক ব্যবহার করা। - ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা। -  তাজা, পুষ্টিকর এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। -  হাত ধোয়ার অভ্যাস করা। বিশেষ করে চোখ বা নাক মোছার পরপর হাত ধোয়া। - নাক কচলানো এবং নাক খোটা একদম নিষেধ ,  এসব এর পরেও সমস্যা থাকতে পারে , সেক্ষেত্রে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে এলার্জির ওষুধ খাবেন। আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময়, মায়া আপা ।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও