প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কারো কাশি থাকলে তা আগে থেকে ছিল কিনা, কাশির ধরন, অন্যান্য উপসর্গ, রোগীর বয়স, অন্য কোন শরীরিক সমস্যা আছে কিনা এগুলো জানতে হয় এবং সেই অনুযায়ী সম্ভাব্য কারন বিবেচনা করে ডাক্তার চিকিতসা দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে উপসর্গ অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শে প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহন করতে হবে। এছাড়াও কিছু ঘরোয়া উপায় মেনে চলতে হবে। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা-চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল বা কুলকুচি করতে হবে। কাশি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন তিন বেলা করে কুলকুচি করবেন। এতে কফ, কাশি এবং গলাব্যথা সবই খুব দ্রুত কমে যাবে। এটি খুবই কার্যকর একটি পদ্ধতি। ডায়বেটিস না থাকলে এক কাপ লেবুমিশ্রিত চায়ের মধ্যে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। মধু কাশি কমাতে সাহায্য করে এবং গলাব্যথা কমায়। এ ছাড়া আদা চা, গরম পানি খাওয়া, গলায় ঠান্ডা না লাগানো নিয়মিত মেনে চলতে হবে। এছাড়া গরম পানির ভাপ গ্রহন করতে পারেন। কাশি বা সমস্যা বাড়ে এমন কিছু থেকে যেমন- ধুলাবালি, ঠান্ডা, ধোঁয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। হাঁচি কাশির শিষ্টাচার মেনে চলুন, মুখ কনুই দিয়ে ঢেকে হাঁচি কাশ দিন, মাস্ক ব্যবহার করুন। ঘরের দরজা-জানালা সব সময় বন্ধ না রেখে মুক্ত ও নির্মল বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। তাজা, পুষ্টিকর খাদ্য, ভিটামিন সি যুক্ত খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন, যা দেহকে সতেজ রাখবে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। কাশির সাথে কারো যদি অন্য উপসর্গ থাকে যেমন- জ্বর, গলাব্যাথা, নাকের ঘ্রাণ শক্তি কমে যাওয়া, অরুচি, দুর্বলতা তবে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে ওষুধ ও পরবর্তী পরীক্ষা নিরীক্ষার দিক-নির্দেশনার জন্য। এসকল ক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই যথাযথ দূরত্বে রেখে, প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে সেবা দিতে হবে। রোগীকে বিশেষ সতর্কতা স্বাস্থ্য বিধি যেমন- মাস্ক পড়া, নিরাপদ দূরত্বে বা আলাদা থাকা, বারে বারে হাত সাবান দিয়ে ধোয়া বা স্যানিটাইজ করা, ব্যবহার করা জিনিসপত্র আলাদা রাখা ইত্যাদি মেনে চলতে হবে। শ্বাসকষ্ট বা কোন উপসর্গ তীব্র হলে অবশ্যই হাসপাতালে বা ডাক্তারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও