গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জ্বর অনেক কারনে হয়ে থাকে। শরীরে কোন ইনফেকশনের কারনে মূলত জ্বর হয়। এক্ষেত্রে জ্বরের ধরন, মাত্রা, অন্যান্য উপসর্গ, রোগীর বয়স, অন্য কোন শরীরিক সমস্যা আছে কিনা এগুলো জানতে হয় এবং সেই অনুযায়ী সম্ভাব্য কারন বিবেচনা করে ডাক্তার চিকিতসা দিয়ে থাকেন। জ্বরের জন্য নিয়মিত তাপমাত্রা পরিমাপ করে বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট ডোজে প্যারাসিটামল ওষুধ নিতে হবে। জ্বরের মাত্রা বেশি হলে সাপোজিটরি ব্যবহার করতে হবে। জ্বর হলে প্রাথমিকভাবে স্পঞ্জিং করা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই পুরো শরীর ভেজা নরম কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে একটানা কয়েকবার আলতো করে মুছে দিলে শরীরের তাপমাত্রা কমে যায় এবং খুব ভালো বোধ করে জ্বরের সময় যতটা সম্ভব বিশ্রামে থাকতে পারলে ভালো। স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে এছাড়াও লেবুর রস মুখে রুচি আনতে সাহায্য করে তাই লেবু বা লেবুর শরবত খাওয়া যেতে পারে। ফলের মধ্যে আনারস, কমলা, পেয়ারা বা আমলকি জাতীয় খাবার খাওয়া যেতে পারে। ভিটামিন সি যুক্ত খাবার, পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করতে হবে যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে। ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার যেমন- আইসক্রিম, ফ্রিজের পানি, কোল্ড ড্রিঙ্কস একেবারেই পরিহার করতে হবে। কুসুম গরম পানিতে মধু মিশিয়ে খেলে উপকৃত হবেন। এছাড়াও আদা চা, লেবু চা এগুলো গ্রহন করতে পারেন। জ্বরের সাথে কারো যদি অন্য উপসর্গ থাকে যেমন- গলাব্যাথা, কাশি, নাকের ঘ্রাণ শক্তি কমে যাওয়া, অরুচি, দুর্বলতা তবে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিতে হবে ওষুধ ও পরবর্তী পরীক্ষা নিরীক্ষার দিক-নির্দেশনার জন্য। এসকল ক্ষেত্রে রোগীকে অবশ্যই যথাযথ দূরত্বে রেখে, প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে সেবা দিতে হবে। রোগীকে বিশেষ সতর্কতা স্বাস্থ্য বিধি যেমন- মাস্ক পড়া, নিরাপদ দূরত্বে বা আলাদা থাকা, বারে বারে হাত সাবান দিয়ে ধোয়া বা স্যানিটাইজ করা, ব্যবহার করা জিনিসপত্র আলাদা রাখা ইত্যাদি মেনে চলতে হবে। উপসর্গ তীব্র হলে অবশ্যই হাসপাতালে বা ডাক্তারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করতে হবে।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও