মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত


Avatar

প্রিয় গ্রাহক,

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহে ব্যঘাত ঘটার ফলে যে অব্যবস্থা দ্রুত জন্ম নেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক (Stroke)। দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্ক কোষসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল---অক্সিজেন বা শর্করা সরবরাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষগুলো শরীরের যেই অংশ নিয়ন্ত্রণ করত ওই অংশ গুলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।

মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ কিংবা আঞ্চলিকভাবে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া---এই দুই অবস্থাই স্ট্রোক-এর আওতায় আসে। রোগীরা দু'অবস্থাতেই প্রায় একই ধরনের উপসর্গ বা লক্ষ্মণ (symptoms & signs) নিয়ে আসতে পারে। তবে রোগীর অবস্থা কতটা খারাপ তা নির্ভর করে মস্তিষ্কের অঞ্চলসমূহের কোন এলাকায় রক্ত চলাচলে ব্যত্যয় ঘটলো তার উপর, কতোটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হল এবং কতো দ্রুত ওই অঘটন ঘটে থাকে, তার উপর।

ব্রেইন স্ট্রোক চেনার উপায়
মুখ বেঁকে যাওয়া: ব্রেইন স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ মুখ বেঁকে যাওয়া এবং হাসতে না পারা। রোগী মুখের এক পাশে অসাড়তা অনুভব করলে অথবা এক পাশ বেঁকে গেলে, তাকে হাসার জন্য অনুরোধ করুন। হাসতে না পারলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাতে দুর্বলতা: এক অথবা উভয় হাত অবশ বা দুর্বলতা অনুভব করাও স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এমন রোগীকে হাত ওপরে ওঠাতে বলুন। স্ট্রোকের রোগী হলে হাত ওপরে ওঠাতে পারবে না। ওপর দিকে ওঠাতে গেলেও হাত নিচের দিকে নেমে আসবে।
কথা বলতে অসুবিধা: স্ট্রোকের রোগী বক্তৃতা দেওয়ার সময় ঠিকমতো কথা বলতে পারবে না। বিষয়টি পরীক্ষা করতে তাদের একই প্রশ্ন বারবার করুন। দেখবেন, তারা সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবে না।
ভারসাম্য ঠিক থাকবে না: স্ট্রোকের রোগী নিজের শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে না। তারা চলাচলের সময় সমন্বয়ের অভাব অনুভব করে।
মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা: কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে প্রচণ্ড মাথাব্যথা অনুভব হতে পারে। সাধারণত এটি হেমোরেজিক স্ট্রোকের ইঙ্গিত করে।

অজ্ঞান রোগীর ক্ষেত্রে করণীয়
১. শ্বাসনালি, শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্ত সঞ্চালন নিয়মিত রাখার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে।
২. রোগীকে একদিকে কাত করে, বালিশছাড়া মাথা নিচু করে শোয়াতে হবে।
৩. চোখ ও মুখের যত্ন নিতে হবে।
৪. প্রস্রাব আটকে গেলে বা প্রস্রাব ঝরলে প্রয়োজনে ক্যাথেটার দিতে হবে।
৫. পুষ্টি ও খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে নাকে নল দিতে হতে পারে।
প্রতিরোধের উপায়
স্ট্রোক প্রতিরোধে চাই সচেতনতা। রক্তের চর্বি, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন ঠিক রাখা, পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি, সতেজ ফলমূল খাওয়ার মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতে পারেন।






আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।

আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,

রয়েছে পাশে সবসময়,

মায়া আপা ।

Answered By : Dr. S Ahmed প্রশ্ন করা হয়েছে 10 months ago

সম্পর্কিত প্রস্নসমুহ

Internet Org 3 weeks ago


Hello. My father had an operation named Laser DCR, because his lacrymal fistula was blocked in his left eye. After 5 days of operation, he had serious excessive bleeding from his nose. Bleeds and bleeds. The amount of blood is huge. Suddenly, blood drips from his nose. He went to doctor, and he gave antibiotics, nose medicine etc. For some days, the bleeding stopped. But then again, it bleeded severly. Blood also comes from his cough. What can be the reason for this and how can i stop this ? I a... ....See More

Internet Org 3 weeks ago


আমার আম্মুর, বয়স ৪১ ওনার একেক সময় একেক সময় শরীরের একেক যায়গায় ব্যাথা হয়, মাঝ্এ মাঝে কিছু ধরতে বা নিতেও পারেনা, ডাক্তার বলসে ক্ষয় জনিত সমস্যা, এমতবস্থায়, কি ধরনের খাওয়ার, কিভাবে জীবন যাপন করা উচিত ....See More

দ্রুত উত্তর - On Google Play