Internet Org

মায়া প্রশ্নের বিস্তারিত

আপা ষ্ট্রোক রোগ কি,,,,এর কারন,,,বোঝার লক্ষন,,ও রোগীকে তাতক্ষনিক কি করতে হবে যা ৩০-৪০ মিনিট এর মধ্যে করা যায়,,,,কেননা এতুটুকু সময় যদি হাসপাতালে যেতে লাগে,,,,

Internet Org  প্রশ্ন করা হয়েছে Aug 9, 2017

প্রশ্নের কোড নম্বর 319737

noodles Pran 728x90 adv3

প্রিয় গ্রাহক,আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে রক্ত সরবরাহে ব্যঘাত ঘটার ফলে যে অব্যবস্থা দ্রুত জন্ম নেয় তাকে বলা হয় স্ট্রোক (Stroke)। দেহের রক্তের মাত্র ২% মস্তিষ্ক ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু মস্তিষ্ক কোষসমূহ অত্যন্ত সংবেদনশীল---অক্সিজেন বা শর্করা সরবরাহে সমস্যা হলে দ্রুত এই কোষগুলো নষ্ট হয়ে যায়। ওই কোষগুলো শরীরের যেই অংশ নিয়ন্ত্রণ করত ওই অংশ গুলো পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে যেতে পারে।মস্তিষ্কে রক্ত ক্ষরণ কিংবা আঞ্চলিকভাবে রক্ত চলাচল বন্ধ হওয়া---এই দুই অবস্থাই স্ট্রোক-এর আওতায় আসে। রোগীরা দু'অবস্থাতেই প্রায় একই ধরনের উপসর্গ বা লক্ষ্মণ (symptoms & signs) নিয়ে আসতে পারে। তবে রোগীর অবস্থা কতটা খারাপ তা নির্ভর করে মস্তিষ্কের অঞ্চলসমূহের কোন এলাকায় রক্ত চলাচলে ব্যত্যয় ঘটলো তার উপর, কতোটা এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হল এবং কতো দ্রুত ওই অঘটন ঘটে থাকে, তার উপর।ব্রেইন স্ট্রোক চেনার উপায়মুখ বেঁকে যাওয়া: ব্রেইন স্ট্রোকের প্রধান লক্ষণ মুখ বেঁকে যাওয়া এবং হাসতে না পারা। রোগী মুখের এক পাশে অসাড়তা অনুভব করলে অথবা এক পাশ বেঁকে গেলে, তাকে হাসার জন্য অনুরোধ করুন। হাসতে না পারলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।হাতে দুর্বলতা: এক অথবা উভয় হাত অবশ বা দুর্বলতা অনুভব করাও স্ট্রোকের লক্ষণ হতে পারে। এমন রোগীকে হাত ওপরে ওঠাতে বলুন। স্ট্রোকের রোগী হলে হাত ওপরে ওঠাতে পারবে না। ওপর দিকে ওঠাতে গেলেও হাত নিচের দিকে নেমে আসবে।কথা বলতে অসুবিধা: স্ট্রোকের রোগী বক্তৃতা দেওয়ার সময় ঠিকমতো কথা বলতে পারবে না। বিষয়টি পরীক্ষা করতে তাদের একই প্রশ্ন বারবার করুন। দেখবেন, তারা সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবে না।ভারসাম্য ঠিক থাকবে না: স্ট্রোকের রোগী নিজের শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে না। তারা চলাচলের সময় সমন্বয়ের অভাব অনুভব করে।মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা: কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে প্রচণ্ড মাথাব্যথা অনুভব হতে পারে। সাধারণত এটি হেমোরেজিক স্ট্রোকের ইঙ্গিত করে।অজ্ঞান রোগীর ক্ষেত্রে করণীয়১. শ্বাসনালি, শ্বাসপ্রশ্বাস ও রক্ত সঞ্চালন নিয়মিত রাখার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে।২. রোগীকে একদিকে কাত করে, বালিশছাড়া মাথা নিচু করে শোয়াতে হবে।৩. চোখ ও মুখের যত্ন নিতে হবে।৪. প্রস্রাব আটকে গেলে বা প্রস্রাব ঝরলে প্রয়োজনে ক্যাথেটার দিতে হবে।৫. পুষ্টি ও খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে নাকে নল দিতে হতে পারে।প্রতিরোধের উপায়স্ট্রোক প্রতিরোধে চাই সচেতনতা। রক্তের চর্বি, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন ঠিক রাখা, পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি, সতেজ ফলমূল খাওয়ার মাধ্যমে ঝুঁকি কমাতে পারেন।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি।আর কোন প্রশ্ন থাকলে, মায়া আপাকে জানাবেন,রয়েছে পাশে সবসময়,মায়া আপা ।

  উত্তর দেয়া হয়েছে Aug 9, 2017

প্রশ্নের কোড নম্বর 319737


মন্তব্য


পরিচয়বিহীন

সম্পর্কিত নিবন্ধ সমূহ

  • list শিশুকে দুর্ঘটনা থেকে নিরাপদ রাখুনঃ ফার্স্ট এইড
  • list শিশুদের ভালোর জন্য প্রাত্যহিক সূচির গুরুত্ব