প্রিয় গ্রাহক, আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফেইসয়াশ, ময়েশ্চারাইজার যাই ইউজ করেন তা সেনসেটিভ স্কিনের জন্য ফর্মুলেটেড কিনা দেখে ইউজ করবেন। বাইরে গেলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ইউজ করবেন। কোন কিছু ত্বকের দেয়ার আগে কাজেই প্যাচ টেস্ট করা উচিত এর জন্য যাই ইউজ করবেন তা অল্প একটু নিয়ে থুতনির নিচে লাগিয়ে দেখবেন কোন এলার্জি আছে কিনা। যদি কোনও ধরনের চুলকানি না হয় তাহলে আপনি মধু ব্যবহার করতে পারবেন।পিল অফ মাস্ক ইউজ করা থেকে বিরত থাকবেন। ত্বকে হার্শ কোন উপাদান ইউজ করবেন না যেমন লেবু, ভিনেগার, মধু ইত্যাদি।প্রতিদিন রাতে পরিষ্কার ত্বকে অ্যালোভেরা জেলের সাথে ভিটামিন ই মিক্স করে ইউজ করে জান। এভাবে কমপক্ষে ৩ মাস ইউজ করতে হবে।এই প্রক্রিয়াটি ফলো করে দেখুন কোন উপকারে আসে কিনা। ২ চা চামচ আলুর রস, ২ চা চামচ লেবু পাতার রস, ২ চা চামচ বেসন, এক চিমটি হলুদ গুঁড়া, এবং নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে একটা স্মুদ পেস্ট তৈরি করুন।মুখ ভালোভাবে ক্লিন করে নিয়ে যে সকল স্থানে ডার্ক স্পট এবং হাইপারপিগমেন্টেশন রয়েছে, সেখানেই লাগাবেন। পুরো মুখে লাগানোর দরকার নেই। এরপর ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলে টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন।এভাবে সপ্তাহে ২ দিন লাগাবেন। কয়েকদিন লাগিয়েই যদি ভাবেন কই, স্পট কমছে না তো! তাহলে কিন্তু বোকামি করবেন। কারণ, ন্যাচারাল ইনগ্রেডিয়েন্টস কাজ করতে একটু সময় নেয়। আর এই সকল সমস্যা দূর হতেও একটু বেশী সময়-ই লাগে।আশা করি আপনাকে সাহায্য করতে পেরেছি। আর কোনও প্রশ্ন থাকলে,মায়াকে জানাবেন, রয়েছে পাশে সবসময় , মায়া।

আপনার কোনো প্রশ্ন আছে?

মায়া অ্যাপ থেকে পরিচয় গোপন রেখে নিঃসংকোচে শারীরিক, মানসিক এবং জীবনধারা বিষয়ক যেকোনো প্রশ্ন করুন, বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।


মায়া অ্যাপ ডাউনলোড করুন

প্রশ্ন করুন আপনিও